কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে উপজেলা বিএনপির সহসভাপতিসহ ২৫ নেতা-কর্মীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আজ মঙ্গলবার দুপুরে ৩৭ জন নেতা-কর্মী আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন। এ সময় কুড়িগ্রাম চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ফুলবাড়ী আমলি আদালতের বিচারক লিটন চন্দ্র রায় ২৫ জনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আশরাফুল ইসলাম এবং উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নান মুকুল এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বিএনপি নেতা আব্দুল মান্নান মুকুল বলেন, ‘আওয়ামী লীগের দায়ের করা মামলায় আমাদের ৩৭ নেতা-কর্মী আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করি। আদালত আমাকেসহ ১২ জনকে জামিন দেন।’
মামলায় উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি লোকমান হোসেন সরকার, যুবদলের সদস্যসচিব অপূর্ব লাল সেন, কাশিপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন ও কৃষক দলের আহ্বায়ক মনোয়ার হোসেন নয়নসহ ২৫ নেতা–কর্মীর জামিন নামঞ্জুর করে করাগারে পাঠায়। ঘটনার রাতে একজন গ্রেপ্তারসহ মোট ২৬ নেতা-কর্মী কারাগারে রয়েছেন। আদালত আগামী ১৯ অক্টোবর মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও ফুলবাড়ী পুলিশের উপপরিদর্শক ইব্রাহিম খলিল বলেন, ‘২৫ জনকে কারাগারে পাঠানোর কথা শুনেছি। তবে এখনো আদালতের কোনো কাগজ পাইনি।’
গত শনিবার বিকেলে উপজেলা শহরের তিনকোনা মোড়ে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এতে উভয় পক্ষের ২২ জন আহত হন। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এ ঘটনার পর উপজেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মো. জোনাব আলী বাদী হয়ে উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি লোকমান হোসেন সরকার ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নান মুকুলসহ বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের ৪০ নেতা-কর্মীর নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা ৫০-৬০ জনকে আসামি করে থানায় মামলা করেন।

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে উপজেলা বিএনপির সহসভাপতিসহ ২৫ নেতা-কর্মীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আজ মঙ্গলবার দুপুরে ৩৭ জন নেতা-কর্মী আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন। এ সময় কুড়িগ্রাম চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ফুলবাড়ী আমলি আদালতের বিচারক লিটন চন্দ্র রায় ২৫ জনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আশরাফুল ইসলাম এবং উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নান মুকুল এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বিএনপি নেতা আব্দুল মান্নান মুকুল বলেন, ‘আওয়ামী লীগের দায়ের করা মামলায় আমাদের ৩৭ নেতা-কর্মী আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করি। আদালত আমাকেসহ ১২ জনকে জামিন দেন।’
মামলায় উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি লোকমান হোসেন সরকার, যুবদলের সদস্যসচিব অপূর্ব লাল সেন, কাশিপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন ও কৃষক দলের আহ্বায়ক মনোয়ার হোসেন নয়নসহ ২৫ নেতা–কর্মীর জামিন নামঞ্জুর করে করাগারে পাঠায়। ঘটনার রাতে একজন গ্রেপ্তারসহ মোট ২৬ নেতা-কর্মী কারাগারে রয়েছেন। আদালত আগামী ১৯ অক্টোবর মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও ফুলবাড়ী পুলিশের উপপরিদর্শক ইব্রাহিম খলিল বলেন, ‘২৫ জনকে কারাগারে পাঠানোর কথা শুনেছি। তবে এখনো আদালতের কোনো কাগজ পাইনি।’
গত শনিবার বিকেলে উপজেলা শহরের তিনকোনা মোড়ে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এতে উভয় পক্ষের ২২ জন আহত হন। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এ ঘটনার পর উপজেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মো. জোনাব আলী বাদী হয়ে উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি লোকমান হোসেন সরকার ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নান মুকুলসহ বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের ৪০ নেতা-কর্মীর নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা ৫০-৬০ জনকে আসামি করে থানায় মামলা করেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে