কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

কুড়িগ্রামের রৌমারীতে ১৮১ বস্তা ভারতীয় চিনি উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলার চর শৌলমারী বাজারের একটি বসতবাড়ি ও দুটি গুদাম থেকে এসব চিনি উদ্ধারের ঘটনা ঘটে। প্রতি বস্তায় ৫০ কেজি করে চিনি রয়েছে।
রৌমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লা হিল জামান ১৮১ বস্তা ভারতীয় চিনি উদ্ধারের তথ্য আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেন।
পুলিশ জানায়, রৌমারী থানার ওসি আব্দুল্লা হিল জামানের নেতৃত্বে চর শৌলমারী বাজারের একটি বসতবাড়ি ও একটি গোডাউনে অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় আমির চাঁন (৪৫) ও চান্দু মিয়া (৫৫) নামের দুই অবৈধ মজুতকারী পালিয়ে যান।
গুদাম তালাবদ্ধ থাকায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আছিফ উদ্দীন মিয়া ও রৌমারী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. মমিনুল ইসলাম ঘটনাস্থলে গিয়ে তালা ভাঙার ব্যবস্থা করেন। তাঁদের উপস্থিতিতে আমির চাঁনের বাড়ি থেকে ৩০ বস্তা, চর শৌলমারী বাজারে অবস্থিত তাঁর গুদাম থেকে ১২৫ বস্তা এবং একই বাজারের চান্দু মিয়ার গুদাম থেকে ২৬ বস্তা চিনি উদ্ধার করা হয়। প্রতি বস্তায় ৫০ কেজি করে প্রায় ৯ মেট্রিক টন চিনি উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানায় পুলিশ।
ওসি আব্দুল্লা হিল জামান বলেন, ‘ভারতীয় বস্তায় প্যাকেটজাত করা এসব চিনি উপজেলার কাউয়ার চর দিয়ে অবৈধ পথে এনে মজুত করা হয়েছে। চোরাচালানে জড়িত আমির চাঁন ও চান্দু মিয়া পলাতক রয়েছেন।’
ওসি বলেন, ‘জব্দ চিনি থানায় নেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় অভিযোগ ওঠা দুজনের নামে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলার প্রস্তুতি চলছে।’
স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, উলিপুর উপজেলার সাহেবের আলগা ও রৌমারী উপজেলার ব্রহ্মপুত্র নদ এবং রৌমারী উপজেলার হলহলিয়া ও জিঞ্জিরাম নদী হয়ে নৌপথে ভারতীয় চিনি রৌমারীর বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত প্রবেশ করছে।

কুড়িগ্রামের রৌমারীতে ১৮১ বস্তা ভারতীয় চিনি উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলার চর শৌলমারী বাজারের একটি বসতবাড়ি ও দুটি গুদাম থেকে এসব চিনি উদ্ধারের ঘটনা ঘটে। প্রতি বস্তায় ৫০ কেজি করে চিনি রয়েছে।
রৌমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লা হিল জামান ১৮১ বস্তা ভারতীয় চিনি উদ্ধারের তথ্য আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেন।
পুলিশ জানায়, রৌমারী থানার ওসি আব্দুল্লা হিল জামানের নেতৃত্বে চর শৌলমারী বাজারের একটি বসতবাড়ি ও একটি গোডাউনে অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় আমির চাঁন (৪৫) ও চান্দু মিয়া (৫৫) নামের দুই অবৈধ মজুতকারী পালিয়ে যান।
গুদাম তালাবদ্ধ থাকায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আছিফ উদ্দীন মিয়া ও রৌমারী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. মমিনুল ইসলাম ঘটনাস্থলে গিয়ে তালা ভাঙার ব্যবস্থা করেন। তাঁদের উপস্থিতিতে আমির চাঁনের বাড়ি থেকে ৩০ বস্তা, চর শৌলমারী বাজারে অবস্থিত তাঁর গুদাম থেকে ১২৫ বস্তা এবং একই বাজারের চান্দু মিয়ার গুদাম থেকে ২৬ বস্তা চিনি উদ্ধার করা হয়। প্রতি বস্তায় ৫০ কেজি করে প্রায় ৯ মেট্রিক টন চিনি উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানায় পুলিশ।
ওসি আব্দুল্লা হিল জামান বলেন, ‘ভারতীয় বস্তায় প্যাকেটজাত করা এসব চিনি উপজেলার কাউয়ার চর দিয়ে অবৈধ পথে এনে মজুত করা হয়েছে। চোরাচালানে জড়িত আমির চাঁন ও চান্দু মিয়া পলাতক রয়েছেন।’
ওসি বলেন, ‘জব্দ চিনি থানায় নেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় অভিযোগ ওঠা দুজনের নামে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলার প্রস্তুতি চলছে।’
স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, উলিপুর উপজেলার সাহেবের আলগা ও রৌমারী উপজেলার ব্রহ্মপুত্র নদ এবং রৌমারী উপজেলার হলহলিয়া ও জিঞ্জিরাম নদী হয়ে নৌপথে ভারতীয় চিনি রৌমারীর বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত প্রবেশ করছে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৪ ঘণ্টা আগে