সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে দেশসেরা কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়

নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার ও সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে দেশের সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়। আজ মঙ্গলবার বাংলাদেশ সোলার এক্সপো-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেশের সরকারি প্রতিষ্ঠান ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়গুলোর মধ্যে কিশোরগঞ্জ ডিসি অফিস সর্বোচ্চ সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, কার্যালয়ের ৩ হাজার ৬০০ বর্গফুট আয়তনের ছাদে ৩৬০ কিলোওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন আধুনিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়গুলোর মধ্যে এটিই সর্বোচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা। প্রচলিত বিদ্যুতের ওপর নির্ভরতা কমানো এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়।
সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা চালুর পর থেকে কার্যালয়ের বিদ্যুৎ ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, বর্তমানে বিদ্যুৎ খরচ প্রায় এক-তৃতীয়াংশে নেমে এসেছে। এতে প্রতি মাসে গড়ে প্রায় ৩ লাখ টাকা বিদ্যুৎ বিল সাশ্রয় হচ্ছে। ফলে সরকারি অর্থের সাশ্রয়ের পাশাপাশি কার্বন নিঃসরণ কমিয়ে পরিবেশ সুরক্ষায়ও ভূমিকা রাখছে এ উদ্যোগ।
এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন বলেন, ‘সারা দেশের সরকারি বিভিন্ন কার্যালয়ের ছাদে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয় এ ক্ষেত্রে একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পেরেছে বলে আমরা আনন্দিত।’
প্রশাসক আরও বলেন, পরিবেশবান্ধব ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার একদিকে যেমন সরকারি ব্যয় কমাচ্ছে, অন্যদিকে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায়ও ভূমিকা রাখছে। কিশোরগঞ্জের এ উদ্যোগ অন্যান্য সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের জন্য সবুজ জ্বালানি ব্যবহারে অনুপ্রেরণা হয়ে উঠবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।









