বাগেরহাট ও চিতলমারী প্রতিনিধি

বাগেরহাটের চিতলমারীতে আদালতের নিষেধাজ্ঞার জমিতে ধান লাগানোকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এতে দুই নারী গুরুতর আহত হয়েছেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
আজ শনিবার দুপুরে উপজেলার কুড়ালতলা উত্তরপাড়া গ্রামে এ হামলার ঘটনা ঘটে। আহত দুজন হলেন ওই গ্রামের মৃত রাজেন্দ্রনাথ মণ্ডলের স্ত্রী বাসন্তী মণ্ডল (৬৫) ও মনোরঞ্জন মণ্ডলের স্ত্রী মঞ্জু রানী মণ্ডল (৫০)। তাঁদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
চিতলমারী থানার পরিদর্শক এ এই চএম কামরুজ্জামান খান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘খবর শুনে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনি। আহতদের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ওই জায়গায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা জারি রয়েছে।’
প্রত্যক্ষদর্শী অনিমেষ মণ্ডল ও মনোরঞ্জন মণ্ডল বলেন, ‘আজ শনিবার দুপুরে তাঁদের পূর্বপুরুষের প্রায় ১ একর ৬০ শতক জমিতে ধান লাগানোর চেষ্টা করা হয়। এ সময় চর কুড়ালতলা গ্রামের মাসুদ গাজী, আনোয়ার গাজী ও সাখাওয়াৎ শিকদারের নেতৃত্বে কিছু লোক হাতুড়ি, রডসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ওই জমিতে ধান লাগাচ্ছিল। পুরুষেরা তাঁদের সামনে না গিয়ে নারীরা যান এবং ধান লাগাতে বাধা দেন।’
তাঁরা আরও বলেন, ‘তর্কাতর্কির একপর্যায়ে তাঁরা নারীদের ওপর হামলা ও মারধর করেন। তাঁদের হামলার শিকার হন ইতি মণ্ডল (৩৫), অঞ্জলি মণ্ডল (৩৪), কবিতা মণ্ডল (৪০), চঞ্চলা মণ্ডল (৪৫), কামনা মণ্ডল (৩৪), মিনি মণ্ডল (৪৫), মাধু মণ্ডল (২২), শোভা মণ্ডল (৫০), সীমা মণ্ডল (২২), রীতা মণ্ডল (৩২) ও চম্পা মণ্ডল (৩০)।’
অন্যদিকে মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত মাসুদ গাজী বলেন, ‘ওই জায়গা আমার দাদা মৃত আব্দুল মজিদের ক্রয় করা। অন্য অংশীদারদের পক্ষ থেকে আমি আদালতে ১৪৪ ধারায় মামলা করি। আদালত ওই জায়গায় নিষেধাজ্ঞা দেয়। তা উপেক্ষা করে প্রতিপক্ষ আজ ধান লাগাতে যায়। এ সময় আমরা তাঁদের বাধা দিয়েছি। এখন তাঁরা নারীদের ওপর হামলার নাটক সাজিয়ে আমাদের ফাঁসানোর চেষ্টা করছে।’
চিতলমারী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মধুসূদন বিশ্বাস আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ওই জমিতে আদালতের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। গত ১৮ জানুয়ারি আমি উভয় পক্ষকে নোটিশ প্রদান করেছি।’
চিতলমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাইয়েদা ফয়জুন্নেছা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আহত নারীরা আমার কাছে এসেছিল। আমি আগে তাঁদের চিকিৎসা নিতে বলেছি। বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি।’

বাগেরহাটের চিতলমারীতে আদালতের নিষেধাজ্ঞার জমিতে ধান লাগানোকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এতে দুই নারী গুরুতর আহত হয়েছেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
আজ শনিবার দুপুরে উপজেলার কুড়ালতলা উত্তরপাড়া গ্রামে এ হামলার ঘটনা ঘটে। আহত দুজন হলেন ওই গ্রামের মৃত রাজেন্দ্রনাথ মণ্ডলের স্ত্রী বাসন্তী মণ্ডল (৬৫) ও মনোরঞ্জন মণ্ডলের স্ত্রী মঞ্জু রানী মণ্ডল (৫০)। তাঁদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
চিতলমারী থানার পরিদর্শক এ এই চএম কামরুজ্জামান খান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘খবর শুনে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনি। আহতদের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ওই জায়গায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা জারি রয়েছে।’
প্রত্যক্ষদর্শী অনিমেষ মণ্ডল ও মনোরঞ্জন মণ্ডল বলেন, ‘আজ শনিবার দুপুরে তাঁদের পূর্বপুরুষের প্রায় ১ একর ৬০ শতক জমিতে ধান লাগানোর চেষ্টা করা হয়। এ সময় চর কুড়ালতলা গ্রামের মাসুদ গাজী, আনোয়ার গাজী ও সাখাওয়াৎ শিকদারের নেতৃত্বে কিছু লোক হাতুড়ি, রডসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ওই জমিতে ধান লাগাচ্ছিল। পুরুষেরা তাঁদের সামনে না গিয়ে নারীরা যান এবং ধান লাগাতে বাধা দেন।’
তাঁরা আরও বলেন, ‘তর্কাতর্কির একপর্যায়ে তাঁরা নারীদের ওপর হামলা ও মারধর করেন। তাঁদের হামলার শিকার হন ইতি মণ্ডল (৩৫), অঞ্জলি মণ্ডল (৩৪), কবিতা মণ্ডল (৪০), চঞ্চলা মণ্ডল (৪৫), কামনা মণ্ডল (৩৪), মিনি মণ্ডল (৪৫), মাধু মণ্ডল (২২), শোভা মণ্ডল (৫০), সীমা মণ্ডল (২২), রীতা মণ্ডল (৩২) ও চম্পা মণ্ডল (৩০)।’
অন্যদিকে মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত মাসুদ গাজী বলেন, ‘ওই জায়গা আমার দাদা মৃত আব্দুল মজিদের ক্রয় করা। অন্য অংশীদারদের পক্ষ থেকে আমি আদালতে ১৪৪ ধারায় মামলা করি। আদালত ওই জায়গায় নিষেধাজ্ঞা দেয়। তা উপেক্ষা করে প্রতিপক্ষ আজ ধান লাগাতে যায়। এ সময় আমরা তাঁদের বাধা দিয়েছি। এখন তাঁরা নারীদের ওপর হামলার নাটক সাজিয়ে আমাদের ফাঁসানোর চেষ্টা করছে।’
চিতলমারী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মধুসূদন বিশ্বাস আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ওই জমিতে আদালতের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। গত ১৮ জানুয়ারি আমি উভয় পক্ষকে নোটিশ প্রদান করেছি।’
চিতলমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাইয়েদা ফয়জুন্নেছা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আহত নারীরা আমার কাছে এসেছিল। আমি আগে তাঁদের চিকিৎসা নিতে বলেছি। বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি।’

সুনামগঞ্জের প্রবাসী অধ্যুষিত জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত সুনামগঞ্জ-৩ আসন। এই আসনে এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৯ জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেন। এর মধ্যে যাচাই-বাছাইকালে ৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। আর প্রার্থীরা প্রবাসী স্ত্রী, ভাই, বোন ও ছেলের টাকায় নির্বাচনী ব্যয় মেটাবেন বলে
৩ ঘণ্টা আগে
সদর, আমতলী ও তালতলী উপজেলা নিয়ে বরগুনা-১ আসন এবং বামনা, পাথরঘাটা ও বেতাগী নিয়ে গঠিত বরগুনা-২ আসন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসন দুটিতে মোট বৈধ প্রার্থী ১৮ জন। রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে প্রার্থীদের দেওয়া হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, কোনো প্রার্থীরই বার্ষিক আয় ১ কোটি টাকা নেই।
৩ ঘণ্টা আগে
পাবনা-৩ (চাটমোহর-ভাঙ্গুড়া-ফরিদপুর) আসনে বিএনপির প্রার্থী কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন। তিনি জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি। এবারই প্রথম তিনি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সম্প্রতি তিনি আজকের পত্রিকার পাবনা প্রতিনিধি শাহীন রহমানের মুখোমুখি হয়েছিলেন।
৩ ঘণ্টা আগে
দেশে এলপি গ্যাসের তীব্র সংকট শিগগির অবসানের কোনো আভাস নেই। জ্বালানি মন্ত্রণালয় পর্যাপ্ত মজুতের কথা বললেও এলপি গ্যাস আমদানিকারকেরা বলছেন ভিন্ন কথা। তাঁরা বলছেন, সরবরাহ সংকটই এই অবস্থার কারণ।
৩ ঘণ্টা আগে