
খুলনার পাইকগাছার ইব্রাহীম মোড়লকে হত্যার দায়ে দুই আসামিকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
আজ মঙ্গলবার খুলনার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক চাঁদ মোহাম্মদ আব্দুল আলিম আল রাজী এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের বেঞ্চ সহকারী মনসুর আহমেদ।
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, পাইকগাছা উপজেলার খাটুমারী গ্রামের বাবুল ফকিরের ছেলে মো. আকবর ফকির ও বান্দিকাটি গ্রামের ওহাব জোয়াদ্দারের ছেলে ওবায়দুল্লাহ জোয়াদ্দার। রায় ঘোষণার সময় ওবায়দুল্লা জোয়াদ্দার উপস্থিত ছিলেন না। তিনি পলাতক রয়েছেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, গত ২০২১ সালের ৩ নভেম্বর সন্ধ্যায় আসামি ওবায়দুল্লাহ ও ইব্রাহীম মোড়ল মোবাইলে কথা বলে পাইকগাছার গদাইপুর বাজারে একত্রিত হয়। বাজার থেকে বিস্কুট, চানাচুর, মুড়ি ও সেভেনআপ কিনে একটি ভ্যানে করে পাইকগাছার সলুয়া গ্রামের একটি বাঁশ বাগানে যান। সেখানে মো. আকবর ফকির, ওবায়দুল্লাহ ও ইব্রাহীম মোড়ল একত্রে বসে খাবার খাবার খান।
একপর্যায়ে চুরি করা ভ্যান বিক্রির টাকার ভাগাভাগি করতে গিয়ে তিনজনের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা ও হাতাহাতি হয়। ইব্রাহীমকে মাটিতে ফেলে পিঠের ওপর উঠে বসেন ওবায়দুল্লাহ। পরে আকবর ফকির ও ওবায়দুল্লাহ দুজনে মিলে ইব্রাহীমের গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে। এরপর ইব্রাহীমের মরদেহ একটি পুকুরে ফেলে দিয়ে দুজন ভ্যান বিক্রির ৫ হাজার টাকা ভাগাভাগি করে নেন।
আরও জানা গেছে, লাশের পরিচয় শনাক্ত না হওয়ায় ২০২১ সালের ৬ নভেম্বর পাইকগাছা থানার (উপপরিদর্শক) এসআই মো. আসাদুজ্জামান বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। পরে তদন্ত শেষে ২০২২ সালের ২৮ জানুয়ারি থানার (উপপরিদর্শক) এসআই মুহা. আ. আলীম ওই দুই আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

একসময় স্বস্তি ও নিরাপদ যাত্রার অন্যতম মাধ্যম ছিল ট্রেন। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সেই ট্রেনযাত্রাই এখন পরিণত হয়েছে ভোগান্তি আর মৃত্যুঝুঁকির যাত্রায়। লাইনচ্যুত হওয়া, ইঞ্জিনে আগুন লাগা কিংবা ইঞ্জিন বিকল হয়ে মাঝপথে ট্রেন আটকে পড়া—নিত্যদিনের এসব ঘটনায় আতঙ্ক বাড়ছে যাত্রীদের।
৬ ঘণ্টা আগে
বরগুনার আমতলী পৌরসভার কেন্দ্রীয় লেকের সৌন্দর্যবর্ধনের প্রকল্পের কাজে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। লেকের মধ্যে নির্মাণাধীন ওয়াকওয়েতে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার ও ত্রুটিপূর্ণ কাজের কারণে গতকাল রোববার অবকাঠামো ধসে পড়ে।
৬ ঘণ্টা আগে
দ্বীপ জেলা ভোলায় বিদ্যুতের ঘন ঘন আসা-যাওয়ায় (লোডশেডিং) অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন গ্রাহকেরা। বিদ্যুতের আবাসিক সংযোগের গ্রাহকেরা শুধু নন, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন শিল্পকারখানার মালিকেরাও। বিদ্যুৎ না থাকায় বিভিন্ন কারখানায় উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে
যশোরের মনিরামপুরে সরকারি অর্থে দুটি খাল পুনঃখননের পর তীরে বৃক্ষরোপণ প্রকল্পে নিম্নমানের চারা লাগিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন (পিআইও) দপ্তরের বিরুদ্ধে।
৭ ঘণ্টা আগে