বাগেরহাট প্রতিনিধি

সুন্দরবন থেকে হরিণের চামড়া-মাথাসহ আটক দুই শিকারিকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার বাগেরহাটের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক বিলাস মণ্ডল এই আদেশ দেন।
এর আগে গতকাল সোমবার বন বিভাগের কোকিলমনি টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাদিক মাহমুদ বাদী হয়ে একটি মামলা করেন। পরে আসামিদের আদালতে সোপর্দ করা হয়।
আসামিরা হলেন মোংলার চাঁদপাই এলাকার সুলতান খানের ছেলে মামুন (৩৩) ও একই এলাকার আক্কাছ শেখের ছেলে আ. রহিম (২১)।
মামলা সূত্রে জানা যায়, গতকাল সকালে কোকিলমনি টহল ফাঁড়িসংলগ্ন অভয়ারণ্য এলাকায় অবৈধভাবে প্রবেশ করে কাঁকড়া আহরণ করছিলেন মামুন ও রহিম নামের দুই ব্যক্তি। বনরক্ষীরা ওই দুই ব্যক্তিকে আটক করেন।
ঘটনাস্থলে থাকা দুটি নৌকা তল্লাশি করে ৪০ কেজি কাঁকড়া, ২১টি চারু ও একটি সোলার প্যানেল জব্দ করা হয়। এ ছাড়া ঘটনাস্থলের পাশে গাছে ঝোলানো অবস্থায় একটি হরিণের চামড়া ও তিনটি শিংওয়ালা মাথাও জব্দ করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, হরিণের মাংসগুলো পচে গেছে। চামড়া ও মাথা জব্দ করেছি। আটক দুজনের বিরুদ্ধে মামলা করার পর আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
রেজাউল করিম আরও বলেন, ‘গত ১৫ দিনে ১০০ কেজি ফাঁদ ও ৫২ কেজি হরিণের মাংস উদ্ধার করা হয়েছে। হরিণ শিকার বন্ধে বন বিভাগ টহল জোরদারের পাশাপাশি নানা পদক্ষেপ নিয়েছে।
হরিণ শিকারকে নিরুৎসাহিত করতে আমরা বনজীবীদের প্রণোদনার ব্যবস্থা করেছি। কোনো বনজীবী যদি এক কেজি হরিণ শিকারের ফাঁদ ধরিয়ে দিতে পারে, তাহলে আমরা তাকে ২ হাজার টাকা প্রণোদনা দিচ্ছি।’ সুন্দরবন ও বন্য প্রাণী রক্ষায় এই উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।

সুন্দরবন থেকে হরিণের চামড়া-মাথাসহ আটক দুই শিকারিকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার বাগেরহাটের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক বিলাস মণ্ডল এই আদেশ দেন।
এর আগে গতকাল সোমবার বন বিভাগের কোকিলমনি টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাদিক মাহমুদ বাদী হয়ে একটি মামলা করেন। পরে আসামিদের আদালতে সোপর্দ করা হয়।
আসামিরা হলেন মোংলার চাঁদপাই এলাকার সুলতান খানের ছেলে মামুন (৩৩) ও একই এলাকার আক্কাছ শেখের ছেলে আ. রহিম (২১)।
মামলা সূত্রে জানা যায়, গতকাল সকালে কোকিলমনি টহল ফাঁড়িসংলগ্ন অভয়ারণ্য এলাকায় অবৈধভাবে প্রবেশ করে কাঁকড়া আহরণ করছিলেন মামুন ও রহিম নামের দুই ব্যক্তি। বনরক্ষীরা ওই দুই ব্যক্তিকে আটক করেন।
ঘটনাস্থলে থাকা দুটি নৌকা তল্লাশি করে ৪০ কেজি কাঁকড়া, ২১টি চারু ও একটি সোলার প্যানেল জব্দ করা হয়। এ ছাড়া ঘটনাস্থলের পাশে গাছে ঝোলানো অবস্থায় একটি হরিণের চামড়া ও তিনটি শিংওয়ালা মাথাও জব্দ করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, হরিণের মাংসগুলো পচে গেছে। চামড়া ও মাথা জব্দ করেছি। আটক দুজনের বিরুদ্ধে মামলা করার পর আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
রেজাউল করিম আরও বলেন, ‘গত ১৫ দিনে ১০০ কেজি ফাঁদ ও ৫২ কেজি হরিণের মাংস উদ্ধার করা হয়েছে। হরিণ শিকার বন্ধে বন বিভাগ টহল জোরদারের পাশাপাশি নানা পদক্ষেপ নিয়েছে।
হরিণ শিকারকে নিরুৎসাহিত করতে আমরা বনজীবীদের প্রণোদনার ব্যবস্থা করেছি। কোনো বনজীবী যদি এক কেজি হরিণ শিকারের ফাঁদ ধরিয়ে দিতে পারে, তাহলে আমরা তাকে ২ হাজার টাকা প্রণোদনা দিচ্ছি।’ সুন্দরবন ও বন্য প্রাণী রক্ষায় এই উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৪৩ মিনিট আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
১ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে