
বিশ্বের একমাত্র ম্যানগ্রোভ সুন্দরবন থেকে হরিণ শিকারের মামলার ৮৬ আসামিকে খুঁজছে পুলিশ ও বন বিভাগ। জানা গেছে, তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকলেও রয়েছে ধরাছোঁয়ার বাইরে। ২০২৩ সালের এক জরিপে দেখা গেছে, সুন্দরবনে ১ লাখ ৩৬ হাজার ৬০৪টি হরিণের আবাসস্থল রয়েছে।

বাগেরহাটের মোংলায় ৩২ কেজি হরিণের মাংস, মাথা, পা, ফাঁদসহ এক শিকারিকে আটক করা হয়েছে। আজ বুধবার (২৬ নভেম্বর) দুপুরে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

সুন্দরবনে হরিণ শিকারের প্রস্তুতিকালে সাতজনকে আটক করা হয়েছে। শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জের কোকিলমনি টহল ফাঁড়ির হোন্দল এলাকা থেকে তাঁদের আটক করেন বন বিভাগের স্মার্ট টিম-১-এর সদস্যরা।

সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগ, খুলনা রেঞ্জের অধীনস্থ শাকবাড়িয়া নদীসংলগ্ন এলাকা থেকে ৪৮ কেজি হরিণের মাংসসহ মো. দিদারুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তিকে আটক করেছে বন বিভাগ। এ সময় তাঁর কাছ থেকে আরও ১১৫ কেজি মাছ, দুটি নৌকাসহ হরিণ ধরার সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। আটক দিদারুল মহারাজপুর গ্রামের মৃত হামিদ গাজীর ছেলে।