অন্তর্বর্তী সরকারকে উৎখাতের ষড়যন্ত্রের অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে খুলনায় রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা করেছে ডিবি পুলিশ।
সোমবার (১১ আগস্ট) দুপুরে খুলনার সোনাডাঙ্গা থানায় মামলাটি করেন মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের এসআই বিধান চন্দ্র রায়।
মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সোনাডাঙ্গা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম।
মামলার অন্যান্য আসামি হলেন খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি অ্যাডভোকেট এম এম মুজিবুর রহমান, শেখ হাসিনার চাচাতো ভাই সাবেক সংসদ সদস্য শেখ হেলাল উদ্দিন, শেখ সালাউদ্দিন জুয়েল, সাবেক সংসদ সদস্য এস এম কামাল হোসেন ও অ্যাডভোকেট পারভেজ আলম খান।
সোনাডাঙ্গা থানা-পুলিশ জানায়, আটক এম এম মুজিবুর রহমান জামিনে মুক্তি পেয়ে পলাতক। তাঁকে এবং এ মামলার অন্য আসামি পারভেজ আলম খানকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, গত ২২ এপ্রিল নগরীর ময়লাপোতা থেকে সন্দেহজনকভাবে আটক করা হয় আওয়ামী লীগ নেতা এম এম মুজিবুর রহমানকে। তাঁর কাছ থেকে জব্দ করা মোবাইল থেকে জানা যায়, হোয়াটসঅ্যাপ, টেলিগ্রাম ও জুম অ্যাপসের মাধ্যমে তেরোখাদা উপজেলা আওয়ামী লীগ, বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ, বিজয় একাত্তর ও জয় বাংলা আমার প্রাণ গ্রুপের মাধ্যমে সরকার উৎখাতের জন্য ষড়যন্ত্র করা হয়।
কেএমপি থেকে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে রাষ্ট্রদ্রোহর মামলার অনুমতি চাওয়া হয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে। ৪ আগস্ট রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার অনুমতি পায় কেএমপি।

‘আমার মা সকালে কাজে গিয়ে দুপুরে ফিরেছিল। আমি মাকে বাড়িতে রেখে বিকেলে ভ্যান চালাতে গিয়েছিলাম। মা সুস্থ ছিল। আমার সঙ্গে কথা বলেছে। রাতে মনিরামপুর বাজারে থাকতেই ফোনে শুনি, আমার মা বেঁচে নেই। তড়িঘড়ি বাড়ি এসে দেখি, মায়ের লাশ বারান্দায় শোয়ানো। থুতনির নিচে কাটা দাগ, রক্ত বের হয়ে আছে। শরীরের বিভিন্ন স্থানে
৯ মিনিট আগে
দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে মাদক সংগ্রহ করে শ্যামপুরসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বিক্রি করতেন। এঁদের মধ্যে মোহাম্মদ ফোরকানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় সাতটি মাদক মামলা রয়েছে। অন্যদিকে ইমরান শাহরিয়ারের বিরুদ্ধে একটি মামলা রয়েছে।
১২ মিনিট আগে
অভিযানকালে শটগানের ১৭টি গুলি, চায়না রাইফেলের ৩টি গুলি, ৫ কেজি ১৮০ গ্রাম গাঁজা, ২ হাজার ৬৮৩টি ইয়াবা, ২ দশমিক ০৪ গ্রাম ইয়াবা ট্যাবলেটের গুঁড়া,৯টি মোবাইল ফোন সেট এবং নগদ ২ লাখ ৮০ হাজার ৪৯০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
২৮ মিনিট আগে
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার গারদে বসে আজমেরী ওসমানের পক্ষে ১০ অনুসারীর ভিডিও বার্তা এবং ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগানের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। গ্রেপ্তারের পর আসামিদের হাতে মোবাইল ফোন কীভাবে গেল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে রাজনৈতিক অঙ্গনে...
১ ঘণ্টা আগে