
খুলনা মহানগরীর লবণচরা এলাকায় এক নারী ও তাঁর দুই শিশু নাতি-নাতনিকে হত্যা করা হয়েছে। আজ রোববার রাতে মুক্তা কমিশনার কালভার্ট দরবেশ গলির মুরগির খামার থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে হত্যাকাণ্ডের কোনো কারণ জানাতে পারেনি।
নিহতরা হলেন— মহিদুন্নেছা (৫৫), মুস্তাকিম (৮) ও ফাতিহা (৬)। মহিদুন্নেছার স্বামী আব্দুল হান্নান। আর দুই শিশুর বাবা সেফার আহমেদ ও মা রুবি আক্তার।
জানতে চাইলে লবণচরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাওলাদার সানওয়ার হোসাইন মাসুম আজকের পত্রিকাকে বলেন, তিনটি লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। তিনটি লাশই ক্ষতবিক্ষত ছিল। শরীরে রক্তাক্ত আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, রাত ৯টার দিকে মুরগির খামারে মহিদুন্নেছা ও তাঁর দুই নাতির লাশ দেখতে পেয়ে এলাকাবাসী পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।
এদিকে দুই সন্তানের মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে যান তাদের বাবা ও মা। হাসপাতালের মেঝেতে তাঁদের বুক চাপড়ে আহাজারিতে পারিবেশ ভারী হয়ে যায়। এ
রুবি আক্তার চিৎকার করে বলেন, ‘আমি অফিস থেকে এসেছি। আমি কিছু জানি না। আল্লাহ আমার সন্তানদের ফিরিয়ে দাও।’
এর আগে আজ সন্ধ্যায় নগরীর সোনাডাঙ্গা করিমনগর এলাকায় স্ত্রীর সামনে সালাউদ্দিন মৃধা (৩৫) নামের এক যুবককে গুলি ও গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। নিহত যুবক দীর্ঘদিন মাদক মামলায় কারাগারে ছিলেন। ১০ দিন আগে কারাগার থেকে বের হওয়ার পর দিনমজুরের কাজ করতেন বলে জানা গেছে।

শিশুটি বিষয়টি অন্য শিক্ষকদের জানালে তাঁরা ব্যবস্থা না নিয়ে তাকে মারধর ও কাউকে না বলার জন্য ভয় দেখান বলে অভিযোগ রয়েছে। এমনকি বাবা-মাকে জানালে মাদ্রাসা থেকে বের করে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়।
৪ মিনিট আগে
বহরমপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বগুড়া গ্রামের দলিল উদ্দিন মাস্টারের গোয়ালঘর থেকে গরু চুরি করে মিশুক গাড়িতে তোলার সময় স্থানীয় লোকজনের সন্দেহ হয়। তাঁরা ওই ব্যক্তিদের পরিচয় ও গরুটির মালিকানা সম্পর্কে জানতে চাইলে তাঁদের মধ্যে একজন দৌড়ে পালিয়ে যান।
৮ মিনিট আগে
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাত সাড়ে আটটার দিকে বড়দেশী গ্রামের একটি আঞ্চলিক সড়কে এক বৃদ্ধ রিকশাচালক রিকশা মেরামত করছিলেন। এ সময় একটি প্রাইভেটকার এসে তাঁকে ও তাঁর রিকশাকে ধাক্কা দেয়। পরে গাড়ি থেকে কয়েকজন যুবক নেমে ওই রিকশাচালককে মারধর শুরু করেন।
১৭ মিনিট আগে
ভোলার চরফ্যাশনের জেলেদের জালে নদী ও সাগরে একসময় ধরা পড়ত প্রচুর মাছ। মাছ বিক্রি করেই চলত হাজারো জেলে পরিবারের সংসার। তবে সময়ের সঙ্গে বদলে গেছে সেই চিত্র। নদী ও সাগরে কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় মাছ না পাওয়ায় কমেছে জেলেদের আয়। অথচ ট্রলার, জাল, জ্বালানি, খাবার ও সংসারের খরচ ঠিকই বহন করতে হচ্ছে।
১ ঘণ্টা আগে