যশোর প্রতিনিধি

যশোর শহরতলীর শংকরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভোটকেন্দ্রে ককটেল বিস্ফোরণ করেছে দুর্বৃত্তরা। আজ শনিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহত বা ভোটকেন্দ্রের কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আনসার ভিডিপির যশোর সহকারী জেলা কমান্ডিং অফিসার শফিকুল ইসলাম।
তিনি বলেন, ‘আমরা খবর পেলাম শংকরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভোটকেন্দ্রে দুর্বৃত্তরা দূর থেকে দুটি ককটেল বোমা নিক্ষেপ করে পালিয়ে গেছে। এবং গোটা এলাকায় বিকট শব্দে আওয়াজ হয়। আমরা সংবাদ পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে এসেছি। এখানে পুলিশ সদস্যরাও এসেছেন। তবে ঘটনায় ভোটকেন্দ্রে কোনো সমস্যা হয়নি। অন্ধকারের মধ্যে এ ঘটনা ঘটেছে।’

যশোর শহরতলীর শংকরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভোটকেন্দ্রে ককটেল বিস্ফোরণ করেছে দুর্বৃত্তরা। আজ শনিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহত বা ভোটকেন্দ্রের কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আনসার ভিডিপির যশোর সহকারী জেলা কমান্ডিং অফিসার শফিকুল ইসলাম।
তিনি বলেন, ‘আমরা খবর পেলাম শংকরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভোটকেন্দ্রে দুর্বৃত্তরা দূর থেকে দুটি ককটেল বোমা নিক্ষেপ করে পালিয়ে গেছে। এবং গোটা এলাকায় বিকট শব্দে আওয়াজ হয়। আমরা সংবাদ পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে এসেছি। এখানে পুলিশ সদস্যরাও এসেছেন। তবে ঘটনায় ভোটকেন্দ্রে কোনো সমস্যা হয়নি। অন্ধকারের মধ্যে এ ঘটনা ঘটেছে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৩ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৪ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে