মানিকছড়ি (খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধি

পাহাড়ে একসময় সরকারের রাজস্ব বাজেট প্রকল্প ও তুলার গবেষণা উন্নয়ন প্রকল্পে কার্পাস তুলা চাষে কৃষকদের সম্পৃক্ত করতে বেগ পেতে হতো। বিশেষ করে উৎপাদিত তুলা বাজারজাতের অনিশ্চয়তাই ছিল অনাগ্রহের প্রধান কারণ। ফলে সরকার তুলা চাষে আগ্রহ সৃষ্টি করতে প্রণোদনায় বীজ, সার, ওষুধ ও উৎপাদিত তুলা বিক্রির নিশ্চয়তা দেওয়ায় চলতি মৌসুমে কার্পাস তুলা চাষে ঝুঁকছেন কৃষকেরা।
জানা গেছে, সরকারের পাশাপাশি ‘দারিদ্র্যবিমোচন’ শীর্ষক প্রকল্পের মাধ্যমে তুলা উৎপাদনের প্রণোদনা নিয়ে এগিয়ে এসেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড। ফলে খাগড়াছড়ির মানিকছড়ি উপজেলায় কার্পাস তুলার চাষ বাড়ছে। চলতি মৌসুমে তিনটি প্রকল্প ও ব্যক্তি পর্যায়ে ২৫ হেক্টর জমিতে অন্তত ৪০ জন কৃষক তুলা চাষ করেছেন। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৮৭ দশমিক ৫০০ কেজি। বাজারমূল্য অনুযায়ী প্রতি কেজি ৯০ টাকা হারে কৃষকের সম্ভাব্য আয় হবে ৭৮ লাখ ৭৫ হাজার টাকা।
তুলা উন্নয়ন বোর্ডের ইউনিট কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘উপজেলায় অনেক আগে থেকেই রাজস্ব বাজেট প্রকল্প ও তুলা গবেষণা উন্নয়ন প্রকল্পে কার্পাস তুলা চাষ করা হতো। উৎপাদিত তুলা বাজারজাতে ন্যায্য দাম না পাওয়ায় প্রান্তিক কৃষকেরা তুলা উৎপাদনে অনাগ্রহ দেখান। ফলে বিষয়টি নিয়ে সরকারের উচ্চপর্যায়ে আলোচনা ও পর্যালোচনায় তুলা চাষে প্রণোদনাসহ উৎপাদিত তুলা বাজারজাতে নিশ্চয়তা দেয় সরকার। একই সঙ্গে সরকারিভাবে বীজ, সার, ওষুধ (প্রণোদনা) ও উৎপাদিত তুলা ৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রির নিশ্চয়তা দেওয়ায় পাল্টে যায় প্রান্তিক কৃষকের চিন্তাধারা।’
ইউনিট কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘চলতি মৌসুমে উপজেলায় রাজস্ব বাজেট প্রকল্পে ২ হেক্টর, তুলার গবেষণা উন্নয়ন প্রকল্পে ২ হেক্টর, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের দারিদ্র্যবিমোচন শীর্ষক প্রকল্পে ১ হেক্টর ও ব্যক্তি উদ্যোগে ২০ হেক্টরসহ মোট ২৫ হেক্টর জমিতে অন্তত ৪০ জন কৃষক তুলা চাষ করেছেন।’
এ বিষয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড দারিদ্র্যবিমোচন শীর্ষক প্রকল্পের সহকারী কটন ইউনিট কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সরকারের পাশাপাশি পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড প্রান্তিক কৃষকের মাঝে প্রণোদনাসহ উৎপাদিত তুলা বাজারজাতে নিশ্চয়তা দিয়েছে। তাই মানুষ এখন আগ্রহ নিয়ে কার্পাস তুলা চাষ করছেন।’

পাহাড়ে একসময় সরকারের রাজস্ব বাজেট প্রকল্প ও তুলার গবেষণা উন্নয়ন প্রকল্পে কার্পাস তুলা চাষে কৃষকদের সম্পৃক্ত করতে বেগ পেতে হতো। বিশেষ করে উৎপাদিত তুলা বাজারজাতের অনিশ্চয়তাই ছিল অনাগ্রহের প্রধান কারণ। ফলে সরকার তুলা চাষে আগ্রহ সৃষ্টি করতে প্রণোদনায় বীজ, সার, ওষুধ ও উৎপাদিত তুলা বিক্রির নিশ্চয়তা দেওয়ায় চলতি মৌসুমে কার্পাস তুলা চাষে ঝুঁকছেন কৃষকেরা।
জানা গেছে, সরকারের পাশাপাশি ‘দারিদ্র্যবিমোচন’ শীর্ষক প্রকল্পের মাধ্যমে তুলা উৎপাদনের প্রণোদনা নিয়ে এগিয়ে এসেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড। ফলে খাগড়াছড়ির মানিকছড়ি উপজেলায় কার্পাস তুলার চাষ বাড়ছে। চলতি মৌসুমে তিনটি প্রকল্প ও ব্যক্তি পর্যায়ে ২৫ হেক্টর জমিতে অন্তত ৪০ জন কৃষক তুলা চাষ করেছেন। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৮৭ দশমিক ৫০০ কেজি। বাজারমূল্য অনুযায়ী প্রতি কেজি ৯০ টাকা হারে কৃষকের সম্ভাব্য আয় হবে ৭৮ লাখ ৭৫ হাজার টাকা।
তুলা উন্নয়ন বোর্ডের ইউনিট কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘উপজেলায় অনেক আগে থেকেই রাজস্ব বাজেট প্রকল্প ও তুলা গবেষণা উন্নয়ন প্রকল্পে কার্পাস তুলা চাষ করা হতো। উৎপাদিত তুলা বাজারজাতে ন্যায্য দাম না পাওয়ায় প্রান্তিক কৃষকেরা তুলা উৎপাদনে অনাগ্রহ দেখান। ফলে বিষয়টি নিয়ে সরকারের উচ্চপর্যায়ে আলোচনা ও পর্যালোচনায় তুলা চাষে প্রণোদনাসহ উৎপাদিত তুলা বাজারজাতে নিশ্চয়তা দেয় সরকার। একই সঙ্গে সরকারিভাবে বীজ, সার, ওষুধ (প্রণোদনা) ও উৎপাদিত তুলা ৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রির নিশ্চয়তা দেওয়ায় পাল্টে যায় প্রান্তিক কৃষকের চিন্তাধারা।’
ইউনিট কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘চলতি মৌসুমে উপজেলায় রাজস্ব বাজেট প্রকল্পে ২ হেক্টর, তুলার গবেষণা উন্নয়ন প্রকল্পে ২ হেক্টর, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের দারিদ্র্যবিমোচন শীর্ষক প্রকল্পে ১ হেক্টর ও ব্যক্তি উদ্যোগে ২০ হেক্টরসহ মোট ২৫ হেক্টর জমিতে অন্তত ৪০ জন কৃষক তুলা চাষ করেছেন।’
এ বিষয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড দারিদ্র্যবিমোচন শীর্ষক প্রকল্পের সহকারী কটন ইউনিট কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সরকারের পাশাপাশি পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড প্রান্তিক কৃষকের মাঝে প্রণোদনাসহ উৎপাদিত তুলা বাজারজাতে নিশ্চয়তা দিয়েছে। তাই মানুষ এখন আগ্রহ নিয়ে কার্পাস তুলা চাষ করছেন।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৪ ঘণ্টা আগে