জয়পুরহাট প্রতিনিধি

জয়পুরহাটে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে হত্যার দায়ে মিজানুর রহমান নামের এক যুবকের যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন জেলা জজ আদালতের বিচারক ও অতিরিক্ত দায়রা জজ মো. গোলাম সারোয়ার। সেই সঙ্গে তাঁকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়। আজ সোমবার দুপুরে এ রায় ঘোষণা করা হয়।
মিজানুর রহমান পলাতক রয়েছেন। তিনি জেলার কালাই উপজেলার উদয়পুর ইউনিয়নের চরবারই-ইটাতলা গ্রামের বাসিন্দা।
মামলার বিবরণ সূত্রে জানা গেছে, বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার উত্তর শ্যামপুর গ্রামের তোজাম্মেল হকের মেয়ে জেসমিনের সঙ্গে মিজানুর রহমানের (২৪) বিয়ে হয়। ২০০৯ সালের ২৭ অক্টোবর সকালে জেসমিনের বাবা তোজাম্মেল হক জানতে পারেন মেয়ে মারা গেছেন। খবর পেয়ে মেয়ের বাড়িতে গিয়ে মিজানুরকে পাননি। এ সময় মেয়ের মুখে ও নাকে রক্ত বের হতে দেখা যায়। এতে মেয়েকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে বলে তোজাম্মেলের সন্দেহ হয়। এ ঘটনায় ২০০৯ সালের ২৭ অক্টোবর জেসমিনের বাবা তোজাম্মেল হক বাদী হয়ে মিজানুরকে অভিযুক্ত করে কালাই থানায় হত্যা মামলা করেন। ওই মামলায় মিজানুরকে আসামি করে কালাই থানার তৎকালীন উপপরিদর্শক আকতার হোসেন আদালতে ২০১১ সালের ৩১ জানুয়ারি অভিযোগপত্র জমা দেন।
আসামি পক্ষের আইনজীবী মোজাহিদুল ইসলাম রাজু আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা এই রায়ে সন্তুষ্ট হতে পারিনি। তাই এ রায়ের বিপরীতে উচ্চ আদালতে আপিল করব।’
রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি (পিপি) নৃপেন্দ্রনাথ মণ্ডল আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘নয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে হত্যার ঘটনায় আদালত যে রায় দিয়েছেন তাতে আমরা সন্তুষ্ট। আসামি মিজানুর পলাতক। তাই তাঁর অনুপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করা হয়। ফলে, রায়ে বিচারক উল্লেখ করেছেন যে, আসামি স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করবেন অথবা পুলিশ তাঁকে যে দিন গ্রেপ্তার করবেন, সেদিন থেকেই তাঁর সাজা কার্যকর হবে।’

জয়পুরহাটে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে হত্যার দায়ে মিজানুর রহমান নামের এক যুবকের যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন জেলা জজ আদালতের বিচারক ও অতিরিক্ত দায়রা জজ মো. গোলাম সারোয়ার। সেই সঙ্গে তাঁকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়। আজ সোমবার দুপুরে এ রায় ঘোষণা করা হয়।
মিজানুর রহমান পলাতক রয়েছেন। তিনি জেলার কালাই উপজেলার উদয়পুর ইউনিয়নের চরবারই-ইটাতলা গ্রামের বাসিন্দা।
মামলার বিবরণ সূত্রে জানা গেছে, বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার উত্তর শ্যামপুর গ্রামের তোজাম্মেল হকের মেয়ে জেসমিনের সঙ্গে মিজানুর রহমানের (২৪) বিয়ে হয়। ২০০৯ সালের ২৭ অক্টোবর সকালে জেসমিনের বাবা তোজাম্মেল হক জানতে পারেন মেয়ে মারা গেছেন। খবর পেয়ে মেয়ের বাড়িতে গিয়ে মিজানুরকে পাননি। এ সময় মেয়ের মুখে ও নাকে রক্ত বের হতে দেখা যায়। এতে মেয়েকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে বলে তোজাম্মেলের সন্দেহ হয়। এ ঘটনায় ২০০৯ সালের ২৭ অক্টোবর জেসমিনের বাবা তোজাম্মেল হক বাদী হয়ে মিজানুরকে অভিযুক্ত করে কালাই থানায় হত্যা মামলা করেন। ওই মামলায় মিজানুরকে আসামি করে কালাই থানার তৎকালীন উপপরিদর্শক আকতার হোসেন আদালতে ২০১১ সালের ৩১ জানুয়ারি অভিযোগপত্র জমা দেন।
আসামি পক্ষের আইনজীবী মোজাহিদুল ইসলাম রাজু আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা এই রায়ে সন্তুষ্ট হতে পারিনি। তাই এ রায়ের বিপরীতে উচ্চ আদালতে আপিল করব।’
রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি (পিপি) নৃপেন্দ্রনাথ মণ্ডল আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘নয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে হত্যার ঘটনায় আদালত যে রায় দিয়েছেন তাতে আমরা সন্তুষ্ট। আসামি মিজানুর পলাতক। তাই তাঁর অনুপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করা হয়। ফলে, রায়ে বিচারক উল্লেখ করেছেন যে, আসামি স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করবেন অথবা পুলিশ তাঁকে যে দিন গ্রেপ্তার করবেন, সেদিন থেকেই তাঁর সাজা কার্যকর হবে।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৩ ঘণ্টা আগে