কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে টানা বর্ষণে পানির নিচে চলে গেছে অধিকাংশ আবাদি জমি। আক্রান্ত হয়েছে ২৫০ হেক্টর খেতের ফসল। প্রণোদনার জন্য ইতিমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা করে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠিয়েছে কৃষি বিভাগ।
উপজেলা কৃষি দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, কোটচাঁদপুরে ১২ হাজার ৮০৮ হেক্টর আবাদযোগ্য জমি রয়েছে। এর মধ্যে বৃষ্টির পানি জমে পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সাড়ে ৪৬ হেক্টর জমির ফসল; যাতে আছে ৩ হেক্টর আমনের বীজতলা, আমন ধান ৪ হেক্টর, মরিচ ২০ হেক্টর, সবজি ৬ হেক্টর এবং আউশ ধান ১৩ হেক্টর। ধানের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে কৃষি অফিস চাষিদের স্বল্প জীবনকালের ধানের জাতের বীজতলা তৈরির পরামর্শ দিয়েছে; যাতে জমি থেকে পানি নেমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে চারা রোপণ করা যায়।
আলুকদিয়া গ্রামের চাষি ইব্রাহিম হোসেন বলেন, ‘রাস্তার দুই পাশের জমিগুলোয় ধান চাষ হয়। সে অনুযায়ী এ বছরও চাষ করা হয়েছিল। তবে দুই মাসের টানা বর্ষণে জমি তলিয়ে চারা নষ্ট হয়ে গেছে। এখন পানি নেমে গেলেও এ বছর আর আবাদ করা সম্ভব না। কারণ, চাষ করতে যে চারা লাগবে, তা কোথায় পাব? আমাদের মাঠের ২০০-৩০০ বিঘা জমিতে এবার ফসল করা যাবে না।’
জয়দিয়া গ্রামের খায়রুল ইসলাম জানান, অতি বৃষ্টিতে উঁচু জমিতে ক্ষতি হয়েছে পেঁপে, বেগুনসহ বিভিন্ন সবজির। আর নিচের জমিগুলোয় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ধান, যা এ বছর আর হবে না।
এ নিয়ে কথা হলে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জাহিদ হোসেন বলেন, চাষিদের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে স্বল্প জীবনকালের বিনা-৭ ধানের বীজতলা তৈরিতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে; যাতে পানি নেমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জমিগুলোয় আবার চাষ করা যায়। এ ছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত চাষিদের তালিকা করে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। যদি কোনো প্রণোদনা আসে, তা ক্ষতিগ্রস্তদের দেওয়া হবে।

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে টানা বর্ষণে পানির নিচে চলে গেছে অধিকাংশ আবাদি জমি। আক্রান্ত হয়েছে ২৫০ হেক্টর খেতের ফসল। প্রণোদনার জন্য ইতিমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা করে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠিয়েছে কৃষি বিভাগ।
উপজেলা কৃষি দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, কোটচাঁদপুরে ১২ হাজার ৮০৮ হেক্টর আবাদযোগ্য জমি রয়েছে। এর মধ্যে বৃষ্টির পানি জমে পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সাড়ে ৪৬ হেক্টর জমির ফসল; যাতে আছে ৩ হেক্টর আমনের বীজতলা, আমন ধান ৪ হেক্টর, মরিচ ২০ হেক্টর, সবজি ৬ হেক্টর এবং আউশ ধান ১৩ হেক্টর। ধানের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে কৃষি অফিস চাষিদের স্বল্প জীবনকালের ধানের জাতের বীজতলা তৈরির পরামর্শ দিয়েছে; যাতে জমি থেকে পানি নেমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে চারা রোপণ করা যায়।
আলুকদিয়া গ্রামের চাষি ইব্রাহিম হোসেন বলেন, ‘রাস্তার দুই পাশের জমিগুলোয় ধান চাষ হয়। সে অনুযায়ী এ বছরও চাষ করা হয়েছিল। তবে দুই মাসের টানা বর্ষণে জমি তলিয়ে চারা নষ্ট হয়ে গেছে। এখন পানি নেমে গেলেও এ বছর আর আবাদ করা সম্ভব না। কারণ, চাষ করতে যে চারা লাগবে, তা কোথায় পাব? আমাদের মাঠের ২০০-৩০০ বিঘা জমিতে এবার ফসল করা যাবে না।’
জয়দিয়া গ্রামের খায়রুল ইসলাম জানান, অতি বৃষ্টিতে উঁচু জমিতে ক্ষতি হয়েছে পেঁপে, বেগুনসহ বিভিন্ন সবজির। আর নিচের জমিগুলোয় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ধান, যা এ বছর আর হবে না।
এ নিয়ে কথা হলে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জাহিদ হোসেন বলেন, চাষিদের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে স্বল্প জীবনকালের বিনা-৭ ধানের বীজতলা তৈরিতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে; যাতে পানি নেমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জমিগুলোয় আবার চাষ করা যায়। এ ছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত চাষিদের তালিকা করে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। যদি কোনো প্রণোদনা আসে, তা ক্ষতিগ্রস্তদের দেওয়া হবে।

সোমবার ভোরে বাবুল মিয়ার মা ঘুম থেকে উঠে ছেলের ঘরের দরজা বাইরে থেকে লাগানো দেখতে পান। তাঁর ডাকে পরিবারের অন্য সদস্যরা জেগে ওঠেন। বাবলু মিয়ার ছোট ছেলে ঘরে গিয়ে বিছানায় তার মায়ের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ দেখতে পান। তবে ঘরে বা বাড়িতে বাবলু মিয়াকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।
১৭ মিনিট আগে
নির্বাচনী পরিস্থিতি সম্পর্কে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এখন পর্যন্ত নির্বাচন পরিস্থিতি ভালোই মনে হচ্ছে। তবে প্রকৃত পরিস্থিতি বোঝা যাবে প্রচারণা শুরু হলে। তার আগে সবাই মনোনয়নসহ সাংবিধানিক বিষয়গুলো গুছিয়ে নিচ্ছে।’
১ ঘণ্টা আগে
শহরের গোয়ালপাড়া এলাকার বাসিন্দা ওয়াকার আলী দীর্ঘদিন ধরে তাঁর সাঙ্গপাঙ্গ নিয়ে মাছবাজারের ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে প্রতিদিন ১০০ থেকে ১৫০ টাকা করে চাঁদা আদায় করতেন। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে চাঁদা তুলতে গেলে ব্যবসায়ীরা দিতে অস্বীকৃতি জানান।
২ ঘণ্টা আগে
টানা সাত দিন ধরে ১০ ডিগ্রির নিচে তাপমাত্রা বিরাজ করছে উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে। ফলে এই জেলায় শীতের প্রভাব বেড়েছে। সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় জেলার তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
২ ঘণ্টা আগে