ঝালকাঠি প্রতিনিধি

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘চাঁদার জন্য ঢাকায় একজনকে পাথর দিয়ে হত্যা করা হয়েছে। যারা দখল, চাঁদাবাজি, ছিনতাই ও কমিশনের রাজনীতি করতে চায়, দেশের মানুষ যেভাবে শেখ হাসিনাকে বিদায় করেছে, সেভাবে তাদেরও বিদায় করবে।’
আজ রোববার (১৩ জুলাই) বিকেলে ঝালকাঠি শহরের কাপুড়িয়াপট্টিতে এনসিপির পথসভায় নাহিদ ইসলাম এ কথা বলেন।
পিরোজপুরের কর্মসূচির পর এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারা রাজাপুরে মধ্যাহ্নভোজ শেষে ঝালকাঠি আসেন। তাঁরা প্রথমে নেছারাবাদ এনএস কামিল মাদ্রাসা পরিদর্শন ও কায়েদ সাহেব হুজুরের কবর জিয়ারত করেন। পরে এনসিপি নেতারা কাপড়িয়াপট্টি এলাকায় এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য দেন।

সমাবেশে জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগের মাফিয়াতন্ত্র, চাঁদাবাজি, গুম ও খুনের রাজনীতি বন্ধ করতেই আমরা মাঠে নেমেছি। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে হবে, গণহত্যাকারীদের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে সংস্কার এনে স্বাধীন নির্বাচন কমিশনের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন দিতে হবে।’
নাহিদ আরও বলেন, ‘একটি সফল গণ-অভ্যুত্থানের পরও যেন আমরা পুরোনো দখলদার, গুম-খুনের রাজনীতিতে ফিরে না যাই। ইদানীং রাজনীতিতে নতুন করে একটি ভয়ের সংস্কৃতি গড়ে তোলা হচ্ছে, যা জুলাই আন্দোলনের চেতনার পরিপন্থী। আমরা এই সংস্কৃতির পরিবর্তন চাই।’
নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের ছাত্র-জনতা রক্ত দিয়েছে, এখনো রাজপথে নামতে প্রস্তুত। তবে আমরা চাই না রাজপথই হোক একমাত্র সমাধান। মতপার্থক্য ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকবে, কিন্তু দেশের স্বার্থে সবাই ঐক্যবদ্ধ হবে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা। যারা জনগণের বিরুদ্ধে দাঁড়ায়, তাদের সঙ্গে ঐক্য সম্ভব নয়।’
সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আখতার হোসেন, সামান্তা শারমিন, মাহমুদা মিতু, মশিউর রহমান প্রমুখ।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘চাঁদার জন্য ঢাকায় একজনকে পাথর দিয়ে হত্যা করা হয়েছে। যারা দখল, চাঁদাবাজি, ছিনতাই ও কমিশনের রাজনীতি করতে চায়, দেশের মানুষ যেভাবে শেখ হাসিনাকে বিদায় করেছে, সেভাবে তাদেরও বিদায় করবে।’
আজ রোববার (১৩ জুলাই) বিকেলে ঝালকাঠি শহরের কাপুড়িয়াপট্টিতে এনসিপির পথসভায় নাহিদ ইসলাম এ কথা বলেন।
পিরোজপুরের কর্মসূচির পর এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারা রাজাপুরে মধ্যাহ্নভোজ শেষে ঝালকাঠি আসেন। তাঁরা প্রথমে নেছারাবাদ এনএস কামিল মাদ্রাসা পরিদর্শন ও কায়েদ সাহেব হুজুরের কবর জিয়ারত করেন। পরে এনসিপি নেতারা কাপড়িয়াপট্টি এলাকায় এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য দেন।

সমাবেশে জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগের মাফিয়াতন্ত্র, চাঁদাবাজি, গুম ও খুনের রাজনীতি বন্ধ করতেই আমরা মাঠে নেমেছি। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে হবে, গণহত্যাকারীদের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে সংস্কার এনে স্বাধীন নির্বাচন কমিশনের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন দিতে হবে।’
নাহিদ আরও বলেন, ‘একটি সফল গণ-অভ্যুত্থানের পরও যেন আমরা পুরোনো দখলদার, গুম-খুনের রাজনীতিতে ফিরে না যাই। ইদানীং রাজনীতিতে নতুন করে একটি ভয়ের সংস্কৃতি গড়ে তোলা হচ্ছে, যা জুলাই আন্দোলনের চেতনার পরিপন্থী। আমরা এই সংস্কৃতির পরিবর্তন চাই।’
নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের ছাত্র-জনতা রক্ত দিয়েছে, এখনো রাজপথে নামতে প্রস্তুত। তবে আমরা চাই না রাজপথই হোক একমাত্র সমাধান। মতপার্থক্য ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকবে, কিন্তু দেশের স্বার্থে সবাই ঐক্যবদ্ধ হবে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা। যারা জনগণের বিরুদ্ধে দাঁড়ায়, তাদের সঙ্গে ঐক্য সম্ভব নয়।’
সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আখতার হোসেন, সামান্তা শারমিন, মাহমুদা মিতু, মশিউর রহমান প্রমুখ।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৩ ঘণ্টা আগে