কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি

যশোরের কেশবপুরে মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে প্রসেনজিৎ দে (১৮) নামের এক তরুণ নিহত হয়েছেন। এ সময় মোটরসাইকেল আরোহী আরও দুই তরুণ আহত হয়েছেন। গতকাল সোমবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে কেশবপুর-সাতবাড়িয়া সড়কের আজাদের ইটভাটা সংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনাটি ঘটে। কেশবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মফিজুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
নিহত প্রসেনজিৎ দে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার মৌ তলা এলাকার প্রশান্ত দের ছেলে। এসএসসি পরীক্ষার পর কেশবপুরে মামার বাড়ি এসে বাজারে স্বর্ণ কারিগরের কাজ শিখছিলেন। আহত দুই তরুণ হলেন মির্জানগর গ্রামের দীনবন্ধু দত্তের ছেলে উৎপল দত্ত (২৬) ও জয়দেব পালের ছেলে অপু পাল (১৯)।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, কেশবপুর শহরের স্বর্ণপট্টিতে তাপস পালের কারখানায় শিক্ষানবিশ স্বর্ণের কারিগর ছিলেন প্রসেনজিৎ দে। কাজ শেষে বৃষ্টির ভেতর সোমবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে উৎপল দত্তের মোটরসাইকেলে চেপে প্রসেনজিৎ দে ও অপু পাল মির্জানগরের দিকে যাচ্ছিলেন। আজাদের ইটভাটা সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ৩ জনই সড়কের ওপর ছিটকে পড়ে আহত হন। এর মধ্যে প্রসেনজিৎ দে মাথায় আঘাত পেয়ে রক্তাক্ত জখম হন এবং অন্যরা শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত পান। আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে প্রসেনজিৎ দেকে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। অন্য দুজনকে জরুরি বিভাগ থেকে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের ইনচার্জ উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, হাসপাতালে আনার পরপরই প্রসেনজিৎ দে মারা যান।
কারখানার মালিক তাপস পাল জানান, এবার এসএসসি পরীক্ষা দেওয়ার পরে প্রসেনজিৎ দে তার প্রতিষ্ঠানে স্বর্ণের কারিগরের কাজ শিখছিলেন। এসএসসির ফলাফলে প্রসেনজিৎ ৪ দশমিক ১১ পেয়েছে। মঙ্গলবার তার মরদেহ সৎকারের জন্য নিজ এলাকায় নেওয়া হয়েছে।
এ ব্যাপারে কেশবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মফিজুর রহমান বলেন, কোনো অভিযোগ না থাকায় পরিবারের নিকট মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।

যশোরের কেশবপুরে মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে প্রসেনজিৎ দে (১৮) নামের এক তরুণ নিহত হয়েছেন। এ সময় মোটরসাইকেল আরোহী আরও দুই তরুণ আহত হয়েছেন। গতকাল সোমবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে কেশবপুর-সাতবাড়িয়া সড়কের আজাদের ইটভাটা সংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনাটি ঘটে। কেশবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মফিজুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
নিহত প্রসেনজিৎ দে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার মৌ তলা এলাকার প্রশান্ত দের ছেলে। এসএসসি পরীক্ষার পর কেশবপুরে মামার বাড়ি এসে বাজারে স্বর্ণ কারিগরের কাজ শিখছিলেন। আহত দুই তরুণ হলেন মির্জানগর গ্রামের দীনবন্ধু দত্তের ছেলে উৎপল দত্ত (২৬) ও জয়দেব পালের ছেলে অপু পাল (১৯)।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, কেশবপুর শহরের স্বর্ণপট্টিতে তাপস পালের কারখানায় শিক্ষানবিশ স্বর্ণের কারিগর ছিলেন প্রসেনজিৎ দে। কাজ শেষে বৃষ্টির ভেতর সোমবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে উৎপল দত্তের মোটরসাইকেলে চেপে প্রসেনজিৎ দে ও অপু পাল মির্জানগরের দিকে যাচ্ছিলেন। আজাদের ইটভাটা সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ৩ জনই সড়কের ওপর ছিটকে পড়ে আহত হন। এর মধ্যে প্রসেনজিৎ দে মাথায় আঘাত পেয়ে রক্তাক্ত জখম হন এবং অন্যরা শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত পান। আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে প্রসেনজিৎ দেকে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। অন্য দুজনকে জরুরি বিভাগ থেকে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের ইনচার্জ উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, হাসপাতালে আনার পরপরই প্রসেনজিৎ দে মারা যান।
কারখানার মালিক তাপস পাল জানান, এবার এসএসসি পরীক্ষা দেওয়ার পরে প্রসেনজিৎ দে তার প্রতিষ্ঠানে স্বর্ণের কারিগরের কাজ শিখছিলেন। এসএসসির ফলাফলে প্রসেনজিৎ ৪ দশমিক ১১ পেয়েছে। মঙ্গলবার তার মরদেহ সৎকারের জন্য নিজ এলাকায় নেওয়া হয়েছে।
এ ব্যাপারে কেশবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মফিজুর রহমান বলেন, কোনো অভিযোগ না থাকায় পরিবারের নিকট মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২৩ মিনিট আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে