বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি

ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে নিহত বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্য মোহাম্মদ রইশুদ্দীনের লাশ দুই দিন পর ফেরত দেওয়া হয়েছে। আজ বুধবার সকালে শার্শার শিকারপুর সীমান্তের মুক্তিযোদ্ধা খামারপাড়া ও গাঙ্গুলিয়া সীমান্তের ২৮ নম্বর মেইন পিলার দিয়ে তাঁর লাশ বিজিবির কাছে হস্তান্তর করা হয়।
তাঁর লাশ যশোর সদর হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের সদস্যদের কাছে তাঁর লাশ হস্তান্তর করা হবে বলে বিজিবির যশোর ব্যাটালিয়নের (৪৯ বিজিবি) সিইও জামিল আহম্মেদ জানিয়েছেন।
বিজিবি সৈনিকের লাশ হস্তান্তরের সময় উপস্থিত ছিলেন যশোর ৪৯ বিজিবির সিইও জামিল আহম্মেদ, বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুমন ভক্তসহ ভারতীয় বিএসএফের ১০৭ ব্যাটালিয়নের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।
এর আগে গত সোমবার ভোরে বেনাপোলের ধান্যখোলা সীমান্তে বিজিবির সৈনিক রইশুদ্দীনেক গুলি করে হত্যা করে বিএসএফ। পরে তাঁর লাশ ভারত সীমান্তের ভেতরে নিয়ে যাওয়া হয়। বিষয়টি জানাজানি হলে বিজিবি হত্যার প্রতিবাদ করে এবং লাশ ফেরত পাঠানোর দাবি জানায়। পরে আজ তাঁর লাশ ফেরত দিল বিএসএফ।
এদিকে লাশ হস্তান্তরের সময় দুই দেশের কোনো গণমাধ্যমকর্মীর উপস্থিত থাকার সুযোগ হয়নি। এ ক্ষেত্রে অনেকটা গোপনীয়তা অবলম্বন করা হয়, যে কারণে গণমাধ্যমকর্মীরা এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করতে পারেননি।
বিজিবি সদস্যের মৃত্যুর ঘটনায় বিজিবির পক্ষ থেকে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সোমবার ভোররাত আনুমানিক সাড়ে ৫টার দিকে বিজিবির টহল দল ধান্যখোলা বিওপির জেলেপাড়া পোস্ট এলাকায় ভারত থেকে সীমান্ত অতিক্রম করে একদল গরু চোরাকারবারিকে আসতে দেখে।
বিজিবি সদস্যরা চ্যালেঞ্জ করলে তারা দৌড়ে ভারতের দিকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। ওই টহল দলের সদস্য সিপাহী মোহাম্মদ রইশুদ্দীন চোরাকারবারিদের ধাওয়া করেন এবং ঘন কুয়াশার কারণে দলবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, প্রাথমিকভাবে তাঁকে খুঁজে পাওয়া না গেলেও পরে বিভিন্ন মাধ্যমে জানা যায়, তিনি বিএসএফের গুলিতে আহত হয়ে ভারতের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ঘটনার পরপরই এ বিষয়ে ব্যাটালিয়ন কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় এবং জানা যায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রইশুদ্দীনের মৃত্যু হয়েছে।

ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে নিহত বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্য মোহাম্মদ রইশুদ্দীনের লাশ দুই দিন পর ফেরত দেওয়া হয়েছে। আজ বুধবার সকালে শার্শার শিকারপুর সীমান্তের মুক্তিযোদ্ধা খামারপাড়া ও গাঙ্গুলিয়া সীমান্তের ২৮ নম্বর মেইন পিলার দিয়ে তাঁর লাশ বিজিবির কাছে হস্তান্তর করা হয়।
তাঁর লাশ যশোর সদর হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের সদস্যদের কাছে তাঁর লাশ হস্তান্তর করা হবে বলে বিজিবির যশোর ব্যাটালিয়নের (৪৯ বিজিবি) সিইও জামিল আহম্মেদ জানিয়েছেন।
বিজিবি সৈনিকের লাশ হস্তান্তরের সময় উপস্থিত ছিলেন যশোর ৪৯ বিজিবির সিইও জামিল আহম্মেদ, বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুমন ভক্তসহ ভারতীয় বিএসএফের ১০৭ ব্যাটালিয়নের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।
এর আগে গত সোমবার ভোরে বেনাপোলের ধান্যখোলা সীমান্তে বিজিবির সৈনিক রইশুদ্দীনেক গুলি করে হত্যা করে বিএসএফ। পরে তাঁর লাশ ভারত সীমান্তের ভেতরে নিয়ে যাওয়া হয়। বিষয়টি জানাজানি হলে বিজিবি হত্যার প্রতিবাদ করে এবং লাশ ফেরত পাঠানোর দাবি জানায়। পরে আজ তাঁর লাশ ফেরত দিল বিএসএফ।
এদিকে লাশ হস্তান্তরের সময় দুই দেশের কোনো গণমাধ্যমকর্মীর উপস্থিত থাকার সুযোগ হয়নি। এ ক্ষেত্রে অনেকটা গোপনীয়তা অবলম্বন করা হয়, যে কারণে গণমাধ্যমকর্মীরা এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করতে পারেননি।
বিজিবি সদস্যের মৃত্যুর ঘটনায় বিজিবির পক্ষ থেকে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সোমবার ভোররাত আনুমানিক সাড়ে ৫টার দিকে বিজিবির টহল দল ধান্যখোলা বিওপির জেলেপাড়া পোস্ট এলাকায় ভারত থেকে সীমান্ত অতিক্রম করে একদল গরু চোরাকারবারিকে আসতে দেখে।
বিজিবি সদস্যরা চ্যালেঞ্জ করলে তারা দৌড়ে ভারতের দিকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। ওই টহল দলের সদস্য সিপাহী মোহাম্মদ রইশুদ্দীন চোরাকারবারিদের ধাওয়া করেন এবং ঘন কুয়াশার কারণে দলবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, প্রাথমিকভাবে তাঁকে খুঁজে পাওয়া না গেলেও পরে বিভিন্ন মাধ্যমে জানা যায়, তিনি বিএসএফের গুলিতে আহত হয়ে ভারতের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ঘটনার পরপরই এ বিষয়ে ব্যাটালিয়ন কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় এবং জানা যায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রইশুদ্দীনের মৃত্যু হয়েছে।

নির্বাচনকালীন দায়িত্ব প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, জনগণের আস্থা অর্জন ছাড়া কেবল শক্তি প্রয়োগ করে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশ বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
৩৬ মিনিট আগে
নিহত আমেনা বেগমের বড় ভাই মোহাম্মদ ফোরকান বলেন, ‘বিয়ের সময় যৌতুক ও নগদ ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল। এরপরও বিভিন্ন সময়ে টাকা দাবি করে নির্যাতন চালানো হয়েছে। এখন আমার বোনকে বিষ খাইয়ে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’
৩৮ মিনিট আগে
পুলিশ জানায়, হামলার অভিযোগ এনে জামায়াতের যুব বিভাগের চরশাহী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি হেজবুল্লাহ সোহেল বাদী হয়ে ১৭০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এতে ১০ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ১৬০ জনকে আসামি করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে
উল্লাসরত নেতা-কর্মীরা বলেন, কমিটি বিলুপ্তির এই সিদ্ধান্ত তাঁদের জন্য নতুন করে কাজ করার সুযোগ তৈরি করেছে। তাঁদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে দলীয় সাংগঠনিক সীমাবদ্ধতার কারণে তাঁরা প্রকাশ্যে রাজনৈতিক কার্যক্রম চালাতে পারেননি।
২ ঘণ্টা আগে