জামালপুর প্রতিনিধি

বর্তমান সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের কথা তুলে ধরে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগকে আবারো নির্বাচিত করার আহ্বান জানিয়েছেন জামালপুরের জেলা প্রশাসক মো. ইমরান আহমেদ। গতকাল সোমবার জামালপুরের মাদারগঞ্জে পৌরভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের বক্তৃতায় তিনি এ আহ্বান জানান।
জেলা প্রশাসক ইমরান বলেন, ‘আমাদের একটা জিনিস মনে রাখতে হবে, আমাদের স্বাধীনতা অনেক কষ্ট অর্জিত হয়েছে। এ স্বাধীনতা ও স্বাধীনতার সুফল—আজকের যোগাযোগ উন্নয়ন, এই উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে হবে। যে সরকার এই উন্নয়ন করেছে, সেই উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখার জন্য সেই সরকারকে পুনরায় নির্বাচিত করে আবার ক্ষমতায় আনতে হবে। এটা হবে আমাদের প্রত্যেকের অঙ্গীকার।’
তিনি আরো বলেন, ‘আপনারা নিজের চোখে দেখে সরকারের প্রতি অকৃতজ্ঞ হবেন না- আমি এটি বিশ্বাস করি। উন্নয়ন অব্যাহত থাকবে, উন্নয়ন হতে থাকবে। এক সময় অবশ্যই আমার জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলায় পরিণত হবে।’
এ সময় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মেলান্দহ-মাদারগঞ্জ থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য মির্জা আজমের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের ভূয়সী প্রশংসাও করেন তিনি।
জেলা প্রশাসক বলেন, ‘আমার পড়াশোনা করে যতটুকু মনে হয়েছিল যে, আমি ঢাকা থেকে দূরে, আমার নিজ জেলা খুলনা থেকে ৫০০ কিলোমিটার দূরে একটি অনুন্নত জেলায় যাচ্ছি। কিন্তু যোগদানের পরে এসে আমি দেখলাম এই অনুন্নত জেলাটাকে জাস্ট সোজাসুজি পরিবর্তিত করে দিয়েছে আমাদের আজকের প্রিয় প্রধান অতিথি। এটাকে একটা আধুনিক উন্নত জেলায় রূপান্তরিত করেছেন ওনার দীর্ঘ কর্মজীবনে। আমরা তাঁর জন্য একটা করতালি দিতে পারি।’
জেলা প্রশাসক আরও বলেন, ‘এ জেলা নিয়ে স্টাডি করে যতটুকু বুঝেছি, এক সময় জেলাটি যমুনা, ব্রহ্মপুত্র ও ঝিনাই নদী দ্বারা খণ্ড-বিখণ্ড ছিল। প্রায় প্রতিদিনের অনুসর্গ বন্যা আর নদী ভাঙনের কারণে এটি দেশের তৃতীয় দরিদ্র জেলা হিসেবে পরিচিত ছিল। সেই অবস্থা থেকে একজন মানুষ তাঁর একজীবনের দীর্ঘ অক্লান্ত পরিশ্রমে এত পরিবর্তন করতে পারে, তাঁকে কাছ থেকে না দেখলে এবং এই জেলাকে না দেখলে বুঝতাম না। আপনাদের সৌভাগ্য যে, আপনারা এমন একজন নেতা পেয়েছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘মেলান্দহ থেকে এখানে আমি ৩০-৪০ মিনিটে এসেছি। আমি শুনেছি এখান থেকে ৩-৪ ঘণ্টায় যাওয়া যেত না। কোর্টে যেতে এক বেলা সময় করে যেতে হতো। শুকনো খাবার ও আপনাদের প্রিয় মিল্লি-ভাত নিয়ে যেতেন। একবেলা আগে আপনারা রওনা হতেন। কোর্ট যেতেন, পরে গিয়ে থাকতেন, পরের দিন আসতেন। আর এখন ৩০ মিনিটেই যাচ্ছেন আবার ৩০ মিনিটেই চলে আসছে। এটি সম্ভব হয়েছে শুধু মাত্র বর্তমান সরকারের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারণে, আমাদের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবুর রহমানের কারণে।’
এ সময় তিনি জাতির জনকসহ দেশের ৩০ লাখ শহীদ এবং ২ লাখ সম্ভ্রমহারা মা-বোনের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
মাদারগঞ্জ উপজেলার খরকা বিলের পাশে নবনির্মিত পৌরভবন উদ্বোধন অনুষ্ঠানের আলোচনা সভা হয়। পৌর মেয়র গোলাম কিবরিয়া কবিরের সভাপতিত্বে ও প্যানেল মেয়র সৈকত আলীর সঞ্চালনায় এ আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি মির্জা আজম ছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে জেলা প্রশাসক মো. ইমরান আহমেদ, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ বাকি বিল্লাহ, পুলিশ সুপার মো. কামরুজ্জামান, জামালপুর স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক সরকার আব্দুল্লাহ আল মামুন বাবু, জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মির্জা সাখাওয়াতুল আলম মনি, সাধারণ সম্পাদক বিজন কুমার চন্দ বক্তব্য দেন।
এ আলোচনা সভায় স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মী, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

বর্তমান সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের কথা তুলে ধরে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগকে আবারো নির্বাচিত করার আহ্বান জানিয়েছেন জামালপুরের জেলা প্রশাসক মো. ইমরান আহমেদ। গতকাল সোমবার জামালপুরের মাদারগঞ্জে পৌরভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের বক্তৃতায় তিনি এ আহ্বান জানান।
জেলা প্রশাসক ইমরান বলেন, ‘আমাদের একটা জিনিস মনে রাখতে হবে, আমাদের স্বাধীনতা অনেক কষ্ট অর্জিত হয়েছে। এ স্বাধীনতা ও স্বাধীনতার সুফল—আজকের যোগাযোগ উন্নয়ন, এই উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে হবে। যে সরকার এই উন্নয়ন করেছে, সেই উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখার জন্য সেই সরকারকে পুনরায় নির্বাচিত করে আবার ক্ষমতায় আনতে হবে। এটা হবে আমাদের প্রত্যেকের অঙ্গীকার।’
তিনি আরো বলেন, ‘আপনারা নিজের চোখে দেখে সরকারের প্রতি অকৃতজ্ঞ হবেন না- আমি এটি বিশ্বাস করি। উন্নয়ন অব্যাহত থাকবে, উন্নয়ন হতে থাকবে। এক সময় অবশ্যই আমার জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলায় পরিণত হবে।’
এ সময় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মেলান্দহ-মাদারগঞ্জ থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য মির্জা আজমের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের ভূয়সী প্রশংসাও করেন তিনি।
জেলা প্রশাসক বলেন, ‘আমার পড়াশোনা করে যতটুকু মনে হয়েছিল যে, আমি ঢাকা থেকে দূরে, আমার নিজ জেলা খুলনা থেকে ৫০০ কিলোমিটার দূরে একটি অনুন্নত জেলায় যাচ্ছি। কিন্তু যোগদানের পরে এসে আমি দেখলাম এই অনুন্নত জেলাটাকে জাস্ট সোজাসুজি পরিবর্তিত করে দিয়েছে আমাদের আজকের প্রিয় প্রধান অতিথি। এটাকে একটা আধুনিক উন্নত জেলায় রূপান্তরিত করেছেন ওনার দীর্ঘ কর্মজীবনে। আমরা তাঁর জন্য একটা করতালি দিতে পারি।’
জেলা প্রশাসক আরও বলেন, ‘এ জেলা নিয়ে স্টাডি করে যতটুকু বুঝেছি, এক সময় জেলাটি যমুনা, ব্রহ্মপুত্র ও ঝিনাই নদী দ্বারা খণ্ড-বিখণ্ড ছিল। প্রায় প্রতিদিনের অনুসর্গ বন্যা আর নদী ভাঙনের কারণে এটি দেশের তৃতীয় দরিদ্র জেলা হিসেবে পরিচিত ছিল। সেই অবস্থা থেকে একজন মানুষ তাঁর একজীবনের দীর্ঘ অক্লান্ত পরিশ্রমে এত পরিবর্তন করতে পারে, তাঁকে কাছ থেকে না দেখলে এবং এই জেলাকে না দেখলে বুঝতাম না। আপনাদের সৌভাগ্য যে, আপনারা এমন একজন নেতা পেয়েছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘মেলান্দহ থেকে এখানে আমি ৩০-৪০ মিনিটে এসেছি। আমি শুনেছি এখান থেকে ৩-৪ ঘণ্টায় যাওয়া যেত না। কোর্টে যেতে এক বেলা সময় করে যেতে হতো। শুকনো খাবার ও আপনাদের প্রিয় মিল্লি-ভাত নিয়ে যেতেন। একবেলা আগে আপনারা রওনা হতেন। কোর্ট যেতেন, পরে গিয়ে থাকতেন, পরের দিন আসতেন। আর এখন ৩০ মিনিটেই যাচ্ছেন আবার ৩০ মিনিটেই চলে আসছে। এটি সম্ভব হয়েছে শুধু মাত্র বর্তমান সরকারের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারণে, আমাদের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবুর রহমানের কারণে।’
এ সময় তিনি জাতির জনকসহ দেশের ৩০ লাখ শহীদ এবং ২ লাখ সম্ভ্রমহারা মা-বোনের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
মাদারগঞ্জ উপজেলার খরকা বিলের পাশে নবনির্মিত পৌরভবন উদ্বোধন অনুষ্ঠানের আলোচনা সভা হয়। পৌর মেয়র গোলাম কিবরিয়া কবিরের সভাপতিত্বে ও প্যানেল মেয়র সৈকত আলীর সঞ্চালনায় এ আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি মির্জা আজম ছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে জেলা প্রশাসক মো. ইমরান আহমেদ, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ বাকি বিল্লাহ, পুলিশ সুপার মো. কামরুজ্জামান, জামালপুর স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক সরকার আব্দুল্লাহ আল মামুন বাবু, জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মির্জা সাখাওয়াতুল আলম মনি, সাধারণ সম্পাদক বিজন কুমার চন্দ বক্তব্য দেন।
এ আলোচনা সভায় স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মী, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৪ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৪ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৫ ঘণ্টা আগে