রাশেদ নিজাম, গাজীপুর থেকে

রাত পোহালেই গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শুরু। ভোটের আগের দিন আজ বুধবার বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে ক্লোজড সার্কিট টেলিভিশন (সিসিটিভি) ক্যামেরা ভাঙার খবর এসেছে নির্বাচন কমিশনে। নগরীর ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের ২০২ নম্বর কেন্দ্র জয়দেবপুর সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়সহ তিনটি কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা ভাঙার বিষয়টি নজরে এসেছে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
আজ ইসির উপপরিচালক (কমিউনিকেশনস) শাহরিয়ার আলম বলেন, তাঁদের কাছে ভাঙা সিসি ক্যামেরার ছবি এসেছে। বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। রিটার্নিং কর্মকর্তা ফরিদুল ইসলামের কাছেও সিসি ক্যামেরা ভাঙার বিষয়টি এসেছে বলে জানা গেছে।
গাজীপুর সিটি নির্বাচনে ৫৭টি ওয়ার্ডে ৪৮০টি ভোটকেন্দ্রে ৩ হাজার ৪৯৭টি ভোট কক্ষ থাকবে। এখানে মোট ভোটার ১১ লাখ ৭৯ হাজার ৪৬৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৫ লাখ ৯২ হাজার ৭৪৭ এবং নারী ভোটার ৫ লাখ ৮৬ হাজার ৬৯৮, আর তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ১৮ জন।
নির্বাচন পরিস্থিতি দেখতে গাজীপুরে বসানো হয়েছে মোট ৪ হাজার ৪৩৫টি সিসি ক্যামেরা। আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে বড় পর্দায় ভোটের পরিস্থিতি দেখবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়ালসহ চার নির্বাচন কমিশনার, ইসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সাংবাদিকেরা। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর জানিয়েছিলেন, সিসি ক্যামেরায় কোনো অনিয়ম দেখতে পেলে গাইবান্ধা নির্বাচনের চেয়েও কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এবারের নির্বাচনে ৪৮০টি কেন্দ্রের মধ্যে কাশিমপুর থানায় ৪৭টি, কোনাবাড়ী থানায় ৪৩টি, বাসন থানায় ৪২টি, সদর থানায় ৯৬টি, গাছা থানায় ৫৭টি, পুবাইল থানায় ৩২টি, টঙ্গী পূর্ব থানায় ১১১টি ও টঙ্গী পশ্চিম থানায় ৫২টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে। এসব ভোটকেন্দ্রে ৩৫১টি গুরুত্বপূর্ণ এবং ১২৯টি কেন্দ্রকে সাধারণ কেন্দ্র হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
গাজীপুর মহানগর পুলিশের সূত্রমতে, নানা দিক বিবেচনায় তারা কেন্দ্রকে ‘গুরুত্বপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। মূলত গুরুত্বপূর্ণ বলতে এখানে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে মনে করা হচ্ছে।
গাজীপুর সিটি নির্বাচন সম্পর্কিত আরও পড়ুন:

রাত পোহালেই গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শুরু। ভোটের আগের দিন আজ বুধবার বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে ক্লোজড সার্কিট টেলিভিশন (সিসিটিভি) ক্যামেরা ভাঙার খবর এসেছে নির্বাচন কমিশনে। নগরীর ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের ২০২ নম্বর কেন্দ্র জয়দেবপুর সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়সহ তিনটি কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা ভাঙার বিষয়টি নজরে এসেছে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
আজ ইসির উপপরিচালক (কমিউনিকেশনস) শাহরিয়ার আলম বলেন, তাঁদের কাছে ভাঙা সিসি ক্যামেরার ছবি এসেছে। বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। রিটার্নিং কর্মকর্তা ফরিদুল ইসলামের কাছেও সিসি ক্যামেরা ভাঙার বিষয়টি এসেছে বলে জানা গেছে।
গাজীপুর সিটি নির্বাচনে ৫৭টি ওয়ার্ডে ৪৮০টি ভোটকেন্দ্রে ৩ হাজার ৪৯৭টি ভোট কক্ষ থাকবে। এখানে মোট ভোটার ১১ লাখ ৭৯ হাজার ৪৬৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৫ লাখ ৯২ হাজার ৭৪৭ এবং নারী ভোটার ৫ লাখ ৮৬ হাজার ৬৯৮, আর তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ১৮ জন।
নির্বাচন পরিস্থিতি দেখতে গাজীপুরে বসানো হয়েছে মোট ৪ হাজার ৪৩৫টি সিসি ক্যামেরা। আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে বড় পর্দায় ভোটের পরিস্থিতি দেখবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়ালসহ চার নির্বাচন কমিশনার, ইসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সাংবাদিকেরা। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর জানিয়েছিলেন, সিসি ক্যামেরায় কোনো অনিয়ম দেখতে পেলে গাইবান্ধা নির্বাচনের চেয়েও কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এবারের নির্বাচনে ৪৮০টি কেন্দ্রের মধ্যে কাশিমপুর থানায় ৪৭টি, কোনাবাড়ী থানায় ৪৩টি, বাসন থানায় ৪২টি, সদর থানায় ৯৬টি, গাছা থানায় ৫৭টি, পুবাইল থানায় ৩২টি, টঙ্গী পূর্ব থানায় ১১১টি ও টঙ্গী পশ্চিম থানায় ৫২টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে। এসব ভোটকেন্দ্রে ৩৫১টি গুরুত্বপূর্ণ এবং ১২৯টি কেন্দ্রকে সাধারণ কেন্দ্র হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
গাজীপুর মহানগর পুলিশের সূত্রমতে, নানা দিক বিবেচনায় তারা কেন্দ্রকে ‘গুরুত্বপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। মূলত গুরুত্বপূর্ণ বলতে এখানে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে মনে করা হচ্ছে।
গাজীপুর সিটি নির্বাচন সম্পর্কিত আরও পড়ুন:

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৪ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৪ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৫ ঘণ্টা আগে