সাভার (ঢাকা) ও টঙ্গী (গাজীপুর) প্রতিনিধি

ঢাকা ও টঙ্গী শিল্পাঞ্চলে শ্রমিক অসন্তোষ নিয়ন্ত্রণে মঙ্গলবার সারা দিন সড়কে টহল দিয়েছেন সেনাবাহিনী, শিল্প পুলিশ ও বিজিবির সদস্যরা। সকাল থেকে সাভার-আশুলিয়া এলাকা শান্ত থাকলেও টঙ্গীতে চাকরিপ্রত্যাশী কয়েক শ শ্রমিক ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আজও অর্ধশতাধিক কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
শিল্প পুলিশ-১ (আশুলিয়া) এর পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ সারোয়ার আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সাভার ও আশুলিয়ায় আজকের পরিস্থিতি স্বাভাবিক। শ্রমিকেরা নির্দিষ্ট সময়ে কাজে যোগ দিয়েছেন। কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। তবে কয়েকটি কারখানায় শ্রমিকেরা কাজ না করায় ছুটি দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
পরে তাদের দেখাদেখি আরও কয়েকটি কারখানা ছুটি দিয়েছে। আজকে কোথাও শ্রমিকেরা সড়ক অবরোধ করেননি। ৫০-৬০টি কারখানা ছুটি দিয়েছে, বাকি কারখানাগুলোতে কাজ চলেছে। চাকরিপ্রত্যাশীদেরও আজ সড়কে দেখা যায়নি।
সকালের দিকে সাভার আশুলিয়ার শিমুলতলা এলাকার নাবা নিট কম্পোজিট লিমিটেড, পলাশবাড়ী এলাকার জিএবি (গিল্ডান) বন্ধ থাকতে দেখা যায়। নরসিংহপুর এলাকায় নাসা গ্রুপের শ্রমিকেরা কারখানায় এলেও কাজ শুরু না করায় ছুটি দিয়ে দেয় কর্তৃপক্ষ। একই এলাকার অনন্ত গার্মেন্টসের শ্রমিকদের বিকেলেও কারখানার সামনে অবস্থান নিয়ে থাকতে দেখা গেছে।
শিমুলতলা এলাকায় কাজ শুরুর দাবিতে বন্ধ থাকা দি ড্রেস অ্যান্ড দি আইডিয়াস নামে একটি পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা কারখানার মূল ফটকের সামনে অবস্থান নেন।
শ্রমিকেরা জানান, গত শনিবার চারজন মহিলা সুপারভাইজার ও একজন লাইনম্যানকে চাকরিচ্যুত করে কর্তৃপক্ষ। পরদিন রোববার থেকে কারখানা বন্ধ ঘোষণা করা হয়। সোমবার দিবাগত রাতে শ্রমিকেরা জানতে পারেন, ট্রাকে করে কারখানা থেকে মালামাল সরিয়ে ফেলছে কর্তৃপক্ষ। এরপরই ভোরে তাঁরা কারখানার সামনে অবস্থান নেন।
এ সময় সড়কে টহলরত সেনাবাহিনীর সদস্যরা শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং বিষয়টি নিয়ে কারখানার মালিকপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করবেন বলে জানান। সেনাসদস্যরা শ্রমিকদের সড়ক অবরোধসহ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হয় এমন কোনো কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানান।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শ্রমিক বলেন, ‘সুপারভাইজার ও লাইনম্যানকে চাকরি থেকে বাদ দিয়ে রোববার থেকে মালিক কারখানা বন্ধ করে দিয়েছেন। এরপর রাতে শুনি, ট্রাকে করে মালিকের লোকজন যন্ত্রপাতিসহ মালামাল নিয়ে যাচ্ছে। এখন আমাদের দাবি, কারখানা চালু হোক। আমাদের বেতনের সময় হয়েছে। বন্ধ থাকলে বেতন কবে পাব জানি না।’
এ বিষয়ে কারখানার মালিক হোসেইন বিন এম এ খালেক মোবাইল ফোনে আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমাদের এই কারখানা আপৎকালীন জানমালের নিরাপত্তার জন্য বন্ধ রয়েছে। কারখানাটি একেবারে বন্ধ করে দেওয়ার কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। শ্রমিকনেতাদের সঙ্গে ঢাকায় কোম্পানির বোর্ড অব ডিরেক্টররা আলোচনায় বসেছেন, এখনো আলোচনা চলছে। আশা করি, দ্রুতই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।
মালামাল সরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘শিপমেন্টের জন্য প্রস্তুত কার্টনগুলো বের করা হয়েছে। সেগুলো তো ইন্সপেকশন করে শিপমেন্ট করতে হবে। বিক্ষুব্ধ শ্রমিক ভাইয়েরা হয়তো বুঝতে না পেরে এমনটা বলছেন।’
ছুটি দেওয়া কারখানার তালিকায় আরও রয়েছে এসওভি, দি রোজ ড্রেসেস লিমিটেড, পাইওনিয়ার, পলমল গ্রুপ, পার্ল গার্মেন্টস কোম্পানি লিমিটেড, স্কাই লাইন গ্রুপ, স্কাই লাইন অ্যাপারেলস লিমিটেড, আগামী অ্যাপারেলস, আয়েশা ক্লথিং কোম্পানিসহ অর্ধশতাধিক কারখানা।
তবে গত কয়েক দিন অশান্ত পরিবেশ থাকলেও আজ সকাল থেকে ঢাকা ইপিজেডের সামনের সড়ক ও ভেতরের কারখানার পরিবেশ ছিল স্বাভাবিক। ডিইপিজেডের মোট ৮৬টি শিল্পকারখানার সব কটিতেই শান্তিপূর্ণভাবে কাজ চলার কথা জানিয়েছে বেপজার নির্বাহী পরিচালক (জনসংযোগ) আনোয়ার পারভেজ।
এদিকে গাজীপুরের টঙ্গীতে চাকরিপ্রত্যাশী শ্রমিকেরা আজও সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন। সকালে টঙ্গীর সাতাইশ এলাকায় এ বিক্ষোভ করেন তাঁরা। একপর্যায়ে মহাসড়কসংলগ্ন দুটি পোশাক কারখানায় ভাঙচুরের চেষ্টা চালান। এতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে প্রায় এক ঘণ্টা বন্ধ থাকে যান চলাচল।
এ বিষয়ে গাজীপুর শিল্প পুলিশের (টঙ্গী জোন) সহকারী পুলিশ সুপার মো. মোশারফ হোসেন বলেন, আন্দোলনকারীরা একটি দাবি নিয়ে আন্দোলন করছেন। তাঁরা কারখানাগুলোতে ভাঙচুর চালানোর চেষ্টা করেন।

ঢাকা ও টঙ্গী শিল্পাঞ্চলে শ্রমিক অসন্তোষ নিয়ন্ত্রণে মঙ্গলবার সারা দিন সড়কে টহল দিয়েছেন সেনাবাহিনী, শিল্প পুলিশ ও বিজিবির সদস্যরা। সকাল থেকে সাভার-আশুলিয়া এলাকা শান্ত থাকলেও টঙ্গীতে চাকরিপ্রত্যাশী কয়েক শ শ্রমিক ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আজও অর্ধশতাধিক কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
শিল্প পুলিশ-১ (আশুলিয়া) এর পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ সারোয়ার আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সাভার ও আশুলিয়ায় আজকের পরিস্থিতি স্বাভাবিক। শ্রমিকেরা নির্দিষ্ট সময়ে কাজে যোগ দিয়েছেন। কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। তবে কয়েকটি কারখানায় শ্রমিকেরা কাজ না করায় ছুটি দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
পরে তাদের দেখাদেখি আরও কয়েকটি কারখানা ছুটি দিয়েছে। আজকে কোথাও শ্রমিকেরা সড়ক অবরোধ করেননি। ৫০-৬০টি কারখানা ছুটি দিয়েছে, বাকি কারখানাগুলোতে কাজ চলেছে। চাকরিপ্রত্যাশীদেরও আজ সড়কে দেখা যায়নি।
সকালের দিকে সাভার আশুলিয়ার শিমুলতলা এলাকার নাবা নিট কম্পোজিট লিমিটেড, পলাশবাড়ী এলাকার জিএবি (গিল্ডান) বন্ধ থাকতে দেখা যায়। নরসিংহপুর এলাকায় নাসা গ্রুপের শ্রমিকেরা কারখানায় এলেও কাজ শুরু না করায় ছুটি দিয়ে দেয় কর্তৃপক্ষ। একই এলাকার অনন্ত গার্মেন্টসের শ্রমিকদের বিকেলেও কারখানার সামনে অবস্থান নিয়ে থাকতে দেখা গেছে।
শিমুলতলা এলাকায় কাজ শুরুর দাবিতে বন্ধ থাকা দি ড্রেস অ্যান্ড দি আইডিয়াস নামে একটি পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা কারখানার মূল ফটকের সামনে অবস্থান নেন।
শ্রমিকেরা জানান, গত শনিবার চারজন মহিলা সুপারভাইজার ও একজন লাইনম্যানকে চাকরিচ্যুত করে কর্তৃপক্ষ। পরদিন রোববার থেকে কারখানা বন্ধ ঘোষণা করা হয়। সোমবার দিবাগত রাতে শ্রমিকেরা জানতে পারেন, ট্রাকে করে কারখানা থেকে মালামাল সরিয়ে ফেলছে কর্তৃপক্ষ। এরপরই ভোরে তাঁরা কারখানার সামনে অবস্থান নেন।
এ সময় সড়কে টহলরত সেনাবাহিনীর সদস্যরা শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং বিষয়টি নিয়ে কারখানার মালিকপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করবেন বলে জানান। সেনাসদস্যরা শ্রমিকদের সড়ক অবরোধসহ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হয় এমন কোনো কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানান।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শ্রমিক বলেন, ‘সুপারভাইজার ও লাইনম্যানকে চাকরি থেকে বাদ দিয়ে রোববার থেকে মালিক কারখানা বন্ধ করে দিয়েছেন। এরপর রাতে শুনি, ট্রাকে করে মালিকের লোকজন যন্ত্রপাতিসহ মালামাল নিয়ে যাচ্ছে। এখন আমাদের দাবি, কারখানা চালু হোক। আমাদের বেতনের সময় হয়েছে। বন্ধ থাকলে বেতন কবে পাব জানি না।’
এ বিষয়ে কারখানার মালিক হোসেইন বিন এম এ খালেক মোবাইল ফোনে আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমাদের এই কারখানা আপৎকালীন জানমালের নিরাপত্তার জন্য বন্ধ রয়েছে। কারখানাটি একেবারে বন্ধ করে দেওয়ার কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। শ্রমিকনেতাদের সঙ্গে ঢাকায় কোম্পানির বোর্ড অব ডিরেক্টররা আলোচনায় বসেছেন, এখনো আলোচনা চলছে। আশা করি, দ্রুতই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।
মালামাল সরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘শিপমেন্টের জন্য প্রস্তুত কার্টনগুলো বের করা হয়েছে। সেগুলো তো ইন্সপেকশন করে শিপমেন্ট করতে হবে। বিক্ষুব্ধ শ্রমিক ভাইয়েরা হয়তো বুঝতে না পেরে এমনটা বলছেন।’
ছুটি দেওয়া কারখানার তালিকায় আরও রয়েছে এসওভি, দি রোজ ড্রেসেস লিমিটেড, পাইওনিয়ার, পলমল গ্রুপ, পার্ল গার্মেন্টস কোম্পানি লিমিটেড, স্কাই লাইন গ্রুপ, স্কাই লাইন অ্যাপারেলস লিমিটেড, আগামী অ্যাপারেলস, আয়েশা ক্লথিং কোম্পানিসহ অর্ধশতাধিক কারখানা।
তবে গত কয়েক দিন অশান্ত পরিবেশ থাকলেও আজ সকাল থেকে ঢাকা ইপিজেডের সামনের সড়ক ও ভেতরের কারখানার পরিবেশ ছিল স্বাভাবিক। ডিইপিজেডের মোট ৮৬টি শিল্পকারখানার সব কটিতেই শান্তিপূর্ণভাবে কাজ চলার কথা জানিয়েছে বেপজার নির্বাহী পরিচালক (জনসংযোগ) আনোয়ার পারভেজ।
এদিকে গাজীপুরের টঙ্গীতে চাকরিপ্রত্যাশী শ্রমিকেরা আজও সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন। সকালে টঙ্গীর সাতাইশ এলাকায় এ বিক্ষোভ করেন তাঁরা। একপর্যায়ে মহাসড়কসংলগ্ন দুটি পোশাক কারখানায় ভাঙচুরের চেষ্টা চালান। এতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে প্রায় এক ঘণ্টা বন্ধ থাকে যান চলাচল।
এ বিষয়ে গাজীপুর শিল্প পুলিশের (টঙ্গী জোন) সহকারী পুলিশ সুপার মো. মোশারফ হোসেন বলেন, আন্দোলনকারীরা একটি দাবি নিয়ে আন্দোলন করছেন। তাঁরা কারখানাগুলোতে ভাঙচুর চালানোর চেষ্টা করেন।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৩ ঘণ্টা আগে