নিজস্ব প্রতিবেদক ও টঙ্গী প্রতিনিধি

দিনভর শান্তপূর্ণ ভোট গ্রহণের পর এখন চলছে গণনা। আনুষ্ঠানিকভাবে ভোটের ফলাফল ঘোষণার অপেক্ষায় আছে নগরবাসী। নগরীর বেশ কয়েকটি কেন্দ্রের ফলাফল অনুযায়ী আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী আজমত উল্লা খানের চেয়ে এগিয়ে রয়েছেন স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী টেবিল ঘড়ি প্রতীকে জায়েদা খাতুন।
ফলাফল জানতে ও মেয়র প্রার্থী আজমত উল্লা খানের সঙ্গে দেখা করতে আজ বৃহস্পতিবার রাত ৮টা থেকেই দলীয় নেতা-কর্মীসহ আশপাশের লোকজন টঙ্গী বাজার এলাকায় তাঁর বাসভবনের জড়ো হচ্ছেন। উপস্থিত সবার আলোচনায় রয়েছে ভোটের হিসাব।
ভোট গ্রহণ শেষে বিকেলে বঙ্গতাজ অডিটরিয়াম এই রিটার্নিং কর্মকর্তা যখন ফলাফল ঘোষণা করেন, তখন থেকেই জায়েদা খাতুনের ছেলে সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলম সেখানে উপস্থিত ছিলেন। আর অডিটরিয়ামের বাইরে ছিল জাহাঙ্গীর আলমের সমর্থকেরা। প্রতিটি কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই বাইরে আনন্দ-উল্লাসে ফেটে পড়েন তাঁরা। তবে তার ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে আজমত উল্লার ক্ষেত্রে। বিকেলে তিনি গাজীপুর থাকলেও সন্ধ্যার পর তাঁকে আর গাজীপুর দেখা যায়নি। এরপর রাত সাড়ে ৮টায় জানা যায় তিনি তাঁর টঙ্গী বাসভবনে ফিরে গেছেন।
অসমর্থিত সূত্রে প্রাপ্ত ফলাফল থেকে জানা যায়, ১৩৩টি কেন্দ্রে আজমত উল্লা ভোট পেয়েছেন ৫৮ হাজার ২৫টি। অপর দিকে সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের মা জায়েদা খাতুন ভোট পেয়েছে ৬৮ হাজার ৮০০টি।
রাত দশটায় বেসরকারিভাবে প্রাপ্ত ৭৩ কেন্দ্রের ফলাফল থেকে জানা যায়, মোট ভোট পড়েছে ৮৯ হাজার ১৯৩। এর মধ্যে আজমত উল্লাহ পেয়েছেন ৩৫ হাজার ৮৮৬ ও জায়েদা খাতুন ৩৬৪৫৯ ভোট।
টঙ্গীতে আজমত উল্লা খানের বাড়িতে একেকটি কেন্দ্রের বিজয়ের ফল ঘোষণা হলেই আজমত উল্লা খানের সমর্থক ও নেতা-কর্মীরা উল্লাস করছেন।
ভোট চলাকালে নগরীর বিভিন্ন কেন্দ্রে যান আজমত উল্লা খান। বিকেলে ভোট গ্রহণ শেষে গাজীপুরে দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে দেখা করেন। পরে রাত সাড়ে ৮টার দিকে নিজ বাসভবনে ফিরে আসেন।
গাজীপুর সিটি নির্বাচন সম্পর্কিত আরও পড়ুন:

দিনভর শান্তপূর্ণ ভোট গ্রহণের পর এখন চলছে গণনা। আনুষ্ঠানিকভাবে ভোটের ফলাফল ঘোষণার অপেক্ষায় আছে নগরবাসী। নগরীর বেশ কয়েকটি কেন্দ্রের ফলাফল অনুযায়ী আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী আজমত উল্লা খানের চেয়ে এগিয়ে রয়েছেন স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী টেবিল ঘড়ি প্রতীকে জায়েদা খাতুন।
ফলাফল জানতে ও মেয়র প্রার্থী আজমত উল্লা খানের সঙ্গে দেখা করতে আজ বৃহস্পতিবার রাত ৮টা থেকেই দলীয় নেতা-কর্মীসহ আশপাশের লোকজন টঙ্গী বাজার এলাকায় তাঁর বাসভবনের জড়ো হচ্ছেন। উপস্থিত সবার আলোচনায় রয়েছে ভোটের হিসাব।
ভোট গ্রহণ শেষে বিকেলে বঙ্গতাজ অডিটরিয়াম এই রিটার্নিং কর্মকর্তা যখন ফলাফল ঘোষণা করেন, তখন থেকেই জায়েদা খাতুনের ছেলে সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলম সেখানে উপস্থিত ছিলেন। আর অডিটরিয়ামের বাইরে ছিল জাহাঙ্গীর আলমের সমর্থকেরা। প্রতিটি কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই বাইরে আনন্দ-উল্লাসে ফেটে পড়েন তাঁরা। তবে তার ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে আজমত উল্লার ক্ষেত্রে। বিকেলে তিনি গাজীপুর থাকলেও সন্ধ্যার পর তাঁকে আর গাজীপুর দেখা যায়নি। এরপর রাত সাড়ে ৮টায় জানা যায় তিনি তাঁর টঙ্গী বাসভবনে ফিরে গেছেন।
অসমর্থিত সূত্রে প্রাপ্ত ফলাফল থেকে জানা যায়, ১৩৩টি কেন্দ্রে আজমত উল্লা ভোট পেয়েছেন ৫৮ হাজার ২৫টি। অপর দিকে সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের মা জায়েদা খাতুন ভোট পেয়েছে ৬৮ হাজার ৮০০টি।
রাত দশটায় বেসরকারিভাবে প্রাপ্ত ৭৩ কেন্দ্রের ফলাফল থেকে জানা যায়, মোট ভোট পড়েছে ৮৯ হাজার ১৯৩। এর মধ্যে আজমত উল্লাহ পেয়েছেন ৩৫ হাজার ৮৮৬ ও জায়েদা খাতুন ৩৬৪৫৯ ভোট।
টঙ্গীতে আজমত উল্লা খানের বাড়িতে একেকটি কেন্দ্রের বিজয়ের ফল ঘোষণা হলেই আজমত উল্লা খানের সমর্থক ও নেতা-কর্মীরা উল্লাস করছেন।
ভোট চলাকালে নগরীর বিভিন্ন কেন্দ্রে যান আজমত উল্লা খান। বিকেলে ভোট গ্রহণ শেষে গাজীপুরে দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে দেখা করেন। পরে রাত সাড়ে ৮টার দিকে নিজ বাসভবনে ফিরে আসেন।
গাজীপুর সিটি নির্বাচন সম্পর্কিত আরও পড়ুন:

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
২ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে