গাজীপুর প্রতিনিধি

গাজীপুরে মেয়েকে (বিবাহিত) উত্ত্যক্ত করার প্রতিবেশীকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করেছেন বলে আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন গ্রেপ্তারকৃত আসামি। হত্যাকাণ্ডের প্রায় আড়াই বছর পর গতকাল মঙ্গলবার গ্রেপ্তারকৃত তিনজনকে আদালতে পাঠায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।
গত সোমবার দিবাগত রাতে কাশিমপুরের পূর্ব এনায়েতপুর সবুজ কানন বাজার এলাকা থেকে ওই তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গতকাল মঙ্গলবার তাঁদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
আজ বুধবার এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন গাজীপুর পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাকছুদুর রহমান। তিনি বলেন, ‘গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে হাজির করা হলে তারা নিজেদের ঘটনায় সঙ্গে জড়িত বলে মঙ্গলবার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। পরে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।’
নিহতের নাম হামিদুল ইসলাম রবিউল (২০)। তিনি বগুড়ার সোনাতলা থানার দিগদাইড় এলাকার মো. ইমদাদুল হকের ছেলে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—পটুয়াখালীর কলাপাড়া থানার চাকামহিয়া এলাকার সোহেল হাওলাদার (২৭), বগুড়ার সোনাতলা থানার পাঠানপাড়া এলাকার রতন মিয়া (২৫), একই এলাকার ইসরাফিল (৪০)।
নিহত এবং গ্রেপ্তারকৃতরা গাজীপুর মহানগরীর থানার এনায়েতপুর এলাকায় ভাড়া থাকতেন। তাঁরা সবাই স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন।
পিবিআই কর্মকর্তা মাকছুদুর রহমান বলেন, ‘নিহত রবিউল মাঝে মাঝে রাতে ভাড়া বাসা সংলগ্ন অটোরিকশা গ্যারেজে গিয়ে তাদের ওয়াইফাই ব্যবহার করতেন। ২০২০ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর রাতে ওই গ্যারেজে যান রবিউল। রাত ৩টার দিকে তাঁর মা রবিউলকে রুমে না পেয়ে ওই গ্যারেজে গিয়ে আড়ার সঙ্গে রশি দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। এ সময় রবিউলের মা চিৎকার দিলে আশপাশের লোকজন গিয়ে রবিউলকে নিচে নামায়। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়। এ ব্যাপারে কাশিমপুর থানার অপমৃত্যু মামলা করা হয়।’
মাকছুদুর রহমান আরও বলেন, ‘মামলাটি তদন্তকালে ২০২১ সালের ২০ জুন ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে এটিকে হত্যাকাণ্ড বলে উল্লেখ করা হলে হত্যা মামলা রুজু হয়। কাশিমপুর থানা-পুলিশ ১০ মাস তদন্ত শেষে মামলার রহস্য উদ্ঘাটন করতে না পেরে চূড়ান্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করেন। আদালত চূড়ান্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে স্ব-প্রণোদিত হয়ে মামলাটি পিবিআই গাজীপুর জেলাকে অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দেন। পরে পিবিআই মামলার তদন্ত শুরু করে। একপর্যায়ে গত সোমবার দিবাগত রাতে কাশিমপুরের পূর্ব এনায়েতপুর সবুজ কানন বাজার এলাকা থেকে ওই ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।’
গ্রেপ্তারকৃতদের বরাত দিয়ে পুলিশ সুপার বলেন, ‘গ্রেপ্তারকৃতরা ও ভুক্তভোগী পূর্ব এনায়েতপুর এলাকায় একই বাড়িতে পাশাপাশি কক্ষে স্ব-পরিবারে বসবাস করতেন। গ্রেপ্তার হওয়া ইসরাফিল দাবি করেছেন, তাঁর বিবাহিত মেয়েকে উত্ত্যক্ত করতেন রবিউল। বিষয়টি নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে বাদানুবাদ হয়। মেয়ের সংসার টিকিয়ে রাখার জন্য ইসরাফিল রবিউলকে হত্যা করার পরিকল্পনা করেন। পরে ওই দিন রাতে সহযোগীদের নিয়ে ইসরাফিল গলায় রশি পেঁচিয়ে রবিউলকে মারধর করেন। রবিউল অচেতন হয়ে পড়লে গ্যারেজের আড়ার সঙ্গে রবিউলকে ঝুলিয়ে রেখে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।’

গাজীপুরে মেয়েকে (বিবাহিত) উত্ত্যক্ত করার প্রতিবেশীকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করেছেন বলে আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন গ্রেপ্তারকৃত আসামি। হত্যাকাণ্ডের প্রায় আড়াই বছর পর গতকাল মঙ্গলবার গ্রেপ্তারকৃত তিনজনকে আদালতে পাঠায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।
গত সোমবার দিবাগত রাতে কাশিমপুরের পূর্ব এনায়েতপুর সবুজ কানন বাজার এলাকা থেকে ওই তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গতকাল মঙ্গলবার তাঁদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
আজ বুধবার এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন গাজীপুর পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাকছুদুর রহমান। তিনি বলেন, ‘গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে হাজির করা হলে তারা নিজেদের ঘটনায় সঙ্গে জড়িত বলে মঙ্গলবার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। পরে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।’
নিহতের নাম হামিদুল ইসলাম রবিউল (২০)। তিনি বগুড়ার সোনাতলা থানার দিগদাইড় এলাকার মো. ইমদাদুল হকের ছেলে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—পটুয়াখালীর কলাপাড়া থানার চাকামহিয়া এলাকার সোহেল হাওলাদার (২৭), বগুড়ার সোনাতলা থানার পাঠানপাড়া এলাকার রতন মিয়া (২৫), একই এলাকার ইসরাফিল (৪০)।
নিহত এবং গ্রেপ্তারকৃতরা গাজীপুর মহানগরীর থানার এনায়েতপুর এলাকায় ভাড়া থাকতেন। তাঁরা সবাই স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন।
পিবিআই কর্মকর্তা মাকছুদুর রহমান বলেন, ‘নিহত রবিউল মাঝে মাঝে রাতে ভাড়া বাসা সংলগ্ন অটোরিকশা গ্যারেজে গিয়ে তাদের ওয়াইফাই ব্যবহার করতেন। ২০২০ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর রাতে ওই গ্যারেজে যান রবিউল। রাত ৩টার দিকে তাঁর মা রবিউলকে রুমে না পেয়ে ওই গ্যারেজে গিয়ে আড়ার সঙ্গে রশি দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। এ সময় রবিউলের মা চিৎকার দিলে আশপাশের লোকজন গিয়ে রবিউলকে নিচে নামায়। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়। এ ব্যাপারে কাশিমপুর থানার অপমৃত্যু মামলা করা হয়।’
মাকছুদুর রহমান আরও বলেন, ‘মামলাটি তদন্তকালে ২০২১ সালের ২০ জুন ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে এটিকে হত্যাকাণ্ড বলে উল্লেখ করা হলে হত্যা মামলা রুজু হয়। কাশিমপুর থানা-পুলিশ ১০ মাস তদন্ত শেষে মামলার রহস্য উদ্ঘাটন করতে না পেরে চূড়ান্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করেন। আদালত চূড়ান্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে স্ব-প্রণোদিত হয়ে মামলাটি পিবিআই গাজীপুর জেলাকে অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দেন। পরে পিবিআই মামলার তদন্ত শুরু করে। একপর্যায়ে গত সোমবার দিবাগত রাতে কাশিমপুরের পূর্ব এনায়েতপুর সবুজ কানন বাজার এলাকা থেকে ওই ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।’
গ্রেপ্তারকৃতদের বরাত দিয়ে পুলিশ সুপার বলেন, ‘গ্রেপ্তারকৃতরা ও ভুক্তভোগী পূর্ব এনায়েতপুর এলাকায় একই বাড়িতে পাশাপাশি কক্ষে স্ব-পরিবারে বসবাস করতেন। গ্রেপ্তার হওয়া ইসরাফিল দাবি করেছেন, তাঁর বিবাহিত মেয়েকে উত্ত্যক্ত করতেন রবিউল। বিষয়টি নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে বাদানুবাদ হয়। মেয়ের সংসার টিকিয়ে রাখার জন্য ইসরাফিল রবিউলকে হত্যা করার পরিকল্পনা করেন। পরে ওই দিন রাতে সহযোগীদের নিয়ে ইসরাফিল গলায় রশি পেঁচিয়ে রবিউলকে মারধর করেন। রবিউল অচেতন হয়ে পড়লে গ্যারেজের আড়ার সঙ্গে রবিউলকে ঝুলিয়ে রেখে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৪ ঘণ্টা আগে