
গাজীপুরের শ্রীপুরে একটি মুরগির খামারে চার পা-ওয়ালা একটি মুরগির বাচ্চার সন্ধান পাওয়া গেছে। গতকাল শনিবার রাতে উপজেলার কাওরাইদ ইউনিয়নের নান্দিয়া সাঙ্গুন গ্রামের জামাল উদ্দিনের ছেলে মো. সিহাবের খামারে মুরগির বাচ্চাটিকে দেখা যায়।
মুরগির খামারের মালিক সিহাব মিয়া জানান, তিন দিন আগে খামারে নতুন ১ হাজার মুরগির বাচ্চা তোলা হয়েছে। বাচ্চাগুলো পরিচর্যা করতে গিয়ে শনিবার রাতে চার পা-ওয়ালা একটি বাচ্চা নজরে পড়ে। এরপর রোববার খবরটি ছড়িয়ে পড়লে পুরো এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। অনেক মানুষ চার পা-ওয়ালা মুরগির বাচ্চাটি দেখতে খামারে ছুটে আসছে।
খামারি সিহাব মিয়া বলেন, ‘অন্য বাচ্চাগুলোর মতো ওই বাচ্চাটিও এখনো সুস্থ আছে। বাচ্চাটা হাঁটার সময় অতিরিক্ত পা দুইটা ঝুলে থাকে। ওই পা দুইটা তুলনামূলক ছোট।’
স্থানীয় নান্দিয়া সাঙ্গুন গ্রামের বাসিন্দা ইসমাইল হোসেন বলেন, ‘শনিবার রাতে সিহাব দোকানে বসে বিষয়টি জানানোর পরপরই আমরা কয়েকজন মিলে তাঁর খামারে গিয়ে চার পা-ওয়ালা মুরগির বাচ্চা দেখতে পাই।’
কাওরাইদ ইউনিয়ন পরিষদের ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী সদস্য পারভীন আক্তার নিশি বলেন, ‘ঘটনাটি আমার বাড়ির পাশে। আমিও প্রথম দেখেছি। সাধারণত মুরগির দুটি পা থাকে, এটাই স্বাভাবিক ব্যাপার। কিন্তু মুরগির বাচ্চার যদি চার পা হয়, তাহলে তো সবাই অবাক হবেই। এমন ঘটনা আমাদের এলাকায় আর শুনিনি।’
এ বিষয়ে শ্রীপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা রুকুনুজ্জামান বলেন, ‘জেনেটিক ডিসঅর্ডার বা জিনগত ত্রুটির কারণে মুরগির চার পা হতে পারে। তবে এসব মুরগির বাচ্চা তাদের স্বাভাবিক জীবন হারিয়ে অপেক্ষাকৃত দুর্বল হয়ে পড়ে। চার পা-ওয়ালা মুরগির বাচ্চা বেশি দিন বাঁচতে পারে না। তবে কোনো কোনো ক্ষেত্রে আবার দেখা যায় স্বাভাবিক খাদ্য গ্রহণ করতে পারলে বেঁচেও যেতে পারে।’

গাজীপুরের শ্রীপুরে একটি মুরগির খামারে চার পা-ওয়ালা একটি মুরগির বাচ্চার সন্ধান পাওয়া গেছে। গতকাল শনিবার রাতে উপজেলার কাওরাইদ ইউনিয়নের নান্দিয়া সাঙ্গুন গ্রামের জামাল উদ্দিনের ছেলে মো. সিহাবের খামারে মুরগির বাচ্চাটিকে দেখা যায়।
মুরগির খামারের মালিক সিহাব মিয়া জানান, তিন দিন আগে খামারে নতুন ১ হাজার মুরগির বাচ্চা তোলা হয়েছে। বাচ্চাগুলো পরিচর্যা করতে গিয়ে শনিবার রাতে চার পা-ওয়ালা একটি বাচ্চা নজরে পড়ে। এরপর রোববার খবরটি ছড়িয়ে পড়লে পুরো এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। অনেক মানুষ চার পা-ওয়ালা মুরগির বাচ্চাটি দেখতে খামারে ছুটে আসছে।
খামারি সিহাব মিয়া বলেন, ‘অন্য বাচ্চাগুলোর মতো ওই বাচ্চাটিও এখনো সুস্থ আছে। বাচ্চাটা হাঁটার সময় অতিরিক্ত পা দুইটা ঝুলে থাকে। ওই পা দুইটা তুলনামূলক ছোট।’
স্থানীয় নান্দিয়া সাঙ্গুন গ্রামের বাসিন্দা ইসমাইল হোসেন বলেন, ‘শনিবার রাতে সিহাব দোকানে বসে বিষয়টি জানানোর পরপরই আমরা কয়েকজন মিলে তাঁর খামারে গিয়ে চার পা-ওয়ালা মুরগির বাচ্চা দেখতে পাই।’
কাওরাইদ ইউনিয়ন পরিষদের ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী সদস্য পারভীন আক্তার নিশি বলেন, ‘ঘটনাটি আমার বাড়ির পাশে। আমিও প্রথম দেখেছি। সাধারণত মুরগির দুটি পা থাকে, এটাই স্বাভাবিক ব্যাপার। কিন্তু মুরগির বাচ্চার যদি চার পা হয়, তাহলে তো সবাই অবাক হবেই। এমন ঘটনা আমাদের এলাকায় আর শুনিনি।’
এ বিষয়ে শ্রীপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা রুকুনুজ্জামান বলেন, ‘জেনেটিক ডিসঅর্ডার বা জিনগত ত্রুটির কারণে মুরগির চার পা হতে পারে। তবে এসব মুরগির বাচ্চা তাদের স্বাভাবিক জীবন হারিয়ে অপেক্ষাকৃত দুর্বল হয়ে পড়ে। চার পা-ওয়ালা মুরগির বাচ্চা বেশি দিন বাঁচতে পারে না। তবে কোনো কোনো ক্ষেত্রে আবার দেখা যায় স্বাভাবিক খাদ্য গ্রহণ করতে পারলে বেঁচেও যেতে পারে।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
২ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
২ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৩ ঘণ্টা আগে