
খামারের প্রহরী নুরুল আফসার বলেন, ‘রাত সাড়ে ১২টার দিকে আমি ঘুমাচ্ছিলাম। হঠাৎ ছাগলের চিৎকারে ঘুম ভেঙে যায়। কী হচ্ছে দেখতে কক্ষ থেকে বের হতেই চার-পাঁচজন লোক আমাকে ধরে ফেলে। তারা আমার চোখ ও হাত বেঁধে খামারের গ্রিলের সঙ্গে বেঁধে রাখে। কিছুক্ষণ পর আমাকে একটি ট্রাকে তুলে নেয়। রাত প্রায় ২টার দিকে চোখ বাঁধা

স্থানীয়দের দাবি, জাহাঙ্গীর আলম দীর্ঘদিন ধরে গরুর খামারের আড়ালে ঘোড়ার মাংসের অবৈধ ব্যবসা চালিয়ে আসছিলেন। গত ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর তিনি কিছুদিন আত্মগোপনে ছিলেন। সম্প্রতি এলাকায় ফিরে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে পুনরায় এই অপকর্ম শুরু করেন। বাড়িটি নির্জন এলাকায় হওয়ায় সাধারণ মানুষের যাতায়াত কম ছিল।

বাণিজ্যিক পোলট্রি খামারের জন্য এক দিন বয়সী প্যারেন্ট স্টক বা প্রজননকারী মুরগির বাচ্চা আমদানি নিষিদ্ধ করতে চায় সরকার। জাতীয় পোলট্রি উন্নয়ন নীতিমালা, ২০২৬-এর চূড়ান্ত খসড়ায় এ ধরনের প্রস্তাব রাখা হয়েছে। খসড়ায় বলা হয়, দেশীয় উৎপাদন সক্ষমতা বাড়িয়ে ধাপে ধাপে আমদানিনির্ভরতা কমানোই এই সিদ্ধান্তের মূল লক্ষ্য।

আব্দুর রাজ্জাক বলেন, তাঁর খামারে সাতটি গরু ছিল। এর মধ্যে পাঁচটি গাভি, একটি বাছুর ও একটি ষাঁড় ছিল। চারটি গাভি গর্ভবতী ছিল। অগ্নিকাণ্ডে পাঁচটি গরু মারা গেছে। তিনি বলেন, ‘আমার একমাত্র ভরসা ছিল এই গরুগুলো। সব মিলিয়ে ১২-১৪ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।’