Ajker Patrika

ফেনীতে জমে উঠেছে পশুর হাট

ফেনী প্রতিনিধি
ফেনীতে জমে উঠেছে পশুর হাট
পশুর হাটে ক্রেতা-বিক্রেতাদের ভিড়। আজ মঙ্গলবার বিকেলে ফেনীর মুন্সীরহাট আলী আজম স্কুল মাঠে। ছবি: আজকের পত্রিকা

ফেনীতে কোরবানির পশুর হাটগুলোয় জমে উঠেছে বেচাকেনা। বৃষ্টি আর কাদাজলের দুর্ভোগ সত্ত্বেও ছোট-বড় সব হাটেই সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ক্রেতা-বিক্রেতারা ভিড় করছেন। পছন্দের পশু কিনতে এক হাট থেকে অন্য হাটে ছুটছে মানুষ। আর পশু বেচা নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন বিক্রেতারা।

আজ মঙ্গলবার (২৬ মে) বিকেলে ফেনীর ফুলগাজী উপজেলার মুন্সীরহাট আলী আজম স্কুল মাঠ ও দাগনভূঞার সিলোনিয়া বাজারে গিয়ে মানুষের ভিড় লক্ষ করা যায়।

মুন্সীরহাট আলী আজম স্কুলমাঠে বসা পশুর হাটে গরু বিক্রি করতে এসেছেন মো. জসিম উদ্দিন। তিনি বলেন, ‘বৃষ্টি থাকলেও এবার হাটে মানুষের উপস্থিতি ভালো। আশা করছি, শেষ দিকে আরও ভালো দাম পাব। বৃষ্টি না হলে ক্রেতাদের ভিড় আরও বেশি হতো।’

ক্রেতা আবদুল কাদের বলেন, ‘কোরবানির গরু তো কিনতেই হবে। তাই বাধ্য হয়েই বৃষ্টির মধ্যেও হাটে এসেছি। আশা করছি, সামর্থ্যের মধ্যেই নিজের পছন্দের গরুটি কিনতে পারব।’

অন্যদিকে দাগনভূঞার সিলোনিয়া বাজারে গিয়ে দেখা যায়, নোয়াখালী-ফেনী আঞ্চলিক সড়কের এক পাশ দখল করে বসেছে অস্থায়ী পশুর হাট। সেখানে গরু ও ছাগলের সারি ঘিরে ক্রেতারা ভিড় করেছেন। যানবাহন চলাচলেও কিছুটা ধীরগতি দেখা দেয়।

সিলোনিয়া হাটে গরু বিক্রি করতে এসেছেন মো. শাহ আলম। তিনি বলেন, বৃষ্টি থাকায় প্রথমে মনে হয়েছিল ক্রেতা কম হবে, কিন্তু দুপুরের পর থেকে মানুষ বাড়তে শুরু করেছে। ছোট গরু আর ছাগলের চাহিদা বেশি দেখা যাচ্ছে।

ছাগল বিক্রেতা নুরুল ইসলাম বলেন, মাঝারি দামের পশুর প্রতি মানুষের আগ্রহ বেশি। ক্রেতারা ঘুরে ঘুরে দাম যাচাই করছেন। বৃষ্টি উপেক্ষা করেও হাটে মানুষের উপস্থিতি সন্তোষজনক।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, এবারের কোরবানিতে পশু বেচাকেনায় জেলার ছয় উপজেলায় স্থায়ী ও অস্থায়ীভাবে ১২৯টি পশুর হাট বসেছে।

ফেনীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মু. সাইফুল ইসলাম জানান, কোরবানির পশুর হাটগুলোকে কেন্দ্র করে জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশের পক্ষ থেকে ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথ ও হাটের আশপাশ এলাকায় টহল জোরদার করা হয়েছে, যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা, চুরি, ছিনতাই কিংবা জাল টাকার লেনদেন না ঘটে। তিনি আরও বলেন, ক্রেতা ও বিক্রেতাদের নিরাপদে বেচাকেনার পরিবেশ নিশ্চিত করতে ব্যাংকের সহযোগিতায় বিভিন্ন পশুর হাটে জাল টাকা শনাক্তকরণ মেশিন স্থাপন করা হয়েছে। এসব মেশিনের মাধ্যমে দ্রুত নোট যাচাই করা সম্ভব হবে।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত