ফেনী ও দাগনভূঞা প্রতিনিধি

পূজা দেখে বাড়ি ফেরার পথে ফেনীর দাগনভূঞায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় তিনজনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। আজ সোমবার রাতে উপজেলার বেকের বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা নোয়াখালী থেকে পূজা দেখার জন্য ফেনীতে আসেন।
নিহত ব্যক্তিরা হলেন নোয়াখালীর বসুরহাট জুগিদিয়া গ্রামের কৃষ্ণ ঘোষের ছেলে এসএসসি পরীক্ষার্থী অন্তর ঘোষ (১৮), বেগমগঞ্জ থানার আলীপুর গ্রামের কৃষ্ণ গোপালের ছেলে সৌরভ (২৩), কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বিরহিমপুর গ্রামের মনোরঞ্জন বৈষ্ণবের ছেলে দেবু বৈষ্ণব (২১)।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, রাত আনুমানিক ৮টার দিকে তিন বন্ধু মোটরসাইকেলযোগে ফেনী থেকে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে যাচ্ছিলেন। পথে বেকের বাজারসংলগ্ন আশ্রাফপুর এলাকায় পৌঁছালে সড়কের পাশে থাকা গাছের সঙ্গে মোটরসাইকেলের ধাক্কা লাগে। পরে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কে পড়ে গেলে দুজনকে একটি গাড়ি চাপা দিয়ে চলে যায়।
ঘটনাস্থলে সৌরভ ও দেবুর মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত আরেকজনকে স্থানীয়দের সহযোগিতায় উদ্ধার করে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
প্রত্যক্ষদর্শী অটোরিকশাচালক দেলোয়ার হোসেন বলেন, ভাড়া নিয়ে ফেনী থেকে দাগনভূঞা যাচ্ছিলাম। মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় তিনজন রাস্তায় পড়ে ছিলেন। ঘটনাস্থলে দুজন মারা যান। তাঁদের মধ্যে সৌরভ নামের একজন তখনো জীবিত ছিলেন। পরে তাঁকে স্থানীয়দের সহযোগিতায় সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ফেনী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত অন্তর ঘোষের মাসি (খালা) প্রিয়াঙ্কা ঘোষ বলেন, ‘তারা তিন বন্ধু পূজা দেখতে নোয়াখালী থেকে ফেনীতে এসেছিল। পূজা দেখে বাড়ি ফেরার পথে দাগনভূঞায় দুর্ঘটনায় তারা মারা যায়। আমার বোনের একমাত্র ছেলের (অন্তর) এমন মর্মান্তিক মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছি না।’
ফেনী সদর জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক মো. সুজন বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই তাঁর (সৌরভ) মৃত্যু হয়েছে। জরুরি বিভাগে আনার পর তাঁকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এ ব্যাপারে মহিপাল হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. হারুনুর রশীদ বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে। অন্য একজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় ফেনী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

পূজা দেখে বাড়ি ফেরার পথে ফেনীর দাগনভূঞায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় তিনজনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। আজ সোমবার রাতে উপজেলার বেকের বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা নোয়াখালী থেকে পূজা দেখার জন্য ফেনীতে আসেন।
নিহত ব্যক্তিরা হলেন নোয়াখালীর বসুরহাট জুগিদিয়া গ্রামের কৃষ্ণ ঘোষের ছেলে এসএসসি পরীক্ষার্থী অন্তর ঘোষ (১৮), বেগমগঞ্জ থানার আলীপুর গ্রামের কৃষ্ণ গোপালের ছেলে সৌরভ (২৩), কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বিরহিমপুর গ্রামের মনোরঞ্জন বৈষ্ণবের ছেলে দেবু বৈষ্ণব (২১)।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, রাত আনুমানিক ৮টার দিকে তিন বন্ধু মোটরসাইকেলযোগে ফেনী থেকে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে যাচ্ছিলেন। পথে বেকের বাজারসংলগ্ন আশ্রাফপুর এলাকায় পৌঁছালে সড়কের পাশে থাকা গাছের সঙ্গে মোটরসাইকেলের ধাক্কা লাগে। পরে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কে পড়ে গেলে দুজনকে একটি গাড়ি চাপা দিয়ে চলে যায়।
ঘটনাস্থলে সৌরভ ও দেবুর মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত আরেকজনকে স্থানীয়দের সহযোগিতায় উদ্ধার করে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
প্রত্যক্ষদর্শী অটোরিকশাচালক দেলোয়ার হোসেন বলেন, ভাড়া নিয়ে ফেনী থেকে দাগনভূঞা যাচ্ছিলাম। মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় তিনজন রাস্তায় পড়ে ছিলেন। ঘটনাস্থলে দুজন মারা যান। তাঁদের মধ্যে সৌরভ নামের একজন তখনো জীবিত ছিলেন। পরে তাঁকে স্থানীয়দের সহযোগিতায় সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ফেনী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত অন্তর ঘোষের মাসি (খালা) প্রিয়াঙ্কা ঘোষ বলেন, ‘তারা তিন বন্ধু পূজা দেখতে নোয়াখালী থেকে ফেনীতে এসেছিল। পূজা দেখে বাড়ি ফেরার পথে দাগনভূঞায় দুর্ঘটনায় তারা মারা যায়। আমার বোনের একমাত্র ছেলের (অন্তর) এমন মর্মান্তিক মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছি না।’
ফেনী সদর জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক মো. সুজন বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই তাঁর (সৌরভ) মৃত্যু হয়েছে। জরুরি বিভাগে আনার পর তাঁকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এ ব্যাপারে মহিপাল হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. হারুনুর রশীদ বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে। অন্য একজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় ফেনী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৭ ঘণ্টা আগে