সোনাগাজী (ফেনী) প্রতিনিধি

ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার ৯টি ইউনিয়নে আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এক সভায় সুষ্ঠুভাবে ভোট গ্রহণ নিশ্চিত করতে প্রার্থীদের প্রতি কঠোর বার্তা দিয়েছেন জেলা প্রশাসক। তিনি বলেছেন, ‘গায়ের জোরে ভোট নেবেন সেটা ভুলে যান। ভোটকেন্দ্রে ভোট হবে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ।’
আজ বৃহস্পতিবার ফেনী জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে প্রার্থী ও জনসাধারণের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা ও আচরণবিধি সংক্রান্ত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সোনাগাজী উপজেলা পরিষদ চত্বরে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক আবু সেলিম মাহমুদ উল হাসান।
সভায় জেলা প্রশাসক বলেন, ‘ভোটারদের কোথাও বাধা দেওয়ার সুযোগ নেই। ভোটকেন্দ্রে যাবে শুধু ভোটাররা, কোনো বহিরাগত যাতে ভোটকেন্দ্রে যেতে না পারে সে জন্য সকল প্রশাসন সক্রিয় থাকবে। সাধারণ জনগণকে বলব, আপনারা নিশ্চিত থাকবেন। কেউ নিষেধ করলে শুনবেন না। প্রয়োজনে প্রশাসনের সহযোগিতা নিন।’
প্রার্থীদের প্রতি হুঁশিয়ারি দিয়ে ডিসি আবু সেলিম মাহমুদ উল হাসান বলেন, ‘গায়ের জোরে ভোট নেবেন সেটা ভুলে যান। ভোটকেন্দ্রে ভোট হবে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ। এখানে অপরাধকে আমার ব্যক্তিগত হিসেবে মেনে নেব। ভোট হচ্ছে চলমান প্রক্রিয়া। জয়-পরাজয় থাকবে। আপনারা সুন্দরভাবে এটি গ্রহণ করে নেবেন। শুধু ভোটারদের সমর্থন নিয়েই আপনাদের মধ্য থেকে জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হবে।’
সভায় পুলিশ প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে ডিসি বলেন, কোনো সমস্যাকে যেন ছোট করে না নেওয়া হয়। সবকিছুর বিষয়ে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
জনগণ যেন নিজেদের ভোট নিজেরা দিতে পারে, সে জন্য প্রিসাইডিং কর্মকর্তাদের স্বচ্ছ থাকার আহ্বান জানিয়ে ডিসি বলেন, ‘আপনারা ভোটের দিন ম্যাজিস্ট্রেটের মতো থাকবেন। আপনারা যদি কোনো অন্যায় কাজের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হন তবে আপনাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ভোটের গোপনীয়তা যদি রক্ষা না হয়, কোনো কারণে ব্যর্থ হয়, তাহলে প্রিসাইডিং অফিসারদের দায়ী করা হবে। আর যদি কেউ ভোটকেন্দ্র দখল করার চেষ্টা করে, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে ভোট নেওয়া স্থগিত করে দেবেন।’
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন উপজেলা চেয়ারম্যান জহির উদ্দিন মাহমুদ লিপটন। তিনি বলেন, ‘ভোট ঈদের আমেজ নিয়ে এসেছে। উপজেলার সব ইউনিয়নে মিছিল মিটিং শোভাযাত্রা আনন্দমুখর পরিবেশে চলছে। এখন পর্যন্ত যে পরিবেশ রয়েছে তা ২৬ তারিখে নষ্ট হতে দেব না। সকল প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সমন্বয়ে আমরা সুষ্ঠু নির্বাচনের বিষয়ে ঐক্যবদ্ধ।’
জেলা পুলিশ সুপার আব্দুল্যাহ আল মামুন তাঁর বক্তব্য বলেন, ‘প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা চাইলে সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব হবে। কোথাও কোনো সমস্যা হলে প্রশাসনকে জানান। এমন আচরণ করবেন না প্রশাসনিকভাবে যাতে পুলিশকে কঠোর হতে হয়।’
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা নাছির উদ্দিন পাটোয়ারী বলেন, ‘আমরা অবশ্যই আশা করছি সুষ্ঠু নির্বাচন হবে। ফেনী জেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে অবশ্যই এমন পরিবেশ সৃষ্টি করা হবে।’ এ সময় তিনি নির্বাচনকে উৎসবমুখর করে তোলার আহ্বান জানান।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এএম জহিরুল হায়াতের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে চেয়ারম্যান প্রার্থী সামছুল আরেফিন, হাজি আবু সুফিয়ান, মোশাররফ হোসেন মিলন, এম এ হোসেন, এম এ তাহের, মুফতি আব্দুর রহমান ফরহাদ, ফখরুদ্দিন রাজী, মাওলানা ওসমান গনি আশেকী, প্রফেসর নাফিজ উদ্দিন, সিরাজুল ইসলাম সিরাজসহ সাধারণ ও সংরক্ষিত (নারী) ইউপি সদস্য প্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় তাঁরা নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশের ব্যবস্থা করতে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান।

ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার ৯টি ইউনিয়নে আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এক সভায় সুষ্ঠুভাবে ভোট গ্রহণ নিশ্চিত করতে প্রার্থীদের প্রতি কঠোর বার্তা দিয়েছেন জেলা প্রশাসক। তিনি বলেছেন, ‘গায়ের জোরে ভোট নেবেন সেটা ভুলে যান। ভোটকেন্দ্রে ভোট হবে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ।’
আজ বৃহস্পতিবার ফেনী জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে প্রার্থী ও জনসাধারণের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা ও আচরণবিধি সংক্রান্ত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সোনাগাজী উপজেলা পরিষদ চত্বরে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক আবু সেলিম মাহমুদ উল হাসান।
সভায় জেলা প্রশাসক বলেন, ‘ভোটারদের কোথাও বাধা দেওয়ার সুযোগ নেই। ভোটকেন্দ্রে যাবে শুধু ভোটাররা, কোনো বহিরাগত যাতে ভোটকেন্দ্রে যেতে না পারে সে জন্য সকল প্রশাসন সক্রিয় থাকবে। সাধারণ জনগণকে বলব, আপনারা নিশ্চিত থাকবেন। কেউ নিষেধ করলে শুনবেন না। প্রয়োজনে প্রশাসনের সহযোগিতা নিন।’
প্রার্থীদের প্রতি হুঁশিয়ারি দিয়ে ডিসি আবু সেলিম মাহমুদ উল হাসান বলেন, ‘গায়ের জোরে ভোট নেবেন সেটা ভুলে যান। ভোটকেন্দ্রে ভোট হবে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ। এখানে অপরাধকে আমার ব্যক্তিগত হিসেবে মেনে নেব। ভোট হচ্ছে চলমান প্রক্রিয়া। জয়-পরাজয় থাকবে। আপনারা সুন্দরভাবে এটি গ্রহণ করে নেবেন। শুধু ভোটারদের সমর্থন নিয়েই আপনাদের মধ্য থেকে জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হবে।’
সভায় পুলিশ প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে ডিসি বলেন, কোনো সমস্যাকে যেন ছোট করে না নেওয়া হয়। সবকিছুর বিষয়ে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
জনগণ যেন নিজেদের ভোট নিজেরা দিতে পারে, সে জন্য প্রিসাইডিং কর্মকর্তাদের স্বচ্ছ থাকার আহ্বান জানিয়ে ডিসি বলেন, ‘আপনারা ভোটের দিন ম্যাজিস্ট্রেটের মতো থাকবেন। আপনারা যদি কোনো অন্যায় কাজের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হন তবে আপনাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ভোটের গোপনীয়তা যদি রক্ষা না হয়, কোনো কারণে ব্যর্থ হয়, তাহলে প্রিসাইডিং অফিসারদের দায়ী করা হবে। আর যদি কেউ ভোটকেন্দ্র দখল করার চেষ্টা করে, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে ভোট নেওয়া স্থগিত করে দেবেন।’
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন উপজেলা চেয়ারম্যান জহির উদ্দিন মাহমুদ লিপটন। তিনি বলেন, ‘ভোট ঈদের আমেজ নিয়ে এসেছে। উপজেলার সব ইউনিয়নে মিছিল মিটিং শোভাযাত্রা আনন্দমুখর পরিবেশে চলছে। এখন পর্যন্ত যে পরিবেশ রয়েছে তা ২৬ তারিখে নষ্ট হতে দেব না। সকল প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সমন্বয়ে আমরা সুষ্ঠু নির্বাচনের বিষয়ে ঐক্যবদ্ধ।’
জেলা পুলিশ সুপার আব্দুল্যাহ আল মামুন তাঁর বক্তব্য বলেন, ‘প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা চাইলে সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব হবে। কোথাও কোনো সমস্যা হলে প্রশাসনকে জানান। এমন আচরণ করবেন না প্রশাসনিকভাবে যাতে পুলিশকে কঠোর হতে হয়।’
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা নাছির উদ্দিন পাটোয়ারী বলেন, ‘আমরা অবশ্যই আশা করছি সুষ্ঠু নির্বাচন হবে। ফেনী জেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে অবশ্যই এমন পরিবেশ সৃষ্টি করা হবে।’ এ সময় তিনি নির্বাচনকে উৎসবমুখর করে তোলার আহ্বান জানান।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এএম জহিরুল হায়াতের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে চেয়ারম্যান প্রার্থী সামছুল আরেফিন, হাজি আবু সুফিয়ান, মোশাররফ হোসেন মিলন, এম এ হোসেন, এম এ তাহের, মুফতি আব্দুর রহমান ফরহাদ, ফখরুদ্দিন রাজী, মাওলানা ওসমান গনি আশেকী, প্রফেসর নাফিজ উদ্দিন, সিরাজুল ইসলাম সিরাজসহ সাধারণ ও সংরক্ষিত (নারী) ইউপি সদস্য প্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় তাঁরা নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশের ব্যবস্থা করতে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৩ ঘণ্টা আগে