ফেনী প্রতিনিধি

ফেনীতে গরু ব্যবসায়ী হত্যা মামলার প্রধান আসামি ও পৌর কাউন্সিলর আবুল কালামকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। গতকাল রোববার ফেনীর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত আসামির জামিন আবেদন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এর আগে এক বছর আট মাস পলাতক থাকার পর গরু ব্যবসায়ী হত্যা মামলার প্রধান আসামি আবুল কালাম গতকাল আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন।
জানা যায়, ২০২১ সালের ১৫ জুলাই রাতে কোরবানির ঈদের আগে কিশোরগঞ্জ থেকে শাহজালালসহ কয়েক জন মৌসুমি গরু ব্যবসায়ী ট্রাকে করে গরু নিয়ে পৌরসভার সুলতানপুরে আসেন। ওই রাতে সহযোগীদের নিয়ে ট্রাকের গরু লুট করতে যান পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম। এতে বাঁধা দিতে আসলে শাহজালালকে গুলি করে হত্যার পর পার্শ্ববর্তী পুকুরে লাশ ফেলে দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় নিহতের চাচাতো ভাই আল আমিন বাদী হয়ে কাউন্সিলর আবুল কালাম, তার ভাতিজা আশরাফ হোসেন রাজু ও সহযোগী নাঈমুল হাসানের নাম উল্লেখ করে ফেনী মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে কালামের সহযোগী আশরাফ হোসেন ও নাঈমুল হাসানকে গ্রেপ্তার এবং কালামের রক্তমাখা শার্ট উদ্ধার করে। পরে নাঈমুল আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
চাঞ্চল্যকর মামলাটি তদন্ত শেষে ফেনী মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক আবদুর রহীম সরকার ২০২২ সালের ৩০ জুন আদালতে তিনজনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট জমা দেন। ২৫ সেপ্টেম্বর আদালত তা আমলে নিয়ে কার্যক্রম শুরু করেন।
এ দিকে গরু ব্যবসায়ী হত্যা মামলার আসামি হওয়ার পরও আবুল কালাম কাউন্সিলর পদের বহাল থাকা নিয়ে জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। জানতে চাইলে ফেনী পৌরসভার মেয়র স্বপন মিয়াজী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা তার অনুপস্থিত থাকার বিষয়টি মন্ত্রণালয় অবহিত করেছি। মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ পেলে তার পদটি শূন্য ঘোষণা করা হবে।’

ফেনীতে গরু ব্যবসায়ী হত্যা মামলার প্রধান আসামি ও পৌর কাউন্সিলর আবুল কালামকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। গতকাল রোববার ফেনীর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত আসামির জামিন আবেদন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এর আগে এক বছর আট মাস পলাতক থাকার পর গরু ব্যবসায়ী হত্যা মামলার প্রধান আসামি আবুল কালাম গতকাল আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন।
জানা যায়, ২০২১ সালের ১৫ জুলাই রাতে কোরবানির ঈদের আগে কিশোরগঞ্জ থেকে শাহজালালসহ কয়েক জন মৌসুমি গরু ব্যবসায়ী ট্রাকে করে গরু নিয়ে পৌরসভার সুলতানপুরে আসেন। ওই রাতে সহযোগীদের নিয়ে ট্রাকের গরু লুট করতে যান পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম। এতে বাঁধা দিতে আসলে শাহজালালকে গুলি করে হত্যার পর পার্শ্ববর্তী পুকুরে লাশ ফেলে দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় নিহতের চাচাতো ভাই আল আমিন বাদী হয়ে কাউন্সিলর আবুল কালাম, তার ভাতিজা আশরাফ হোসেন রাজু ও সহযোগী নাঈমুল হাসানের নাম উল্লেখ করে ফেনী মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে কালামের সহযোগী আশরাফ হোসেন ও নাঈমুল হাসানকে গ্রেপ্তার এবং কালামের রক্তমাখা শার্ট উদ্ধার করে। পরে নাঈমুল আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
চাঞ্চল্যকর মামলাটি তদন্ত শেষে ফেনী মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক আবদুর রহীম সরকার ২০২২ সালের ৩০ জুন আদালতে তিনজনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট জমা দেন। ২৫ সেপ্টেম্বর আদালত তা আমলে নিয়ে কার্যক্রম শুরু করেন।
এ দিকে গরু ব্যবসায়ী হত্যা মামলার আসামি হওয়ার পরও আবুল কালাম কাউন্সিলর পদের বহাল থাকা নিয়ে জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। জানতে চাইলে ফেনী পৌরসভার মেয়র স্বপন মিয়াজী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা তার অনুপস্থিত থাকার বিষয়টি মন্ত্রণালয় অবহিত করেছি। মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ পেলে তার পদটি শূন্য ঘোষণা করা হবে।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৭ ঘণ্টা আগে