দাগনভূঞা (ফেনী) প্রতিনিধি

ফেনীতে একটি কোচিং সেন্টার থেকে ২৬ শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ বুধবার দুপুরে তাঁদের আদালতে তোলা হবে বলে জানা গেছে। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বিশেষ ক্ষমতা আইনে ফেনী শহরের শহীদ শহীদুল্লাহ কায়সার সড়কের ‘ফোকাস কোচিং সেন্টার’ থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ফেনী সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নিজাম উদ্দিন।
পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তারকৃতরা সবাই শিবিরের নেতা-কর্মী। গোপন বৈঠক করার সময় তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের সময় তাদের কাছ থেকে ককটেল, প্রচারপত্র ও বিভিন্ন ধরনের বেশ কিছু বই জব্দ করা হয়েছে।
এদিকে কোচিং সেন্টারের শিক্ষার্থীরা বলছে, মঙ্গলবার কোচিং সেন্টারে বিতর্ক প্রতিযোগিতা, ব্যাচ সমাপনী ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠান চলছিল। এ সময় হঠাৎ পুলিশ গিয়ে কোচিং সেন্টারের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ধরে থানায় নিয়ে যায়। সেখানে জামায়াত বা শিবিরের কোনো কর্মসূচি ছিল না।
গ্রেপ্তারকৃত শিক্ষার্থীরা হলেন—মো. মেহেদী হাসান (২১), নূর মোহাম্মদ (২৩), মুরতাছির আহম্মদ (১৯), মো. নুর নবী (২০), মোহাইমিনুল ইসলাম (২১), নোমায়ের বিন হোসাইন (১৯), মো. আবুল্লাহ আল ফাহাদ (২০), মো. হাবিব উল্যাহ (১৮), মো. সায়েম (১৮), জাহিদ হোসেন (২৪), মো. জুনায়েদ (১৯), মো. শাহিদুল ইসলাম (২৮), জহিরুল ইসলাম (২০), মো. মোরশেদুল ইসলাম (১৯), মো. শহীদুল ইসলাম (২০) . মো. সেজান (১৯), মো. সৌরভ হোসেন (২০), ইয়াছিন আরাফাত (২০) . মো. ফাহিম (১৯), মো. আনিছুর রহমান (২১), আবু জাফর (২৫), আবদুল আলিম (২১), আবদুল কাদের (২৫), তাহমিদ শাহরিয়ার (১৯), আজিমুন করিম (২০) ও মো. আরিফ (১৯)।
পুলিশ বলছে, ছাত্রশিবিরের কতিপয় নেতার নেতৃত্বে ওই কোচিং সেন্টারে বেশ কিছু দিন ধরে রাষ্ট্র ও সরকারবিরোধী কার্যক্রম চলছিল। গতকাল সন্ধ্যায় ওই কোচিং সেন্টারে ছাত্রশিবিরের গোপন বৈঠক চলছে খবরের ভিত্তিতে পুলিশ সেখানে অভিযান চালায়। পরে ২৬ জনকে গ্রেপ্তার করার পর ওই সেন্টারে ব্যাপক তল্লাশি চালিয়ে প্রচুর পরিমাণ শিবিরের প্রচারপত্র, বিভিন্ন ধরনের বই, ব্যানার, ফেস্টুন জব্দ করা হয়। অভিযান চলাকালীন তাঁরা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করেন। এ ছাড়া ওই কোচিং সেন্টারে অতি গোপনে লুকিয়ে রাখা ৬টি তাজা ককটেল উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে পুলিশ বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছে।
ফেনী সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নিজাম উদ্দিন বলেন, ‘শিবিরের গোপন বৈঠক চলাকালে শহরের একটি কোচিং সেন্টার থেকে ২৬ জনকে গ্রেপ্তার, প্রচুর পরিমাণ প্রচারপত্র, বিভিন্ন ধরনের বেশ কিছু বই, ব্যানার, ফেস্টু ন জব্দ এবং ছয়টি তাজা ককটেল উদ্ধার করা হয়েছে।
ওসি নিজাম উদ্দিন আরও বলেন, ‘গ্রেপ্তারকৃতদের আজ (বুধবার) দুপুরে আদালতে হাজির করা হবে।’

ফেনীতে একটি কোচিং সেন্টার থেকে ২৬ শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ বুধবার দুপুরে তাঁদের আদালতে তোলা হবে বলে জানা গেছে। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বিশেষ ক্ষমতা আইনে ফেনী শহরের শহীদ শহীদুল্লাহ কায়সার সড়কের ‘ফোকাস কোচিং সেন্টার’ থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ফেনী সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নিজাম উদ্দিন।
পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তারকৃতরা সবাই শিবিরের নেতা-কর্মী। গোপন বৈঠক করার সময় তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের সময় তাদের কাছ থেকে ককটেল, প্রচারপত্র ও বিভিন্ন ধরনের বেশ কিছু বই জব্দ করা হয়েছে।
এদিকে কোচিং সেন্টারের শিক্ষার্থীরা বলছে, মঙ্গলবার কোচিং সেন্টারে বিতর্ক প্রতিযোগিতা, ব্যাচ সমাপনী ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠান চলছিল। এ সময় হঠাৎ পুলিশ গিয়ে কোচিং সেন্টারের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ধরে থানায় নিয়ে যায়। সেখানে জামায়াত বা শিবিরের কোনো কর্মসূচি ছিল না।
গ্রেপ্তারকৃত শিক্ষার্থীরা হলেন—মো. মেহেদী হাসান (২১), নূর মোহাম্মদ (২৩), মুরতাছির আহম্মদ (১৯), মো. নুর নবী (২০), মোহাইমিনুল ইসলাম (২১), নোমায়ের বিন হোসাইন (১৯), মো. আবুল্লাহ আল ফাহাদ (২০), মো. হাবিব উল্যাহ (১৮), মো. সায়েম (১৮), জাহিদ হোসেন (২৪), মো. জুনায়েদ (১৯), মো. শাহিদুল ইসলাম (২৮), জহিরুল ইসলাম (২০), মো. মোরশেদুল ইসলাম (১৯), মো. শহীদুল ইসলাম (২০) . মো. সেজান (১৯), মো. সৌরভ হোসেন (২০), ইয়াছিন আরাফাত (২০) . মো. ফাহিম (১৯), মো. আনিছুর রহমান (২১), আবু জাফর (২৫), আবদুল আলিম (২১), আবদুল কাদের (২৫), তাহমিদ শাহরিয়ার (১৯), আজিমুন করিম (২০) ও মো. আরিফ (১৯)।
পুলিশ বলছে, ছাত্রশিবিরের কতিপয় নেতার নেতৃত্বে ওই কোচিং সেন্টারে বেশ কিছু দিন ধরে রাষ্ট্র ও সরকারবিরোধী কার্যক্রম চলছিল। গতকাল সন্ধ্যায় ওই কোচিং সেন্টারে ছাত্রশিবিরের গোপন বৈঠক চলছে খবরের ভিত্তিতে পুলিশ সেখানে অভিযান চালায়। পরে ২৬ জনকে গ্রেপ্তার করার পর ওই সেন্টারে ব্যাপক তল্লাশি চালিয়ে প্রচুর পরিমাণ শিবিরের প্রচারপত্র, বিভিন্ন ধরনের বই, ব্যানার, ফেস্টুন জব্দ করা হয়। অভিযান চলাকালীন তাঁরা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করেন। এ ছাড়া ওই কোচিং সেন্টারে অতি গোপনে লুকিয়ে রাখা ৬টি তাজা ককটেল উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে পুলিশ বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছে।
ফেনী সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নিজাম উদ্দিন বলেন, ‘শিবিরের গোপন বৈঠক চলাকালে শহরের একটি কোচিং সেন্টার থেকে ২৬ জনকে গ্রেপ্তার, প্রচুর পরিমাণ প্রচারপত্র, বিভিন্ন ধরনের বেশ কিছু বই, ব্যানার, ফেস্টু ন জব্দ এবং ছয়টি তাজা ককটেল উদ্ধার করা হয়েছে।
ওসি নিজাম উদ্দিন আরও বলেন, ‘গ্রেপ্তারকৃতদের আজ (বুধবার) দুপুরে আদালতে হাজির করা হবে।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
২ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
২ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৩ ঘণ্টা আগে