পরশুরাম (ফেনী) প্রতিনিধি

ফেনীর পরশুরামে শিশু উম্মে সালমা লামিয়া (৭) হত্যার ঘটনায় থানায় মামলা করা হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত দোষী শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। তবে পুলিশের ধারণা, শিশুটির হত্যার পেছনে তার মায়ের হাত থাকতে পারে।
পরশুরাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহাদাত হোসেন খান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘নুরুন্নবীর সাবেক স্ত্রী আয়েশার পরিকল্পনায় এই ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। ঘটনার চার দিন আগে আয়েশা পরশুরামে আসেন। তবে বিষয়টি এখনো নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হয়নি। ঘটনা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। আশা করি, দ্রুততম সময়ের মধ্যে দোষীদের আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।’
ওসি শাহাদাত হোসেন খান আরও বলেন, নিহত লামিয়ার বড় বোন নিহা কথা অনুযায়ী সে হত্যাকারীদের দেখলে চিনবে। সে জানায়, দুজনই মাথায় হেলমেট পরা থাকলেও বাসায় ঢুকে হেলমেট খুলে ফেলেন। তাঁদের মধ্যে একজনের গায়ের রং কালো, সামান্য মোটা। আগেও তাদের দুজনকে পরশুরাম স্টেশন রোডে দেখেছে সে। দুজনের সঙ্গেই তার মায়ের পরিচয় ছিল।
এর আগে গতকাল মঙ্গলবার রাতে লামিয়ার বাবা মো. নুরুন্নবী বাদী হয়ে পরশুরাম থানায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেছেন। হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন করতে পুলিশ লামিয়ার মা আয়েশা ও সৎমা রেহানাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। এদিকে আজ বুধবার দুপুরে ফেনী সদর হাসপাতালে লামিয়ার ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে।
আজ বুধবার সকালে ফেনীর পুলিশ সুপার (এসপি) জাকির হাসান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। থানা হেফাজতে থাকা লামিয়ার মা আয়েশা, সৎমা রেহানা ও একমাত্র প্রত্যক্ষদর্শী লামিয়ার বড় বোন নিহার সঙ্গে কথা বলেন তিনি।
গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে হেলমেট পরা দুই যুবক বাসায় গিয়ে শিশু লামিয়াকে হাত-মুখ-পা বেঁধে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। এ সময় তার বড় বোন ফাতেমা আক্তার নিহা (১২) কৌশলে পালিয়ে পাশের কক্ষে ঢুকে দরজা আটকে দেয়। লামিয়াকে হত্যার পর দুই যুবক চলে গেলে নিহা দৌড়ে পাশের ঘরে গিয়ে আশ্রয় নেয়। পরে স্থানীয়রা নিহাকে উদ্ধার করে।

ফেনীর পরশুরামে শিশু উম্মে সালমা লামিয়া (৭) হত্যার ঘটনায় থানায় মামলা করা হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত দোষী শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। তবে পুলিশের ধারণা, শিশুটির হত্যার পেছনে তার মায়ের হাত থাকতে পারে।
পরশুরাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহাদাত হোসেন খান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘নুরুন্নবীর সাবেক স্ত্রী আয়েশার পরিকল্পনায় এই ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। ঘটনার চার দিন আগে আয়েশা পরশুরামে আসেন। তবে বিষয়টি এখনো নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হয়নি। ঘটনা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। আশা করি, দ্রুততম সময়ের মধ্যে দোষীদের আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।’
ওসি শাহাদাত হোসেন খান আরও বলেন, নিহত লামিয়ার বড় বোন নিহা কথা অনুযায়ী সে হত্যাকারীদের দেখলে চিনবে। সে জানায়, দুজনই মাথায় হেলমেট পরা থাকলেও বাসায় ঢুকে হেলমেট খুলে ফেলেন। তাঁদের মধ্যে একজনের গায়ের রং কালো, সামান্য মোটা। আগেও তাদের দুজনকে পরশুরাম স্টেশন রোডে দেখেছে সে। দুজনের সঙ্গেই তার মায়ের পরিচয় ছিল।
এর আগে গতকাল মঙ্গলবার রাতে লামিয়ার বাবা মো. নুরুন্নবী বাদী হয়ে পরশুরাম থানায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেছেন। হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন করতে পুলিশ লামিয়ার মা আয়েশা ও সৎমা রেহানাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। এদিকে আজ বুধবার দুপুরে ফেনী সদর হাসপাতালে লামিয়ার ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে।
আজ বুধবার সকালে ফেনীর পুলিশ সুপার (এসপি) জাকির হাসান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। থানা হেফাজতে থাকা লামিয়ার মা আয়েশা, সৎমা রেহানা ও একমাত্র প্রত্যক্ষদর্শী লামিয়ার বড় বোন নিহার সঙ্গে কথা বলেন তিনি।
গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে হেলমেট পরা দুই যুবক বাসায় গিয়ে শিশু লামিয়াকে হাত-মুখ-পা বেঁধে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। এ সময় তার বড় বোন ফাতেমা আক্তার নিহা (১২) কৌশলে পালিয়ে পাশের কক্ষে ঢুকে দরজা আটকে দেয়। লামিয়াকে হত্যার পর দুই যুবক চলে গেলে নিহা দৌড়ে পাশের ঘরে গিয়ে আশ্রয় নেয়। পরে স্থানীয়রা নিহাকে উদ্ধার করে।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
৪২ মিনিট আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে