ফেনী প্রতিনিধি

ফেনীতে জুতার ভেতরে লুকিয়ে রাখা ১০টি স্বর্ণের বারসহ দ্বীজেন ধর (৩৯) নামে এক বাসযাত্রীকে আটক করেছে পুলিশ। উদ্ধার হওয়া ওই স্বর্ণের ওজন ১ হাজার ১৬৬ গ্রাম। যার আনুমানিক মূল্য ১ কোটি ২০ লাখ টাকা। আজ রোববার সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান এই তথ্য জানান।
এর আগে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ফেনীর খাইয়ারা ঢাকামুখী একটি যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি করে তাঁকে আটক করা হয়। দ্বীজেন ধর চট্টগ্রামের রাউজান থানার কেউটিয়া বণিকপাড়ার মৃত শুধাংশু বিমল ধরের ছেলে।
পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান বলেন, ‘অবৈধ স্বর্ণ নিয়ে চট্টগ্রাম থেকে এক ব্যক্তি ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়েছেন—এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ফেনী মডেল থানার বোগদাদিয়া তদন্তকেন্দ্রের পুলিশ সদস্যরা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের খাইয়ারা এলাকায় অবস্থান নেয়। পরে ঢাকামুখী তিশা প্লাটিনাম পরিবহনের একটি বাস তল্লাশি করলে সন্দেহজনকভাবে দ্বীজেন ধরকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তাঁর কাছে স্বর্ণের বার রয়েছে বলে স্বীকারোক্তি দিলে পুলিশ সদস্যরা বিষয়টি আমাকে অবগত করেন।’
পুলিশ সুপার বলেন, ‘পরবর্তীকালে জেলা প্রশাসক ও সেনাবাহিনীকে জানিয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে ঘটনাস্থলে তাঁকে তল্লাশি করা হয়েছে। এ সময় তাঁর জুতার ভেতর থেকে বিশেষ কৌশলে রাখা ১০টি স্বর্ণের বার জব্দ করা হয়। যার আনুমানিক মূল্য ১ কোটি ২০ লাখ টাকা। আটকের পর ওই ব্যক্তি জব্দকৃত স্বর্ণের বার-সংক্রান্ত কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আটক ব্যক্তি অবৈধভাবে শুল্ক-কর ফাঁকি দিয়ে অন্য দেশ থেকে স্বর্ণের চোরাচালানে জড়িত। তাঁর বিরুদ্ধে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৫-খ ধারায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।’
এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) দীন মোহাম্মদ, ফেনী মডেল থানা-পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মর্ম সিংহ ত্রিপুরাসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ফেনীতে জুতার ভেতরে লুকিয়ে রাখা ১০টি স্বর্ণের বারসহ দ্বীজেন ধর (৩৯) নামে এক বাসযাত্রীকে আটক করেছে পুলিশ। উদ্ধার হওয়া ওই স্বর্ণের ওজন ১ হাজার ১৬৬ গ্রাম। যার আনুমানিক মূল্য ১ কোটি ২০ লাখ টাকা। আজ রোববার সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান এই তথ্য জানান।
এর আগে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ফেনীর খাইয়ারা ঢাকামুখী একটি যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি করে তাঁকে আটক করা হয়। দ্বীজেন ধর চট্টগ্রামের রাউজান থানার কেউটিয়া বণিকপাড়ার মৃত শুধাংশু বিমল ধরের ছেলে।
পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান বলেন, ‘অবৈধ স্বর্ণ নিয়ে চট্টগ্রাম থেকে এক ব্যক্তি ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়েছেন—এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ফেনী মডেল থানার বোগদাদিয়া তদন্তকেন্দ্রের পুলিশ সদস্যরা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের খাইয়ারা এলাকায় অবস্থান নেয়। পরে ঢাকামুখী তিশা প্লাটিনাম পরিবহনের একটি বাস তল্লাশি করলে সন্দেহজনকভাবে দ্বীজেন ধরকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তাঁর কাছে স্বর্ণের বার রয়েছে বলে স্বীকারোক্তি দিলে পুলিশ সদস্যরা বিষয়টি আমাকে অবগত করেন।’
পুলিশ সুপার বলেন, ‘পরবর্তীকালে জেলা প্রশাসক ও সেনাবাহিনীকে জানিয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে ঘটনাস্থলে তাঁকে তল্লাশি করা হয়েছে। এ সময় তাঁর জুতার ভেতর থেকে বিশেষ কৌশলে রাখা ১০টি স্বর্ণের বার জব্দ করা হয়। যার আনুমানিক মূল্য ১ কোটি ২০ লাখ টাকা। আটকের পর ওই ব্যক্তি জব্দকৃত স্বর্ণের বার-সংক্রান্ত কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আটক ব্যক্তি অবৈধভাবে শুল্ক-কর ফাঁকি দিয়ে অন্য দেশ থেকে স্বর্ণের চোরাচালানে জড়িত। তাঁর বিরুদ্ধে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৫-খ ধারায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।’
এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) দীন মোহাম্মদ, ফেনী মডেল থানা-পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মর্ম সিংহ ত্রিপুরাসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
২ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
২ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৩ ঘণ্টা আগে