ফরিদপুর প্রতিনিধি

ফরিদপুরের কানাইপুরে যুবককে তুলে নিয়ে নির্যাতন করে হত্যার ঘটনায় লাশ নিয়ে সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ করেছে এলাকাবাসী। আজ শনিবার প্রায় ঘণ্টাব্যাপী ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের কানাইপুর বাজার এলাকায় বিক্ষোভ করে তারা।
এ সময় বিক্ষুব্ধরা ঘটনার জন্য দায়ী করে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান শাহ মুহাম্মদ আলতাফ হোসেন ও তাঁর ভাই খায়রুজ্জামান খাজাসহ জড়িত আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান।
এর আগে গতকাল শুক্রবার ওবায়দুর খানকে (২৮) তুলে নিয়ে নির্যাতনের ঘটনা ঘটে। এ সময় তাঁর দুই চোখে পেরেক ঢুকিয়ে খোঁচানো হয় এবং পায়ের রগ কেটে দেয় দুর্বৃত্তরা। রাত ৯টার দিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান তিনি।
নিহত ওবায়দুর সদর উপজেলার কানাইপুর ইউনিয়নের ঝাউখোলা গ্রামের বিল্লাল খানের ছোট ছেলে এবং পেশায় কৃষি ও কাঠমিস্ত্রির কাজ করতেন। তাঁর পাঁচ মাসের একটি পুত্রসন্তান রয়েছে।
পরিবার ও স্বজনেরা জানান, ঘটনা দিন বেলা সাড়ে ৩টার দিকে কানাইপুর বিসিক শিল্পনগরীর মমতাজ ফিলিং স্টেশনে মোটরসাইকেলের তেল কিনতে যান ওবায়দুর। পেছন থেকে একটি প্রাইভেট কারে খায়রুজ্জামান খাজার নেতৃত্বে ১০-১২ জন মিলে তাকে তুলে নিয়ে যায়। পরে ফরিদপুর জুট ফাইবার্স মিলের পেছনে খাজার বাড়ির পাশে নিয়ে অমানবিক নির্যাতন করে।

এ সময় তার দুই চোখে লোহার পেরেক দিয়ে খোঁচানো হয় এবং বাঁ পায়ের রগ কেটে দেয়। পরে স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
রাত ৯টার দিকে ঢাকায় নেওয়ার পথে ভাঙ্গা-ঢাকা এক্সপ্রেসওয়ের টোল প্লাজা এলাকায় তাঁর অবস্থার অবনতি ঘটে। সেখান থেকে জরুরিভাবে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান স্বজনেরা। পরে পুনরায় ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে আজ বিকেলে নিহত ওবায়দুর খানের লাশ এলাকায় আনলে ক্ষোভে ফেটে পড়ে স্থানীয়রা। এ সময় বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করে। একপর্যায়ে মহাসড়কে বসে পড়ে তারা। এ সময় সড়কের দুপাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে থানা-পুলিশের আশ্বাসে অবরোধ তুলে নেয় স্থানীয়রা।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এলাকায় সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত খাজা। তাঁর নামে এলাকায় খাজা বাহিনী গড়ে উঠেছে। আওয়ামী লীগের আমলে সাবেক মন্ত্রী আবদুর রহমানের ছত্রচ্ছায়ায় ছিলেন তিনি। তৎকালীন সময়ে আবদুর রহমানের হস্তক্ষেপে একটি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি হয়েও খালাস পান তিনি।
পরে এলাকায় ফিরে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেন। ৫ আগস্টের পরে জেলা বিএনপির এক নেতার সমর্থক পরিচয়ে পুনরায় ত্রাসের রাজত্ব শুরু করেন। তাঁর দলে না ভিড়লে হুমকি-ধমকিসহ করা হয় নির্যাতন।

নিহতের বাবা বিল্লাল খান বলেন, ‘আমরা নায়াব আপার (চৌধুরী নায়াব ইউসুফ–বিএনপির কেন্দ্রীয় মহিলা দলের যুগ্ম সম্পাদক) লোক। গতকাল ইছা ভাইয়ের (জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ মোদাররেছ আলী ইছা) মিটিংয়ে যাওয়ার জন্য খাজা আমাদের বলে যায়। আমরা ওই মিটিংয়ে না যাওয়ার কারণেই আমার ছেলেকে তুইল্যা নিয়ে মাইর্যা ফেলায়ছে। আমি এই হত্যার বিচার চাই। ওর (খাজা) ফাঁসি না হলে আরও মানুষ মরবে।’ এ সময় তিনি মোবাইলে খায়রুজ্জামান খাজার ছবি দেখিয়ে বলেন, ‘ও (খাজা) আর আলতাব চেয়ারম্যান অর্ডার দিয়েই আমার ছেলেকে মারছে।’
জানতে চাইলে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদউজ্জামান বলেন, ‘লাশ দাফন শেষে পরিবারকে আসতে বলা হয়েছে, রাতেই হত্যা মামলা হিসেবে নেওয়া হবে। এ ছাড়া জড়িতদের আটক করতে অভিযান অব্যাহত আছে।’

ফরিদপুরের কানাইপুরে যুবককে তুলে নিয়ে নির্যাতন করে হত্যার ঘটনায় লাশ নিয়ে সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ করেছে এলাকাবাসী। আজ শনিবার প্রায় ঘণ্টাব্যাপী ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের কানাইপুর বাজার এলাকায় বিক্ষোভ করে তারা।
এ সময় বিক্ষুব্ধরা ঘটনার জন্য দায়ী করে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান শাহ মুহাম্মদ আলতাফ হোসেন ও তাঁর ভাই খায়রুজ্জামান খাজাসহ জড়িত আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান।
এর আগে গতকাল শুক্রবার ওবায়দুর খানকে (২৮) তুলে নিয়ে নির্যাতনের ঘটনা ঘটে। এ সময় তাঁর দুই চোখে পেরেক ঢুকিয়ে খোঁচানো হয় এবং পায়ের রগ কেটে দেয় দুর্বৃত্তরা। রাত ৯টার দিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান তিনি।
নিহত ওবায়দুর সদর উপজেলার কানাইপুর ইউনিয়নের ঝাউখোলা গ্রামের বিল্লাল খানের ছোট ছেলে এবং পেশায় কৃষি ও কাঠমিস্ত্রির কাজ করতেন। তাঁর পাঁচ মাসের একটি পুত্রসন্তান রয়েছে।
পরিবার ও স্বজনেরা জানান, ঘটনা দিন বেলা সাড়ে ৩টার দিকে কানাইপুর বিসিক শিল্পনগরীর মমতাজ ফিলিং স্টেশনে মোটরসাইকেলের তেল কিনতে যান ওবায়দুর। পেছন থেকে একটি প্রাইভেট কারে খায়রুজ্জামান খাজার নেতৃত্বে ১০-১২ জন মিলে তাকে তুলে নিয়ে যায়। পরে ফরিদপুর জুট ফাইবার্স মিলের পেছনে খাজার বাড়ির পাশে নিয়ে অমানবিক নির্যাতন করে।

এ সময় তার দুই চোখে লোহার পেরেক দিয়ে খোঁচানো হয় এবং বাঁ পায়ের রগ কেটে দেয়। পরে স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
রাত ৯টার দিকে ঢাকায় নেওয়ার পথে ভাঙ্গা-ঢাকা এক্সপ্রেসওয়ের টোল প্লাজা এলাকায় তাঁর অবস্থার অবনতি ঘটে। সেখান থেকে জরুরিভাবে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান স্বজনেরা। পরে পুনরায় ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে আজ বিকেলে নিহত ওবায়দুর খানের লাশ এলাকায় আনলে ক্ষোভে ফেটে পড়ে স্থানীয়রা। এ সময় বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করে। একপর্যায়ে মহাসড়কে বসে পড়ে তারা। এ সময় সড়কের দুপাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে থানা-পুলিশের আশ্বাসে অবরোধ তুলে নেয় স্থানীয়রা।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এলাকায় সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত খাজা। তাঁর নামে এলাকায় খাজা বাহিনী গড়ে উঠেছে। আওয়ামী লীগের আমলে সাবেক মন্ত্রী আবদুর রহমানের ছত্রচ্ছায়ায় ছিলেন তিনি। তৎকালীন সময়ে আবদুর রহমানের হস্তক্ষেপে একটি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি হয়েও খালাস পান তিনি।
পরে এলাকায় ফিরে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেন। ৫ আগস্টের পরে জেলা বিএনপির এক নেতার সমর্থক পরিচয়ে পুনরায় ত্রাসের রাজত্ব শুরু করেন। তাঁর দলে না ভিড়লে হুমকি-ধমকিসহ করা হয় নির্যাতন।

নিহতের বাবা বিল্লাল খান বলেন, ‘আমরা নায়াব আপার (চৌধুরী নায়াব ইউসুফ–বিএনপির কেন্দ্রীয় মহিলা দলের যুগ্ম সম্পাদক) লোক। গতকাল ইছা ভাইয়ের (জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ মোদাররেছ আলী ইছা) মিটিংয়ে যাওয়ার জন্য খাজা আমাদের বলে যায়। আমরা ওই মিটিংয়ে না যাওয়ার কারণেই আমার ছেলেকে তুইল্যা নিয়ে মাইর্যা ফেলায়ছে। আমি এই হত্যার বিচার চাই। ওর (খাজা) ফাঁসি না হলে আরও মানুষ মরবে।’ এ সময় তিনি মোবাইলে খায়রুজ্জামান খাজার ছবি দেখিয়ে বলেন, ‘ও (খাজা) আর আলতাব চেয়ারম্যান অর্ডার দিয়েই আমার ছেলেকে মারছে।’
জানতে চাইলে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদউজ্জামান বলেন, ‘লাশ দাফন শেষে পরিবারকে আসতে বলা হয়েছে, রাতেই হত্যা মামলা হিসেবে নেওয়া হবে। এ ছাড়া জড়িতদের আটক করতে অভিযান অব্যাহত আছে।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৩ ঘণ্টা আগে