
রাজধানীর কাকরাইলে অবস্থিত উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক দয়াল চন্দ্র পালকে লাঞ্ছনার অভিযোগে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি আলী রেজার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা।
আজ রোববার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত রাজধানীর কাকরাইলে প্রতিষ্ঠানটির ক্যাম্পাসের সামনে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কিছু ভিডিওতে বিক্ষোভরত শিক্ষার্থীদের ‘বিচারপতির বিচার চাই; বিচার চাই বিচার চাই’, ‘অ্যাকশন, অ্যাকশন; ডাইরেক্ট অ্যাকশন’- ইত্যাদি স্লোগান দিতে দেখা গেছে।
এ সময় তাদের হাতে থাকা একটি ব্যানারে লেখা ছিল—‘দয়াল স্যারের সঙ্গে হওয়া অন্যায়ের বিচার চাই!!! রেজা ও অভিযুক্ত বিচারপতি আলী রেজার দৃষ্টান্তমূলক সাজা চাই।’
বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক নাহিদ হাসান বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করছেন, দশম শ্রেণির নাঈম রেজা নামের একজন শিক্ষার্থী গত ১৬ এপ্রিল ক্লাসে ডিস্টার্ব করলে দয়াল স্যার তাকে শাসন করেন। এ ঘটনার জেরে স্যারকে বাসায় ডেকে নিয়ে লাঞ্ছিত করেন ওই বিচারপতি ও তাঁর স্ত্রী। স্যারকে ছাত্রের পা ধরে মাফ চাওয়ানো হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এ ঘটনায় শিক্ষার্থীরা ওই বিচারপতি ও অভিযুক্ত ছাত্রের শাস্তি চাইছেন। প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ আ স ম শামসুল আলম খানের পদত্যাগ দাবি করেছেন শিক্ষার্থীরা।’
এ দিকে রোববার শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে প্রতিষ্ঠান প্রধান মারফত প্রধান বিচারপতি বরাবর একটি স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে। এতে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী মহিউদ্দিন আকরাম আয়ান, মো. সামির হোসেন, রাফি তালুকদার, সিয়াম, তাহসানসহ প্রতিষ্ঠানটির ২২ জন শিক্ষার্থী স্বাক্ষর করেছেন।
ওই স্মারকলিপিতে বলা হয়েছে, ‘গত ১৬ এপ্রিল বাংলা মাধ্যম দিবা শাখার সহকারী শিক্ষক দয়াল চন্দ্র পাল, তাঁর দশম শ্রেণির এ সেকশনের ক্লাস চলাকালীন সময়ে নাঈম রেজা নামক একজন শিক্ষার্থী স্যারকে পদার্থ বিজ্ঞান পাঠদানের সময় কয়েকবার অন্য একটি বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করে। স্যার ওই শিক্ষার্থীর কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে শিক্ষার্থী তাঁকে বাংলা বিষয়ের একটি সমস্যা বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য বলে। স্যার তাকে এই বলে যে, আমি বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক। তোমার বিষয়টি একজন বাংলা বিষয়ের অভিজ্ঞ শিক্ষকের কাছ থেকে বুঝে নেওয়ার জন্য বলে। কিন্তু ওই শিক্ষার্থী আরও একবার দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করলে দয়াল স্যার তার সামনে আসলে হঠাৎ শিক্ষার্থী স্যারের স্পর্শকাতর অংশে দুইবার জোরে চাপ দেয়। এতে করে ওই শ্রেণির শিক্ষার্থীরা হাসাহাসি করলে স্যার একপর্যায়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য শিক্ষার্থীর পিঠে তিনটি থাপ্পড় মারেন।’
আরও বলা হয়েছে, ‘দয়াল স্যার বিচারপতি মহোদয়ের বাসায় গেলে বিচারপতি ও উনার সহধর্মিণী দয়াল স্যারকে চরমভাবে অপমানিত করে এবং শিক্ষার্থীর নিকট দয়াল স্যারকে ক্ষমা চাওয়ার জন্য বলে। দয়াল স্যার একপর্যায়ে অপমানিত বোধ ও লজ্জায় বিচারপতি মহোদয়কে সরি বলে বের হয়ে যান।’
ভুক্তভোগী শিক্ষক দয়াল চন্দ্র পাল ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, তিনি বর্তমানে মানসিক চাপে আছেন এবং নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তার আশঙ্কা, ক্ষমতার প্রভাব ব্যবহার করে তাকে ক্ষতিগ্রস্ত করা হতে পারে।
এ বিষয় মন্তব্য জানতে বিচারপতি আলী রেজার ব্যবহৃত মোবাইলে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।
এ ছাড়া এই ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ আ স ম শামসুল আলম খান কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

ময়মনসিংহের ভালুকার আলোচিত সেই কুমির খামার এখনো চলছে, তবে ধুঁকে ধুঁকে। আইনি জটিলতার কারণে কয়েক বছর ধরে চামড়া রপ্তানি বন্ধ। এ কারণে আয়ও বন্ধ। প্রতিটি কুমিরের পজেশন ফি বাবদ প্রতিবছর যে টাকা সরকারের পাওয়ার কথা, তা-ও দিচ্ছে না খামারের মালিক উদ্দীপন এনজিও।
২ ঘণ্টা আগে
নীলফামারীর সৈয়দপুর রেলওয়ে হাসপাতালকে সব মানুষের জন্য উন্মুক্ত ও আধুনিকায়ন (জেনারেল হাসপাতাল) করার প্রকল্প স্থবির হয়ে পড়েছে। এক বছর আগে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য রেলপথ মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়।
২ ঘণ্টা আগে
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে একটি সেতুর অভাবে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন পাঁচ গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ। তিন যুগের বেশি সময় ধরে ব্রহ্মপুত্র নদী পারাপারে তাদের একমাত্র ভরসা একটি বাঁশের সাঁকো। এ অবস্থায় সোনারগাঁয়ের পঞ্চমীঘাট বাজারের পাশে ব্রহ্মপুত্র নদের ওপর একটি স্থায়ী সেতু চান স্থানীয়রা।
৩ ঘণ্টা আগে
খাগড়াছড়িতে দিন দিন বিদেশি জাতের আমের চাষ বাড়ছে। বিভিন্ন জাতের রঙিন আমে পাহাড়ের কোল ভরে উঠছে। কৃষকেরা বলছেন, পাহাড়ের অনুকূল আবহাওয়া-জলবায়ু এবং উর্বর মাটির কারণে বাণিজ্যিকভাবে আম চাষ করে সফল হচ্ছেন তাঁরা।
৩ ঘণ্টা আগে