সৌগত বসু, ঢাকা

যাত্রীদের সুবিধার জন্য ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে গত বছর বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনের (বিআরটিসি) বাস চলাচল শুরু হয়েছিল। কিন্তু সেই বাসসেবা এখন অনিয়মিত, চলছে কালেভদ্রে, খেয়ালখুশিমতো।
সরকারি সংস্থা বিআরটিসি ওই রুটে তাদের বাস চলার দাবি করলেও গত বৃহস্পতিবার সরেজমিনে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে বিআরটিসির বাস চলতে দেখা যায়নি। যাত্রীরাও অভিযোগ করে বললেন, ফার্মগেটের খেজুরবাগান থেকে বিমানবন্দর রুটে বিআরটিসির বাস চলছে অনিয়মিত।
বিমানবন্দরের কাওলা থেকে কুতুবখালী পর্যন্ত মোট ১৯ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের ফার্মগেট পর্যন্ত ১১ কিলোমিটার অংশ উদ্বোধন হয় ২০২৩ সালের ২ সেপ্টেম্বর। তবে সিএনজি-চালিত অটোরিকশা ও মোটরসাইকেল চলাচল নিষিদ্ধ থাকায় এক্সপ্রেসওয়েতে মূলত ব্যক্তিগত গাড়ি চলাচল করত। গণপরিবহন হিসেবে বাস চলার কথা থাকলেও এক্সপ্রেসওয়েতে যাত্রী ওঠানো-নামানোর সুবিধা না থাকায় বাস চলে না। সাধারণ যাত্রীদের এই এক্সপ্রেসওয়ের সুবিধা দিতে বিআরটিসি পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন ডিপোর ৭৯টি বাস চালানোর ঘোষণা দেয়। গত বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর বিআরটিসি এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে ফার্মগেট-বিমানবন্দর পথে প্রথমে আটটি দ্বিতল বাস চালু করে। পরে বাসের সংখ্যা বাড়িয়ে ১২টি করা হয়। বাসগুলো ফার্মগেটের খেজুরবাগান থেকে বিমানবন্দর হয়ে উত্তরার জসীমউদ্দীন রোড ঘুরে আবার খেজুরবাগানে আসত। তবে কয়েক মাস ধরে এই রুটে বিআরটিসির বাস চলাচল অনিয়মিত।
জানা যায়, এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে বিআরটিসির বাসসেবা অনেকটা ‘শাটল’ সার্ভিসের মতো। বাসগুলো কেবল এক্সপ্রেসওয়ে কেন্দ্র করেই চলে।
ঢাকা বিমানবন্দর থেকে ফার্মগেট পর্যন্ত বিআরটিসির যাত্রীপ্রতি ভাড়া ৩৫ টাকা।
বিআরটিসির সূত্র জানায়, বর্তমানে ছয়টি বাস এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে ফার্মগেট-বিমানবন্দর রুটে চলছে। তবে যাত্রীর সংখ্যা কম হলে বাসগুলো এক্সপ্রেসওয়ে এড়িয়ে টঙ্গী থেকে মহাখালী হয়ে মতিঝিল পর্যন্ত চলে। এক্সপ্রেসওয়েতে টোল দিতে হয়। যাত্রী কম হলে টোল দিয়ে চলাচলে লোকসান হয়। বাস কম চলার এটিই মূল কারণ।
গত ২৫ নভেম্বর বিআরটিসির মতিঝিল কার্যালয়ে গিয়ে সংস্থার চেয়ারম্যান মো. তাজুল ইসলামের কাছে এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে ফার্মগেট-বিমান-বন্দর রুটে বিআরটিসির বাস না চলার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি অপারেশনের উপমহাব্যবস্থাপক শুকদেব ঢালীকে ডেকে এ বিষয়ে জানতে চান। জবাবে জানানো হয়, বাস চলাচল করছে। তবে ১২ ডিসেম্বর সরেজমিনে এক্সপ্রেসওয়েতে বিআরটিসির বাস চলতে দেখা যায়নি। ফার্মগেটের খেজুরবাগানে বাস ছাড়ার স্থানে গিয়েও বিআরটিসির বাস পাওয়া যায়নি। যাত্রীরা জানান, আগে ১৫-২০ মিনিট পরপর বিআরটিসির বাস ছাড়লেও এখন কোনো কোনো দিন মেলে দীর্ঘ সময় পর।
বিষয়টি নজরে আনলে বৃহস্পতিবার বিআরটিসির চেয়ারম্যান বলেন, বাস চলার কথা। তিনি খোঁজখবর নিয়ে দেখবেন।
অবশ্য গাজীপুর-আজিমপুর রুটের বেসরকারি ভিআইপি ২৭ পরিবহন এবং আশুলিয়া-আজিমপুর রুটের বিকাশ পরিবহনের বাস এখন এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে চলছে। কয়েক মিনিট পরপর বাস পাওয়া যাচ্ছে। জানা গেছে, এই দুই পরিবহনের বাস চলাচল শুরুর পর থেকে বিআরটিসির বাস চলাচল অনিয়মিত হয়ে পড়েছে। দীর্ঘ বিরতিতে বিআরটিসির বাস পাওয়ার কারণে যাত্রীরাও বেসরকারি বাসের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন।
যাত্রীদের অভিযোগ, ঢাকায় বিআরটিসির বাস খুব বেশি রুটে দেখা যায় না। আবার হুটহাট রুট পরিবর্তনেরও নজির আছে। বিআরটিসি বলছে, ঢাকায় এখন সংস্থাটির ৫৫০টি বাস চলাচল করে। তবে এগুলো থেকে বেশি আয় হয় না। এ জন্য ১৭২টি বাস সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ভাড়া দেওয়া হয়েছে। যেসব বাস বিভিন্ন রুটে চলছে, সেগুলো যাত্রী পাওয়া সাপেক্ষে এক রুট থেকে অন্য রুটে দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে জানতে বিআরটিসির অপারেশনের আরেক উপমহাব্যবস্থাপক মনিরুজ্জামান বাবুর সঙ্গে শুক্রবার যোগাযোগ করা হলে তিনি ব্যস্ত বলে জানান। পরে তাঁকে প্রশ্ন পাঠালেও জবাব পাওয়া যায়নি।

যাত্রীদের সুবিধার জন্য ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে গত বছর বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনের (বিআরটিসি) বাস চলাচল শুরু হয়েছিল। কিন্তু সেই বাসসেবা এখন অনিয়মিত, চলছে কালেভদ্রে, খেয়ালখুশিমতো।
সরকারি সংস্থা বিআরটিসি ওই রুটে তাদের বাস চলার দাবি করলেও গত বৃহস্পতিবার সরেজমিনে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে বিআরটিসির বাস চলতে দেখা যায়নি। যাত্রীরাও অভিযোগ করে বললেন, ফার্মগেটের খেজুরবাগান থেকে বিমানবন্দর রুটে বিআরটিসির বাস চলছে অনিয়মিত।
বিমানবন্দরের কাওলা থেকে কুতুবখালী পর্যন্ত মোট ১৯ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের ফার্মগেট পর্যন্ত ১১ কিলোমিটার অংশ উদ্বোধন হয় ২০২৩ সালের ২ সেপ্টেম্বর। তবে সিএনজি-চালিত অটোরিকশা ও মোটরসাইকেল চলাচল নিষিদ্ধ থাকায় এক্সপ্রেসওয়েতে মূলত ব্যক্তিগত গাড়ি চলাচল করত। গণপরিবহন হিসেবে বাস চলার কথা থাকলেও এক্সপ্রেসওয়েতে যাত্রী ওঠানো-নামানোর সুবিধা না থাকায় বাস চলে না। সাধারণ যাত্রীদের এই এক্সপ্রেসওয়ের সুবিধা দিতে বিআরটিসি পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন ডিপোর ৭৯টি বাস চালানোর ঘোষণা দেয়। গত বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর বিআরটিসি এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে ফার্মগেট-বিমানবন্দর পথে প্রথমে আটটি দ্বিতল বাস চালু করে। পরে বাসের সংখ্যা বাড়িয়ে ১২টি করা হয়। বাসগুলো ফার্মগেটের খেজুরবাগান থেকে বিমানবন্দর হয়ে উত্তরার জসীমউদ্দীন রোড ঘুরে আবার খেজুরবাগানে আসত। তবে কয়েক মাস ধরে এই রুটে বিআরটিসির বাস চলাচল অনিয়মিত।
জানা যায়, এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে বিআরটিসির বাসসেবা অনেকটা ‘শাটল’ সার্ভিসের মতো। বাসগুলো কেবল এক্সপ্রেসওয়ে কেন্দ্র করেই চলে।
ঢাকা বিমানবন্দর থেকে ফার্মগেট পর্যন্ত বিআরটিসির যাত্রীপ্রতি ভাড়া ৩৫ টাকা।
বিআরটিসির সূত্র জানায়, বর্তমানে ছয়টি বাস এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে ফার্মগেট-বিমানবন্দর রুটে চলছে। তবে যাত্রীর সংখ্যা কম হলে বাসগুলো এক্সপ্রেসওয়ে এড়িয়ে টঙ্গী থেকে মহাখালী হয়ে মতিঝিল পর্যন্ত চলে। এক্সপ্রেসওয়েতে টোল দিতে হয়। যাত্রী কম হলে টোল দিয়ে চলাচলে লোকসান হয়। বাস কম চলার এটিই মূল কারণ।
গত ২৫ নভেম্বর বিআরটিসির মতিঝিল কার্যালয়ে গিয়ে সংস্থার চেয়ারম্যান মো. তাজুল ইসলামের কাছে এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে ফার্মগেট-বিমান-বন্দর রুটে বিআরটিসির বাস না চলার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি অপারেশনের উপমহাব্যবস্থাপক শুকদেব ঢালীকে ডেকে এ বিষয়ে জানতে চান। জবাবে জানানো হয়, বাস চলাচল করছে। তবে ১২ ডিসেম্বর সরেজমিনে এক্সপ্রেসওয়েতে বিআরটিসির বাস চলতে দেখা যায়নি। ফার্মগেটের খেজুরবাগানে বাস ছাড়ার স্থানে গিয়েও বিআরটিসির বাস পাওয়া যায়নি। যাত্রীরা জানান, আগে ১৫-২০ মিনিট পরপর বিআরটিসির বাস ছাড়লেও এখন কোনো কোনো দিন মেলে দীর্ঘ সময় পর।
বিষয়টি নজরে আনলে বৃহস্পতিবার বিআরটিসির চেয়ারম্যান বলেন, বাস চলার কথা। তিনি খোঁজখবর নিয়ে দেখবেন।
অবশ্য গাজীপুর-আজিমপুর রুটের বেসরকারি ভিআইপি ২৭ পরিবহন এবং আশুলিয়া-আজিমপুর রুটের বিকাশ পরিবহনের বাস এখন এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে চলছে। কয়েক মিনিট পরপর বাস পাওয়া যাচ্ছে। জানা গেছে, এই দুই পরিবহনের বাস চলাচল শুরুর পর থেকে বিআরটিসির বাস চলাচল অনিয়মিত হয়ে পড়েছে। দীর্ঘ বিরতিতে বিআরটিসির বাস পাওয়ার কারণে যাত্রীরাও বেসরকারি বাসের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন।
যাত্রীদের অভিযোগ, ঢাকায় বিআরটিসির বাস খুব বেশি রুটে দেখা যায় না। আবার হুটহাট রুট পরিবর্তনেরও নজির আছে। বিআরটিসি বলছে, ঢাকায় এখন সংস্থাটির ৫৫০টি বাস চলাচল করে। তবে এগুলো থেকে বেশি আয় হয় না। এ জন্য ১৭২টি বাস সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ভাড়া দেওয়া হয়েছে। যেসব বাস বিভিন্ন রুটে চলছে, সেগুলো যাত্রী পাওয়া সাপেক্ষে এক রুট থেকে অন্য রুটে দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে জানতে বিআরটিসির অপারেশনের আরেক উপমহাব্যবস্থাপক মনিরুজ্জামান বাবুর সঙ্গে শুক্রবার যোগাযোগ করা হলে তিনি ব্যস্ত বলে জানান। পরে তাঁকে প্রশ্ন পাঠালেও জবাব পাওয়া যায়নি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের অধিকাংশই কোটিপতি। পাশাপাশি জামায়াতের প্রার্থীরা হলেন লাখপতি। নির্বাচনে কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।
৩ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে ছয়জন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে নামলেও বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। এই দুই প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবিরা সুলতানার সোনার গয়না আছে ৩০ তোলার; যার দাম ৫০ হাজার টাকা। জামায়াতের...
৩ ঘণ্টা আগে
বিরোধপূর্ণ একটি জমি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) হস্তান্তর করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। গত ৮ ডিসেম্বর চসিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ছয় একর জমি হস্তান্তর করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে ওই জমি একসনা (এক বছরের জন্য) ইজারা নিয়ে ২০ বছরের জন্য লিজ দেওয়ার উদ্যোগ...
৪ ঘণ্টা আগে
চলতি আমন মৌসুমে সরকারি মূল্যে চাল সংগ্রহ কার্যক্রমে জয়পুরহাট জেলার পাঁচ উপজেলায় হাস্কিং মিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। খাদ্য বিভাগের নথিতে সচল দেখানো বহু হাস্কিং মিল বাস্তবে বিদ্যুৎ সংযোগহীন, উৎপাদন বন্ধ কিংবা দীর্ঘদিন ধরে অচল থাকলেও এসব মিলের নামেই সরকারি খাদ্যগুদামে...
৪ ঘণ্টা আগে