মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি

মানিকগঞ্জে শামসুল আলম (৫০) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ সোমবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত শামসুল আলম সদর উপজেলার কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের মৃত আতা মিয়ার ছেলে। তিনি মানসিক রোগী ছিলেন বলে জানা গেছে।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শামসুল আলম মানসিক রোগী ছিলেন। পাবনা মানসিক হাসপাতালে তাঁকে দীর্ঘদিন চিকিৎসা করানো হয়েছে।
এ বিষয়ে মানিকগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তদন্ত আব্দুর রউফ বলেন, আজ সকালে মনপুরা ব্রিজের নিচে পানিতে মরদেহ দেখে পুলিশকে খবর দেয় স্থানীয়রা। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরও বলেন, ধারণা করা হচ্ছে রাতের যেকোনো সময় পানিতে গোসল করতে নেমে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। এ ব্যাপারে সদর থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা করা হবে।

মানিকগঞ্জে শামসুল আলম (৫০) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ সোমবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত শামসুল আলম সদর উপজেলার কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের মৃত আতা মিয়ার ছেলে। তিনি মানসিক রোগী ছিলেন বলে জানা গেছে।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শামসুল আলম মানসিক রোগী ছিলেন। পাবনা মানসিক হাসপাতালে তাঁকে দীর্ঘদিন চিকিৎসা করানো হয়েছে।
এ বিষয়ে মানিকগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তদন্ত আব্দুর রউফ বলেন, আজ সকালে মনপুরা ব্রিজের নিচে পানিতে মরদেহ দেখে পুলিশকে খবর দেয় স্থানীয়রা। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরও বলেন, ধারণা করা হচ্ছে রাতের যেকোনো সময় পানিতে গোসল করতে নেমে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। এ ব্যাপারে সদর থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা করা হবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের অধিকাংশই কোটিপতি। পাশাপাশি জামায়াতের প্রার্থীরা হলেন লাখপতি। নির্বাচনে কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।
৪ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে ছয়জন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে নামলেও বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। এই দুই প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবিরা সুলতানার সোনার গয়না আছে ৩০ তোলার; যার দাম ৫০ হাজার টাকা। জামায়াতের...
৪ ঘণ্টা আগে
বিরোধপূর্ণ একটি জমি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) হস্তান্তর করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। গত ৮ ডিসেম্বর চসিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ছয় একর জমি হস্তান্তর করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে ওই জমি একসনা (এক বছরের জন্য) ইজারা নিয়ে ২০ বছরের জন্য লিজ দেওয়ার উদ্যোগ...
৪ ঘণ্টা আগে
চলতি আমন মৌসুমে সরকারি মূল্যে চাল সংগ্রহ কার্যক্রমে জয়পুরহাট জেলার পাঁচ উপজেলায় হাস্কিং মিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। খাদ্য বিভাগের নথিতে সচল দেখানো বহু হাস্কিং মিল বাস্তবে বিদ্যুৎ সংযোগহীন, উৎপাদন বন্ধ কিংবা দীর্ঘদিন ধরে অচল থাকলেও এসব মিলের নামেই সরকারি খাদ্যগুদামে...
৪ ঘণ্টা আগেচাঁদপুরের ৫টি আসন
চাঁদপুর প্রতিনিধি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের অধিকাংশই কোটিপতি। পাশাপাশি জামায়াতের প্রার্থীরা হলেন লাখপতি। নির্বাচনে কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।
হলফনামা পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, চাঁদপুর-১ (কচুয়া) আসনে বিএনপির প্রার্থী আ ন ম এহছানুল হক মিলন পেশায় রাজনীতিক। তিনি নগদ ২ কোটি ৪৩ লাখ ৫৪ হাজার ২৩৬ টাকার মালিক। বিশ্ববিদ্যালয়ের পরামর্শক হিসেবে বছরে আয় ৬ লাখ এবং টক শো থেকে আয় দেড় লাখ। আগ্নেয়াস্ত্র আছে দুটি। বিগত বছরে তাঁর নামে মামলা ছিল ১৯টি। সবগুলো থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন তিনি।
একই আসনে জামায়াতের প্রার্থী আবু নছর মোহাম্মদ মকবুল আহমদ পেশায় শিক্ষক। শিক্ষকতা থেকে বার্ষিক আয় ৬ লাখ ৯৫ হাজার ৫২৯ টাকা।
চাঁদপুর-২ (মতলব উত্তর ও মতলব দক্ষিণ) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মো. জালাল উদ্দিন পেশায় ব্যবসায়ী। তিনি নগদ ১ কোটি ৩৭ লাখ ৬৯ হাজার ৮৮০ টাকার মালিক। আগ্নেয়াস্ত্র আছে ১টি।
একই আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আবদুল মোবিন পেশায় চিকিৎসক। তিনি নগদ ১৬ লাখ ৬২ হাজার ২৮০ টাকার মালিক।
চাঁদপুর-৩ (সদর-হাইমচর) আসনে বিএনপি প্রার্থী শেখ ফরিদ আহম্মেদ পেশায় ব্যবসায়ী। তাঁর নগদ রয়েছে ১ কোটি ১০ লাখ ৯৪ হাজার ৩৮৭ টাকা। তাঁর একটি পিস্তল এবং একটি শটগান রয়েছে। রয়েছে একটি গাড়ি।
একই আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মো. শাহজাহান মিয়ার নগদ আছে ১৭ লাখ ৮০ হাজার ৪৭ টাকা।
চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) আসনে বিএনপি প্রার্থী মো. হারুনুর রশিদ পেশায় ব্যবসায়ী। ২৬ লাখ ৮৫ হাজার ৯৮২ টাকার মালিক তিনি।
এ আসনে জামায়াতের প্রার্থী মো. বিল্লাল হোসেন মিয়াজী পেশায় শিক্ষক। নগদ ২০ হাজার টাকার মালিক তিনি।
এই আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়নবঞ্চিত স্বতন্ত্র প্রার্থীর নগদ টাকা আছে ৬ কোটি ১৮ লাখ ৪০ হাজার ১২২ টাকা। গাড়ি একটি।
চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি) আসনে বিএনপি প্রার্থী মো. মমিনুল হক পেশায় ব্যবসায়ী। জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মো. আবুল হোসাইন। তিনি পেশায় শিক্ষক। তাঁর বিরুদ্ধে ১৩টি মামলা ছিল। এসব মামলা থেকে তিনি অব্যাহতি পেয়েছেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের অধিকাংশই কোটিপতি। পাশাপাশি জামায়াতের প্রার্থীরা হলেন লাখপতি। নির্বাচনে কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।
হলফনামা পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, চাঁদপুর-১ (কচুয়া) আসনে বিএনপির প্রার্থী আ ন ম এহছানুল হক মিলন পেশায় রাজনীতিক। তিনি নগদ ২ কোটি ৪৩ লাখ ৫৪ হাজার ২৩৬ টাকার মালিক। বিশ্ববিদ্যালয়ের পরামর্শক হিসেবে বছরে আয় ৬ লাখ এবং টক শো থেকে আয় দেড় লাখ। আগ্নেয়াস্ত্র আছে দুটি। বিগত বছরে তাঁর নামে মামলা ছিল ১৯টি। সবগুলো থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন তিনি।
একই আসনে জামায়াতের প্রার্থী আবু নছর মোহাম্মদ মকবুল আহমদ পেশায় শিক্ষক। শিক্ষকতা থেকে বার্ষিক আয় ৬ লাখ ৯৫ হাজার ৫২৯ টাকা।
চাঁদপুর-২ (মতলব উত্তর ও মতলব দক্ষিণ) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মো. জালাল উদ্দিন পেশায় ব্যবসায়ী। তিনি নগদ ১ কোটি ৩৭ লাখ ৬৯ হাজার ৮৮০ টাকার মালিক। আগ্নেয়াস্ত্র আছে ১টি।
একই আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আবদুল মোবিন পেশায় চিকিৎসক। তিনি নগদ ১৬ লাখ ৬২ হাজার ২৮০ টাকার মালিক।
চাঁদপুর-৩ (সদর-হাইমচর) আসনে বিএনপি প্রার্থী শেখ ফরিদ আহম্মেদ পেশায় ব্যবসায়ী। তাঁর নগদ রয়েছে ১ কোটি ১০ লাখ ৯৪ হাজার ৩৮৭ টাকা। তাঁর একটি পিস্তল এবং একটি শটগান রয়েছে। রয়েছে একটি গাড়ি।
একই আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মো. শাহজাহান মিয়ার নগদ আছে ১৭ লাখ ৮০ হাজার ৪৭ টাকা।
চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) আসনে বিএনপি প্রার্থী মো. হারুনুর রশিদ পেশায় ব্যবসায়ী। ২৬ লাখ ৮৫ হাজার ৯৮২ টাকার মালিক তিনি।
এ আসনে জামায়াতের প্রার্থী মো. বিল্লাল হোসেন মিয়াজী পেশায় শিক্ষক। নগদ ২০ হাজার টাকার মালিক তিনি।
এই আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়নবঞ্চিত স্বতন্ত্র প্রার্থীর নগদ টাকা আছে ৬ কোটি ১৮ লাখ ৪০ হাজার ১২২ টাকা। গাড়ি একটি।
চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি) আসনে বিএনপি প্রার্থী মো. মমিনুল হক পেশায় ব্যবসায়ী। জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মো. আবুল হোসাইন। তিনি পেশায় শিক্ষক। তাঁর বিরুদ্ধে ১৩টি মামলা ছিল। এসব মামলা থেকে তিনি অব্যাহতি পেয়েছেন।

মানিকগঞ্জে শামসুল আলম (৫০) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ সোমবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত শামসুল আলম সদর উপজেলার কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের মৃত আতা মিয়ার ছেলে। তিনি মানসিক রোগী ছিলেন বলে জানা গেছে।
২৪ জানুয়ারি ২০২২
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে ছয়জন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে নামলেও বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। এই দুই প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবিরা সুলতানার সোনার গয়না আছে ৩০ তোলার; যার দাম ৫০ হাজার টাকা। জামায়াতের...
৪ ঘণ্টা আগে
বিরোধপূর্ণ একটি জমি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) হস্তান্তর করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। গত ৮ ডিসেম্বর চসিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ছয় একর জমি হস্তান্তর করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে ওই জমি একসনা (এক বছরের জন্য) ইজারা নিয়ে ২০ বছরের জন্য লিজ দেওয়ার উদ্যোগ...
৪ ঘণ্টা আগে
চলতি আমন মৌসুমে সরকারি মূল্যে চাল সংগ্রহ কার্যক্রমে জয়পুরহাট জেলার পাঁচ উপজেলায় হাস্কিং মিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। খাদ্য বিভাগের নথিতে সচল দেখানো বহু হাস্কিং মিল বাস্তবে বিদ্যুৎ সংযোগহীন, উৎপাদন বন্ধ কিংবা দীর্ঘদিন ধরে অচল থাকলেও এসব মিলের নামেই সরকারি খাদ্যগুদামে...
৪ ঘণ্টা আগেযশোর-২ আসন
যশোর প্রতিনিধি

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে ছয়জন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে নামলেও বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। এই দুই প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবিরা সুলতানার সোনার গয়না আছে ৩০ তোলার; যার দাম ৫০ হাজার টাকা। জামায়াতের প্রার্থী মোসলেহ উদ্দিন ফরিদের সোনাসহ অন্যান্য মূল্যবান ধাতু ও পাথরের গয়না আছে ৬২ লাখ টাকার।
নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা হলফনামা বিশ্লেষণে এই তথ্য পাওয়া গেছে। ঝিকরগাছা উপজেলা বিএনপির সভাপতি সাবিরা সুলতানা নিজেকে গৃহিণী, ব্যবসায়ী ও সমাজসেবী হিসেবে উল্লেখ করেছেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা উচ্চমাধ্যমিক। তাঁর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা ছিল ১১টি। এর মধ্যে আটটি থেকে তিনি খালাস পেয়েছেন। বিচারাধীন, চলমান ও রিভিউ শুনানির পর্যায়ে রয়েছে অপর তিনটি।
কৃষি খাত থেকে এই নারী প্রার্থীর বার্ষিক আয় ২ লাখ ৯১ হাজার টাকা, বাড়ি/অ্যাপার্টমেন্ট/বাণিজ্যিক স্থান থেকে আয় ১ লাখ ২০ হাজার, ব্যবসা থেকে আয় ২ লাখ ৫৮ হাজার টাকা। তাঁর কাছে নগদ রয়েছে ৭ লাখ ৮০ হাজার টাকা। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা আছে ৬৫ লাখ টাকার বেশি। সোনা ও অন্যান্য মূল্যবান ধাতু আছে ৫০ হাজার টাকার।
বিএনপি প্রার্থীর নামে ৩৭১ শতক কৃষি ও ৩০৭ শতক অকৃষিজমি রয়েছে; যার মোট দাম ৮৫ লাখ টাকার বেশি। ১ হাজার ৭৭৭ ও ১ হাজার ৩১৫ বর্গফুটের দুটি ফ্ল্যাট এবং একটি বাড়ি রয়েছে তাঁর। অন্যদিকে জামায়াতের প্রার্থী মোহাম্মদ মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ পেশায় চিকিৎসক। তাঁর স্ত্রী শিক্ষকতা করেন। তাঁর নিজের সঞ্চয়পত্র/স্থায়ী আমানত রয়েছে ৯৫ লাখ এবং স্ত্রীর ৮৫ লাখ ৪৭ হাজার টাকার। তাঁর ৬২ লাখ টাকা দামের গাড়ি আছে। আছে ছয় লাখ টাকা দামের আগ্নেয়াস্ত্র।
হলফনামায় মোসলেহ উদ্দিন দেখিয়েছেন, বিদেশে তাঁর ৩ কোটি ৬৫ লাখ ৮০ হাজার এবং স্ত্রীর নামে ১ কোটি ৮৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা দামের স্থাবর সম্পত্তি রয়েছে। প্রার্থীর নিজ নামের এসব সম্পত্তি অর্জনকালে মূল্য ছিল ১ কোটি ৯৪ লাখ; যার বর্তমান বাজারদর ১ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। তাঁর স্ত্রীর মোট সম্পত্তির দাম ৯৮ লাখ টাকা।
বাংলাদেশে মোসলেহ উদ্দিনের ৬০ শতক অকৃষিজমি ও ৬৮ লাখ টাকার বাড়ি বা অ্যাপার্টমেন্ট আছে। বিদেশে তাঁর ১৬ কোটি ১৭ লাখ টাকার স্থাবর সম্পত্তি রয়েছে। এই প্রার্থীর সোনা ও অন্যান্য মূল্যবান ধাতু ও পাথরের গয়না আছে ৬২ লাখ টাকার। তবে তাঁর স্ত্রীর কোনো গয়না নেই বলে হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে ছয়জন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে নামলেও বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। এই দুই প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবিরা সুলতানার সোনার গয়না আছে ৩০ তোলার; যার দাম ৫০ হাজার টাকা। জামায়াতের প্রার্থী মোসলেহ উদ্দিন ফরিদের সোনাসহ অন্যান্য মূল্যবান ধাতু ও পাথরের গয়না আছে ৬২ লাখ টাকার।
নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা হলফনামা বিশ্লেষণে এই তথ্য পাওয়া গেছে। ঝিকরগাছা উপজেলা বিএনপির সভাপতি সাবিরা সুলতানা নিজেকে গৃহিণী, ব্যবসায়ী ও সমাজসেবী হিসেবে উল্লেখ করেছেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা উচ্চমাধ্যমিক। তাঁর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা ছিল ১১টি। এর মধ্যে আটটি থেকে তিনি খালাস পেয়েছেন। বিচারাধীন, চলমান ও রিভিউ শুনানির পর্যায়ে রয়েছে অপর তিনটি।
কৃষি খাত থেকে এই নারী প্রার্থীর বার্ষিক আয় ২ লাখ ৯১ হাজার টাকা, বাড়ি/অ্যাপার্টমেন্ট/বাণিজ্যিক স্থান থেকে আয় ১ লাখ ২০ হাজার, ব্যবসা থেকে আয় ২ লাখ ৫৮ হাজার টাকা। তাঁর কাছে নগদ রয়েছে ৭ লাখ ৮০ হাজার টাকা। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা আছে ৬৫ লাখ টাকার বেশি। সোনা ও অন্যান্য মূল্যবান ধাতু আছে ৫০ হাজার টাকার।
বিএনপি প্রার্থীর নামে ৩৭১ শতক কৃষি ও ৩০৭ শতক অকৃষিজমি রয়েছে; যার মোট দাম ৮৫ লাখ টাকার বেশি। ১ হাজার ৭৭৭ ও ১ হাজার ৩১৫ বর্গফুটের দুটি ফ্ল্যাট এবং একটি বাড়ি রয়েছে তাঁর। অন্যদিকে জামায়াতের প্রার্থী মোহাম্মদ মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ পেশায় চিকিৎসক। তাঁর স্ত্রী শিক্ষকতা করেন। তাঁর নিজের সঞ্চয়পত্র/স্থায়ী আমানত রয়েছে ৯৫ লাখ এবং স্ত্রীর ৮৫ লাখ ৪৭ হাজার টাকার। তাঁর ৬২ লাখ টাকা দামের গাড়ি আছে। আছে ছয় লাখ টাকা দামের আগ্নেয়াস্ত্র।
হলফনামায় মোসলেহ উদ্দিন দেখিয়েছেন, বিদেশে তাঁর ৩ কোটি ৬৫ লাখ ৮০ হাজার এবং স্ত্রীর নামে ১ কোটি ৮৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা দামের স্থাবর সম্পত্তি রয়েছে। প্রার্থীর নিজ নামের এসব সম্পত্তি অর্জনকালে মূল্য ছিল ১ কোটি ৯৪ লাখ; যার বর্তমান বাজারদর ১ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। তাঁর স্ত্রীর মোট সম্পত্তির দাম ৯৮ লাখ টাকা।
বাংলাদেশে মোসলেহ উদ্দিনের ৬০ শতক অকৃষিজমি ও ৬৮ লাখ টাকার বাড়ি বা অ্যাপার্টমেন্ট আছে। বিদেশে তাঁর ১৬ কোটি ১৭ লাখ টাকার স্থাবর সম্পত্তি রয়েছে। এই প্রার্থীর সোনা ও অন্যান্য মূল্যবান ধাতু ও পাথরের গয়না আছে ৬২ লাখ টাকার। তবে তাঁর স্ত্রীর কোনো গয়না নেই বলে হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে।

মানিকগঞ্জে শামসুল আলম (৫০) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ সোমবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত শামসুল আলম সদর উপজেলার কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের মৃত আতা মিয়ার ছেলে। তিনি মানসিক রোগী ছিলেন বলে জানা গেছে।
২৪ জানুয়ারি ২০২২
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের অধিকাংশই কোটিপতি। পাশাপাশি জামায়াতের প্রার্থীরা হলেন লাখপতি। নির্বাচনে কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।
৪ ঘণ্টা আগে
বিরোধপূর্ণ একটি জমি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) হস্তান্তর করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। গত ৮ ডিসেম্বর চসিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ছয় একর জমি হস্তান্তর করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে ওই জমি একসনা (এক বছরের জন্য) ইজারা নিয়ে ২০ বছরের জন্য লিজ দেওয়ার উদ্যোগ...
৪ ঘণ্টা আগে
চলতি আমন মৌসুমে সরকারি মূল্যে চাল সংগ্রহ কার্যক্রমে জয়পুরহাট জেলার পাঁচ উপজেলায় হাস্কিং মিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। খাদ্য বিভাগের নথিতে সচল দেখানো বহু হাস্কিং মিল বাস্তবে বিদ্যুৎ সংযোগহীন, উৎপাদন বন্ধ কিংবা দীর্ঘদিন ধরে অচল থাকলেও এসব মিলের নামেই সরকারি খাদ্যগুদামে...
৪ ঘণ্টা আগেআবু বকর ছিদ্দিক, চট্টগ্রাম

বিরোধপূর্ণ একটি জমি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) হস্তান্তর করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। গত ৮ ডিসেম্বর চসিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ছয় একর জমি হস্তান্তর করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে ওই জমি একসনা (এক বছরের জন্য) ইজারা নিয়ে ২০ বছরের জন্য লিজ দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সিটি করপোরেশন। দুই দফা পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দেওয়াও হয়েছে। এদিকে জমিটি ১ নম্বর খাস খতিয়ান দাবি করে বন্দর ও সিটি করপোরেশনকে ইজারা কার্যক্রম থেকে বিরত থাকতে চিঠি দিয়েছে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন।
জেলা প্রশাসনের দাবি, জায়গাটি আরএস (রিভিশনাল সার্ভে) খতিয়ানে বন্দরের মালিকানা থাকলেও বিএস (বাংলাদেশ সার্ভে) খতিয়ানে তা জেলা প্রশাসনের ১ নম্বর খাস খতিয়ানভুক্ত। জমিটি নিয়ে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে বন্দরের একটি মামলা চলছে।
এদিকে গত ৭ নভেম্বর অ্যাডভোকেট মনজিল মোরশেদ ওই জমি হস্তান্তর থেকে বিরত থাকতে চট্টগ্রাম বন্দরকে আইনি নোটিশ পাঠান। বিষয়টি নিয়ে গত রোববার (১১ জানুয়ারি) হাইকোর্টের আইনজীবী মনজিল মোরশেদ বলেন, ‘এই জমি নিয়ে আমরা বন্দরের বিরুদ্ধে রিট পিটিশন করেছি; তা শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দরকে এই জমি হস্তান্তর থেকে বিরত থাকতে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছিল।’
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এই জমি নিয়ে বিরোধ চলছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ ও জেলা প্রশাসনের। এ নিয়ে হাইকোর্টে মামলাও হয়। মামলাটি চলমান রয়েছে। ২০২৪ সালের ৮ নভেম্বর চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ জায়গাটি ইজারার জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। মামলা চলা অবস্থায় ইজারা দেওয়ার উদ্যোগকে বেআইনি হিসেবে উল্লেখ করে বন্দর কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল জারি করেন হাইকোর্ট। ওই বছরের ১২ ডিসেম্বর এই রুল জারি করা হয়। এই অবস্থায় ইজারা দেওয়া থেকে সাময়িক পিছু হটে বন্দর কর্তৃপক্ষ। তবে ২০২৫ সালের ২০ জানুয়ারি সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে বন্দরের কাছে জমিটি বরাদ্দ চাওয়া হয়। ওই জায়গায় খেলার মাঠ ও পার্ক নির্মাণের জন্য জমিটি চাওয়া হয়। বন্দরের বোর্ড সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক চসিককে একসনা (এক বছর) বরাদ্দ দেওয়া হয় জায়গাটি। গত বছরের ৮ ডিসেম্বর করপোরেশনকে বুঝিয়ে দেওয়া জায়গাটির মাশুল বাবদ ৮৩ লাখ টাকা পরিশোধও করা হয়েছে। এর আগে ২০২৩ সালের ১২ জুলাই সিটি করপোরেশনের তৎকালীন মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরী এবং চট্টগ্রামের তৎকালীন জেলা প্রশাসক (ডিসি) আবুল বাশার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান ওই এলাকা পরিদর্শন করেন। এরপর জেলা প্রশাসনের পক্ষে নিজেদের মালিকানার সাইনবোর্ড টাঙিয়ে দেন ডিসি। এ ক্ষেত্রে জেলা প্রশাসনের বক্তব্য ছিল, জায়গাটি ১ নম্বর খাস খতিয়ানভুক্ত।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের ভূমি শাখার তথ্যমতে, ১৮৮৫ সালে তৎকালীন সরকার বিরোধপূর্ণ জমিটি চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষকে হস্তান্তর করে। পরে ভুলবশত বিএস রেকর্ড বন্দরের নামে হয়নি। বিষয়টি নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ চট্টগ্রামের যুগ্ম জজ আদালত-১-এ একটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে।
একসনা নিয়ে চসিক কীভাবে জায়গাটি ২০ বছরের জন্য লিজ দিতে চায়, জানতে চাইলে সচিব আশরাফুল আমিন কোনো মন্তব্য করতে চাননি। এ বিষয়ে চসিকের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা এস এম সরওয়ার কামালের সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেন তিনি। তবে সরওয়ার কামালের মোবাইলে কল দিয়ে নম্বর বন্ধ পাওয়া গেছে।
চসিকের রাজস্ব শাখার ভূসম্পত্তি কর্মকর্তা অভিষেক দাশ বলেন, ‘বন্দর থেকে ৬ একর জায়গা লিজ নেওয়া হয়েছে, এটা জানি। জায়গাটি একসনা লিজ দেওয়া হয়েছে সিটি করপোরেশনকে; কিন্তু সিটি করপোরেশন ২০ বছরের জন্য লিজ দিতে চায় কীভাবে, তা আমার জানা নেই। চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন থেকে এই জমি ইজারা প্রদান বন্ধ রাখার কোনো পত্র পাইনি।’
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব ও মুখপাত্র ওমর ফারুক বলেন, ফিরিঙ্গিবাজার মৌজার ৬ একর জমি খেলার মাঠ ও পার্ক নির্মাণের জন্য সিটি করপোরেশনের অনুকূলে হস্তান্তর করা হয়েছে।
চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সাখাওয়াত জামিল সৈকত বলেন, জেলা প্রশাসন ও বন্দরের মধ্যে একটি মামলা চলা অবস্থায় জমিটি চসিককে লিজ দেওয়া হয়েছে। চসিক আবার ২০ বছরের জন্য ইজারা দেওয়ার জন্য দুই দফা পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে দিল। এ জন্য ৬ জানুয়ারি জেলা প্রশাসনের রাজস্ব বিভাগ থেকে বন্দর ও সিটি করপোরেশনকে ইজারা কার্যক্রম থেকে বিরত থাকতে পত্র দেওয়া হয়েছে।

বিরোধপূর্ণ একটি জমি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) হস্তান্তর করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। গত ৮ ডিসেম্বর চসিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ছয় একর জমি হস্তান্তর করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে ওই জমি একসনা (এক বছরের জন্য) ইজারা নিয়ে ২০ বছরের জন্য লিজ দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সিটি করপোরেশন। দুই দফা পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দেওয়াও হয়েছে। এদিকে জমিটি ১ নম্বর খাস খতিয়ান দাবি করে বন্দর ও সিটি করপোরেশনকে ইজারা কার্যক্রম থেকে বিরত থাকতে চিঠি দিয়েছে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন।
জেলা প্রশাসনের দাবি, জায়গাটি আরএস (রিভিশনাল সার্ভে) খতিয়ানে বন্দরের মালিকানা থাকলেও বিএস (বাংলাদেশ সার্ভে) খতিয়ানে তা জেলা প্রশাসনের ১ নম্বর খাস খতিয়ানভুক্ত। জমিটি নিয়ে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে বন্দরের একটি মামলা চলছে।
এদিকে গত ৭ নভেম্বর অ্যাডভোকেট মনজিল মোরশেদ ওই জমি হস্তান্তর থেকে বিরত থাকতে চট্টগ্রাম বন্দরকে আইনি নোটিশ পাঠান। বিষয়টি নিয়ে গত রোববার (১১ জানুয়ারি) হাইকোর্টের আইনজীবী মনজিল মোরশেদ বলেন, ‘এই জমি নিয়ে আমরা বন্দরের বিরুদ্ধে রিট পিটিশন করেছি; তা শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দরকে এই জমি হস্তান্তর থেকে বিরত থাকতে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছিল।’
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এই জমি নিয়ে বিরোধ চলছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ ও জেলা প্রশাসনের। এ নিয়ে হাইকোর্টে মামলাও হয়। মামলাটি চলমান রয়েছে। ২০২৪ সালের ৮ নভেম্বর চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ জায়গাটি ইজারার জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। মামলা চলা অবস্থায় ইজারা দেওয়ার উদ্যোগকে বেআইনি হিসেবে উল্লেখ করে বন্দর কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল জারি করেন হাইকোর্ট। ওই বছরের ১২ ডিসেম্বর এই রুল জারি করা হয়। এই অবস্থায় ইজারা দেওয়া থেকে সাময়িক পিছু হটে বন্দর কর্তৃপক্ষ। তবে ২০২৫ সালের ২০ জানুয়ারি সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে বন্দরের কাছে জমিটি বরাদ্দ চাওয়া হয়। ওই জায়গায় খেলার মাঠ ও পার্ক নির্মাণের জন্য জমিটি চাওয়া হয়। বন্দরের বোর্ড সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক চসিককে একসনা (এক বছর) বরাদ্দ দেওয়া হয় জায়গাটি। গত বছরের ৮ ডিসেম্বর করপোরেশনকে বুঝিয়ে দেওয়া জায়গাটির মাশুল বাবদ ৮৩ লাখ টাকা পরিশোধও করা হয়েছে। এর আগে ২০২৩ সালের ১২ জুলাই সিটি করপোরেশনের তৎকালীন মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরী এবং চট্টগ্রামের তৎকালীন জেলা প্রশাসক (ডিসি) আবুল বাশার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান ওই এলাকা পরিদর্শন করেন। এরপর জেলা প্রশাসনের পক্ষে নিজেদের মালিকানার সাইনবোর্ড টাঙিয়ে দেন ডিসি। এ ক্ষেত্রে জেলা প্রশাসনের বক্তব্য ছিল, জায়গাটি ১ নম্বর খাস খতিয়ানভুক্ত।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের ভূমি শাখার তথ্যমতে, ১৮৮৫ সালে তৎকালীন সরকার বিরোধপূর্ণ জমিটি চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষকে হস্তান্তর করে। পরে ভুলবশত বিএস রেকর্ড বন্দরের নামে হয়নি। বিষয়টি নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ চট্টগ্রামের যুগ্ম জজ আদালত-১-এ একটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে।
একসনা নিয়ে চসিক কীভাবে জায়গাটি ২০ বছরের জন্য লিজ দিতে চায়, জানতে চাইলে সচিব আশরাফুল আমিন কোনো মন্তব্য করতে চাননি। এ বিষয়ে চসিকের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা এস এম সরওয়ার কামালের সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেন তিনি। তবে সরওয়ার কামালের মোবাইলে কল দিয়ে নম্বর বন্ধ পাওয়া গেছে।
চসিকের রাজস্ব শাখার ভূসম্পত্তি কর্মকর্তা অভিষেক দাশ বলেন, ‘বন্দর থেকে ৬ একর জায়গা লিজ নেওয়া হয়েছে, এটা জানি। জায়গাটি একসনা লিজ দেওয়া হয়েছে সিটি করপোরেশনকে; কিন্তু সিটি করপোরেশন ২০ বছরের জন্য লিজ দিতে চায় কীভাবে, তা আমার জানা নেই। চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন থেকে এই জমি ইজারা প্রদান বন্ধ রাখার কোনো পত্র পাইনি।’
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব ও মুখপাত্র ওমর ফারুক বলেন, ফিরিঙ্গিবাজার মৌজার ৬ একর জমি খেলার মাঠ ও পার্ক নির্মাণের জন্য সিটি করপোরেশনের অনুকূলে হস্তান্তর করা হয়েছে।
চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সাখাওয়াত জামিল সৈকত বলেন, জেলা প্রশাসন ও বন্দরের মধ্যে একটি মামলা চলা অবস্থায় জমিটি চসিককে লিজ দেওয়া হয়েছে। চসিক আবার ২০ বছরের জন্য ইজারা দেওয়ার জন্য দুই দফা পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে দিল। এ জন্য ৬ জানুয়ারি জেলা প্রশাসনের রাজস্ব বিভাগ থেকে বন্দর ও সিটি করপোরেশনকে ইজারা কার্যক্রম থেকে বিরত থাকতে পত্র দেওয়া হয়েছে।

মানিকগঞ্জে শামসুল আলম (৫০) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ সোমবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত শামসুল আলম সদর উপজেলার কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের মৃত আতা মিয়ার ছেলে। তিনি মানসিক রোগী ছিলেন বলে জানা গেছে।
২৪ জানুয়ারি ২০২২
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের অধিকাংশই কোটিপতি। পাশাপাশি জামায়াতের প্রার্থীরা হলেন লাখপতি। নির্বাচনে কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।
৪ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে ছয়জন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে নামলেও বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। এই দুই প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবিরা সুলতানার সোনার গয়না আছে ৩০ তোলার; যার দাম ৫০ হাজার টাকা। জামায়াতের...
৪ ঘণ্টা আগে
চলতি আমন মৌসুমে সরকারি মূল্যে চাল সংগ্রহ কার্যক্রমে জয়পুরহাট জেলার পাঁচ উপজেলায় হাস্কিং মিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। খাদ্য বিভাগের নথিতে সচল দেখানো বহু হাস্কিং মিল বাস্তবে বিদ্যুৎ সংযোগহীন, উৎপাদন বন্ধ কিংবা দীর্ঘদিন ধরে অচল থাকলেও এসব মিলের নামেই সরকারি খাদ্যগুদামে...
৪ ঘণ্টা আগেমো. আতাউর রহমান, জয়পুরহাট

চলতি আমন মৌসুমে সরকারি মূল্যে চাল সংগ্রহ কার্যক্রমে জয়পুরহাট জেলার পাঁচ উপজেলায় হাস্কিং মিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। খাদ্য বিভাগের নথিতে সচল দেখানো বহু হাস্কিং মিল বাস্তবে বিদ্যুৎ সংযোগহীন, উৎপাদন বন্ধ কিংবা দীর্ঘদিন ধরে অচল থাকলেও এসব মিলের নামেই সরকারি খাদ্যগুদামে চাল সরবরাহের বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। মাঠপর্যায়ের অনুসন্ধানে এসব অভিযোগের সত্যতা মিলেছে।
খাদ্য বিভাগের তালিকা ও সরেজমিন পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, জয়পুরহাট সদর, ক্ষেতলাল, কালাই, পাঁচবিবি ও আক্কেলপুর—এই পাঁচ উপজেলাতেই হাস্কিং মিলগুলোর বাস্তব অবস্থা প্রায় একই। তালিকাভুক্ত বহু মিল দীর্ঘদিন ধরে চালু নেই। কোথাও মিল ভবন পরিত্যক্ত, কোথাও বিদ্যুৎ সংযোগ নেই, আবার কোথাও মিলের স্থানে খড়ের পালা কিংবা কৃষিপণ্য সংরক্ষণ করা হচ্ছে।
জেলা খাদ্যনিয়ন্ত্রকের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, জয়পুরহাটে বর্তমানে ১৭টি অটো রাইস মিল এবং ২৫৭টি হাস্কিং মিল তালিকাভুক্ত রয়েছে।
সরেজমিনে জেলার পাঁচ উপজেলার অন্তত ৫০টি হাস্কিং মিল ঘুরে এবং ২০-২৫ মিল মালিকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তালিকাভুক্ত ২৫৭টি হাস্কিং মিলের মধ্যে অন্তত ১৫০টি মিল শুধু কাগজে সচল থাকলেও বাস্তবে উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। এসব মিলে ধান ভাঙানো, চাল শুকানো কিংবা মান নিয়ন্ত্রণের মতো কোনো কার্যক্রম দীর্ঘদিন ধরেই হচ্ছে না।
খাদ্য বিভাগের নথি অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে হাস্কিং মিলের মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ সেদ্ধ চাল সংগ্রহের চুক্তি করা হয়েছে। তবে মাঠপর্যায়ের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, তালিকাভুক্ত অনেক হাস্কিং মিলের নিজস্বভাবে ধান ভাঙা, চাল বাছাই কিংবা মান নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম পরিচালনার মতো সক্ষমতা নেই।
স্থানীয় মিল মালিক ও সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, বাস্তবে হাস্কিং মিল মালিকদের প্রায় সবাইকে চাল বাছাই ও মানোন্নয়নের জন্য অটো রাইস মিলের ওপর নির্ভর করতে হয়। ফলে হাস্কিং মিলের নামে বরাদ্দ দেওয়া হলেও চাল প্রক্রিয়াজাতকরণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে অন্য মিল কিংবা তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে। এতে প্রশ্ন উঠেছে, সরেজমিনে অচল বা সীমিত সক্ষমতাসম্পন্ন মিলের নামে কীভাবে সরকারি খাদ্য সংগ্রহের বরাদ্দ দেওয়া হলো এবং সংগৃহীত চালের মান যাচাই কীভাবে নিশ্চিত করা হচ্ছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, মেসার্স চৌধুরী অটো রাইস মিলের স্বত্বাধিকারী এবং ক্ষেতলাল উপজেলা মিল মালিক সমিতির সভাপতি রওনকুল ইসলাম টিপু চৌধুরীর অটো রাইস মিলটি ২০২২ সাল থেকে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় থাকা সত্ত্বেও চাল সরবরাহের বরাদ্দ পায়। বর্তমানে তিনি বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়েছেন। কিন্তু পল্লী বিদ্যুৎ অফিস থেকে সে বিষয়ে কোনো কাগজ উপজেলা খাদ্যনিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ে না আসায় তার নামে বরাদ্দকৃত চাল গ্রহণ করেনি উপজেলা খাদ্য বিভাগ।
কাগজে সচল থাকলেও মাঠে অচল ক্ষেতলাল উপজেলার ইটাখোলা এলাকার রাজিব চালকল, যার স্বত্বাধিকারী খলিলুর রহমান। এ তালিকায় আছে একই এলাকার পোদ্দর চালকল; যার স্বত্বাধিকারী মোহাম্মদ আলী।
খাদ্য খাতসংশ্লিষ্টদের মতে, জয়পুরহাটে হাস্কিং মিলভিত্তিক চাল সংগ্রহ ব্যবস্থা বাস্তবতার সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। কাগুজে সক্ষমতার ওপর নির্ভর করে বরাদ্দ দেওয়ায় মাঠপর্যায়ে অস্বচ্ছতা তৈরি হচ্ছে। তাদের মতে, হাস্কিং মিলের প্রকৃত উৎপাদন সক্ষমতা যাচাই, বিদ্যুৎ সংযোগ ও কার্যক্রম নিশ্চিত করা এবং প্রয়োজনে অটো রাইস মিলভিত্তিক একটি স্বচ্ছ সংগ্রহকাঠামো গড়ে তোলা না হলে ভবিষ্যতেও একই ধরনের প্রশ্ন উঠবে।
জানতে চাইলে জেলা মিল মালিক সমিতির সভাপতি লায়েক আলী বলেন, বিগত সরকারের চাল সংগ্রহ নীতিমালার কারণে হাস্কিং মিল মালিকেরা চরম সংকটে পড়েছেন। তারা চাল সরবরাহের যে বরাদ্দ পান, তা ছাঁটাই-বাছাইসহ বিভিন্ন প্রক্রিয়ার জন্য অটো রাইস মিলের কাছে যেতে হয়। এতে হাস্কিং মিল মালিকেরা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অটো মিল মালিকদের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন।
লায়েক আলী আরও বলেন, সরকার যে চাল সংগ্রহ করে তা ত্রাণ এবং অন্যান্য সরকারি সহায়তা কার্যক্রমে বিতরণ করা হয়। এসব চাল নির্ধারিত নীতিমালা অনুযায়ী প্রস্তুত না হলে গ্রহণ করা হয় না। নীতিমালা সংশোধনের দাবিতে খাদ্য বিভাগসহ মন্ত্রী ও সচিব পর্যায়েও একাধিকবার যোগাযোগ করা হয়েছে। তবে আশানুরূপ সাড়া মেলেনি।
জেলা মিল মালিক সমিতির সভাপতির বক্তব্যের সঙ্গে একমত প্রকাশ করে জেলা খাদ্যনিয়ন্ত্রক শাকিল আহমেদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, সরকারি নীতিমালার কারণেই এ ধরনের সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। নীতিমালার বাইরে গিয়ে কাজ করার সুযোগ কারও নেই।
ভবিষ্যতে নীতিমালার পরিবর্তনের মাধ্যমে এ সমস্যার সমাধান হবে বলে তিনি আশাবাদী।
এ বিষয়ে ক্ষেতলাল উপজেলা খাদ্যনিয়ন্ত্রক শামীমা আখতার বলেন, ‘আমি সদ্য এ উপজেলায় যোগদান করেছি। আমার যোগদানের পূর্বে বরাদ্দের জন্য মিলের তালিকা প্রস্তুত করা হয়। সে ক্ষেত্রে সামান্য ত্রুটি-বিচ্যুতি দেখা দিয়েছে। নীতিমালা মেনেই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’
জেলা খাদ্য বিভাগের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, হাস্কিং মিলসংক্রান্ত অভিযোগ এবং পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কার্যক্রম এখনো চলমান রয়েছে। সব প্রক্রিয়া শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

চলতি আমন মৌসুমে সরকারি মূল্যে চাল সংগ্রহ কার্যক্রমে জয়পুরহাট জেলার পাঁচ উপজেলায় হাস্কিং মিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। খাদ্য বিভাগের নথিতে সচল দেখানো বহু হাস্কিং মিল বাস্তবে বিদ্যুৎ সংযোগহীন, উৎপাদন বন্ধ কিংবা দীর্ঘদিন ধরে অচল থাকলেও এসব মিলের নামেই সরকারি খাদ্যগুদামে চাল সরবরাহের বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। মাঠপর্যায়ের অনুসন্ধানে এসব অভিযোগের সত্যতা মিলেছে।
খাদ্য বিভাগের তালিকা ও সরেজমিন পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, জয়পুরহাট সদর, ক্ষেতলাল, কালাই, পাঁচবিবি ও আক্কেলপুর—এই পাঁচ উপজেলাতেই হাস্কিং মিলগুলোর বাস্তব অবস্থা প্রায় একই। তালিকাভুক্ত বহু মিল দীর্ঘদিন ধরে চালু নেই। কোথাও মিল ভবন পরিত্যক্ত, কোথাও বিদ্যুৎ সংযোগ নেই, আবার কোথাও মিলের স্থানে খড়ের পালা কিংবা কৃষিপণ্য সংরক্ষণ করা হচ্ছে।
জেলা খাদ্যনিয়ন্ত্রকের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, জয়পুরহাটে বর্তমানে ১৭টি অটো রাইস মিল এবং ২৫৭টি হাস্কিং মিল তালিকাভুক্ত রয়েছে।
সরেজমিনে জেলার পাঁচ উপজেলার অন্তত ৫০টি হাস্কিং মিল ঘুরে এবং ২০-২৫ মিল মালিকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তালিকাভুক্ত ২৫৭টি হাস্কিং মিলের মধ্যে অন্তত ১৫০টি মিল শুধু কাগজে সচল থাকলেও বাস্তবে উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। এসব মিলে ধান ভাঙানো, চাল শুকানো কিংবা মান নিয়ন্ত্রণের মতো কোনো কার্যক্রম দীর্ঘদিন ধরেই হচ্ছে না।
খাদ্য বিভাগের নথি অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে হাস্কিং মিলের মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ সেদ্ধ চাল সংগ্রহের চুক্তি করা হয়েছে। তবে মাঠপর্যায়ের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, তালিকাভুক্ত অনেক হাস্কিং মিলের নিজস্বভাবে ধান ভাঙা, চাল বাছাই কিংবা মান নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম পরিচালনার মতো সক্ষমতা নেই।
স্থানীয় মিল মালিক ও সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, বাস্তবে হাস্কিং মিল মালিকদের প্রায় সবাইকে চাল বাছাই ও মানোন্নয়নের জন্য অটো রাইস মিলের ওপর নির্ভর করতে হয়। ফলে হাস্কিং মিলের নামে বরাদ্দ দেওয়া হলেও চাল প্রক্রিয়াজাতকরণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে অন্য মিল কিংবা তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে। এতে প্রশ্ন উঠেছে, সরেজমিনে অচল বা সীমিত সক্ষমতাসম্পন্ন মিলের নামে কীভাবে সরকারি খাদ্য সংগ্রহের বরাদ্দ দেওয়া হলো এবং সংগৃহীত চালের মান যাচাই কীভাবে নিশ্চিত করা হচ্ছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, মেসার্স চৌধুরী অটো রাইস মিলের স্বত্বাধিকারী এবং ক্ষেতলাল উপজেলা মিল মালিক সমিতির সভাপতি রওনকুল ইসলাম টিপু চৌধুরীর অটো রাইস মিলটি ২০২২ সাল থেকে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় থাকা সত্ত্বেও চাল সরবরাহের বরাদ্দ পায়। বর্তমানে তিনি বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়েছেন। কিন্তু পল্লী বিদ্যুৎ অফিস থেকে সে বিষয়ে কোনো কাগজ উপজেলা খাদ্যনিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ে না আসায় তার নামে বরাদ্দকৃত চাল গ্রহণ করেনি উপজেলা খাদ্য বিভাগ।
কাগজে সচল থাকলেও মাঠে অচল ক্ষেতলাল উপজেলার ইটাখোলা এলাকার রাজিব চালকল, যার স্বত্বাধিকারী খলিলুর রহমান। এ তালিকায় আছে একই এলাকার পোদ্দর চালকল; যার স্বত্বাধিকারী মোহাম্মদ আলী।
খাদ্য খাতসংশ্লিষ্টদের মতে, জয়পুরহাটে হাস্কিং মিলভিত্তিক চাল সংগ্রহ ব্যবস্থা বাস্তবতার সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। কাগুজে সক্ষমতার ওপর নির্ভর করে বরাদ্দ দেওয়ায় মাঠপর্যায়ে অস্বচ্ছতা তৈরি হচ্ছে। তাদের মতে, হাস্কিং মিলের প্রকৃত উৎপাদন সক্ষমতা যাচাই, বিদ্যুৎ সংযোগ ও কার্যক্রম নিশ্চিত করা এবং প্রয়োজনে অটো রাইস মিলভিত্তিক একটি স্বচ্ছ সংগ্রহকাঠামো গড়ে তোলা না হলে ভবিষ্যতেও একই ধরনের প্রশ্ন উঠবে।
জানতে চাইলে জেলা মিল মালিক সমিতির সভাপতি লায়েক আলী বলেন, বিগত সরকারের চাল সংগ্রহ নীতিমালার কারণে হাস্কিং মিল মালিকেরা চরম সংকটে পড়েছেন। তারা চাল সরবরাহের যে বরাদ্দ পান, তা ছাঁটাই-বাছাইসহ বিভিন্ন প্রক্রিয়ার জন্য অটো রাইস মিলের কাছে যেতে হয়। এতে হাস্কিং মিল মালিকেরা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অটো মিল মালিকদের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন।
লায়েক আলী আরও বলেন, সরকার যে চাল সংগ্রহ করে তা ত্রাণ এবং অন্যান্য সরকারি সহায়তা কার্যক্রমে বিতরণ করা হয়। এসব চাল নির্ধারিত নীতিমালা অনুযায়ী প্রস্তুত না হলে গ্রহণ করা হয় না। নীতিমালা সংশোধনের দাবিতে খাদ্য বিভাগসহ মন্ত্রী ও সচিব পর্যায়েও একাধিকবার যোগাযোগ করা হয়েছে। তবে আশানুরূপ সাড়া মেলেনি।
জেলা মিল মালিক সমিতির সভাপতির বক্তব্যের সঙ্গে একমত প্রকাশ করে জেলা খাদ্যনিয়ন্ত্রক শাকিল আহমেদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, সরকারি নীতিমালার কারণেই এ ধরনের সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। নীতিমালার বাইরে গিয়ে কাজ করার সুযোগ কারও নেই।
ভবিষ্যতে নীতিমালার পরিবর্তনের মাধ্যমে এ সমস্যার সমাধান হবে বলে তিনি আশাবাদী।
এ বিষয়ে ক্ষেতলাল উপজেলা খাদ্যনিয়ন্ত্রক শামীমা আখতার বলেন, ‘আমি সদ্য এ উপজেলায় যোগদান করেছি। আমার যোগদানের পূর্বে বরাদ্দের জন্য মিলের তালিকা প্রস্তুত করা হয়। সে ক্ষেত্রে সামান্য ত্রুটি-বিচ্যুতি দেখা দিয়েছে। নীতিমালা মেনেই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’
জেলা খাদ্য বিভাগের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, হাস্কিং মিলসংক্রান্ত অভিযোগ এবং পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কার্যক্রম এখনো চলমান রয়েছে। সব প্রক্রিয়া শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মানিকগঞ্জে শামসুল আলম (৫০) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ সোমবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত শামসুল আলম সদর উপজেলার কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের মৃত আতা মিয়ার ছেলে। তিনি মানসিক রোগী ছিলেন বলে জানা গেছে।
২৪ জানুয়ারি ২০২২
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের অধিকাংশই কোটিপতি। পাশাপাশি জামায়াতের প্রার্থীরা হলেন লাখপতি। নির্বাচনে কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।
৪ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে ছয়জন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে নামলেও বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। এই দুই প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবিরা সুলতানার সোনার গয়না আছে ৩০ তোলার; যার দাম ৫০ হাজার টাকা। জামায়াতের...
৪ ঘণ্টা আগে
বিরোধপূর্ণ একটি জমি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) হস্তান্তর করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। গত ৮ ডিসেম্বর চসিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ছয় একর জমি হস্তান্তর করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে ওই জমি একসনা (এক বছরের জন্য) ইজারা নিয়ে ২০ বছরের জন্য লিজ দেওয়ার উদ্যোগ...
৪ ঘণ্টা আগে