কুমিল্লা থেকে চার বন্ধু মিলে চট্টগ্রামের মীরসরাই উপজেলার জোরারগঞ্জ থানার সোনাইপাহাড়ের ম্যালকুম ট্রেইলে ঘুরতে গিয়েছিলেন। ঘুরতে ঘুরতে অনেকগুলো ছোট–বড় পাহাড় পাড়ি দিয়ে, ঝিরিপথে ঘুরে, ঝরনা দেখে ফেরার পথে পথ হারিয়ে ফেলেন তাঁরা। যে জায়গায় তাঁরা ছিলেন সেখানে মোবাইল ফোনের নেটওয়ার্কও ঠিকমতো কাজ করছিল না। যার কারণে গুগল ম্যাপের সাহায্য নিতে পারেননি তাঁরা। ঘণ্টা তিনেক ঘুরে উপায় না পেয়ে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯–এ ফোন করে সাহায্য চান তাঁরা।
গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে চার বন্ধুদের একজন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের শিক্ষার্থী আদনান সামির (২০) কল পেয়ে পাহাড় থেকে তাদের উদ্ধার করে পুলিশ।
আজ বুধবার বিকেলে ৯৯৯ সেবার পরিদর্শক আনোয়ার সাত্তার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আনোয়ার সাত্তার বলেন, কলার ৯৯৯–এ কল করে বলেন, তাঁরা ঘুরতে ঘুরতে ক্লান্ত পরিশ্রান্ত, তিনি তাঁদের উদ্ধারের ব্যবস্থা নিতে ৯৯৯–এর কাছে অনুরোধ জানান।
৯৯৯–এর কনস্টেবল শায়লা শারমিন কলটি রিসিভ করেছিলেন। কনস্টেবল শায়লা তাৎক্ষণিকভাবে জোরারগঞ্জ থানায় বিষয়টি জানিয়ে উদ্ধারের ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জানান। পরবর্তীতে ৯৯৯ ডিস্পাচার এস আই রেজাউল করিম সংশ্লিষ্ট থানা–পুলিশ এবং কলারের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করে উদ্ধারে কাজ শুরু করেন।
খবর পেয়ে জোরারগঞ্জ থানা–পুলিশের একটি দল থানা থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত সোনাইপাহাড়ের ম্যালকুম ট্রেইল থেকে প্রায় দুই ঘণ্টা খোঁজাখুঁজি করে চার তরুণকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

‘মোবাইল ফোনে আমাকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। হুমকি পেয়ে ব্যক্তিগত সুরক্ষার জন্য বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট পরে সকল প্রস্তুতি নিয়ে বাসা থেকে বের হয়েছি। নিজের নিরাপত্তা নিজেকেই করতে হবে।’
৩ মিনিট আগে
স্বেচ্ছাসেবক লীগের এই নেতাকে আজ রিমান্ড শুনানির জন্য কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। তাঁর পক্ষে আইনজীবী ওবায়দুল ইসলাম রিমান্ড আবেদন বাতিল চেয়ে জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করেন এবং দুই দিন রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
২৪ মিনিট আগে
চাঁপাইনবাবগঞ্জের জামায়াতের প্রার্থী নুরুল ইসলাম বুলবুলের দাঁড়িপাল্লার ব্যানার, ফেস্টুন পুড়িয়ে ও ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। গতকাল বুধবার (২১ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে সদর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা ইউনিয়নে ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় এসব ব্যানার, ফেস্টুন পোড়া
২৮ মিনিট আগে
আবেদনে বলা হয়েছে, লে. কর্নেল (অব.) কাজী মমরেজ মাহমুদ দুর্নীতি দমন কমিশনে দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে ৪৫ লাখ ১৫ হাজার টাকার সম্পদ গোপনের মাধ্যমে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বিবরণী দাখিল করে এবং জ্ঞাত আয়-বহির্ভূত ১৩ লাখ ৭৩ হাজার টাকা মূল্যের সম্পদ অর্জনপূর্বক দখলে রাখায় দুর্নীতি দমন কমিশন মামলা করেছে।
১ ঘণ্টা আগে