
বাংলা নববর্ষ বরণ করে নিতে রাজধানীজুড়ে চলছে নানা আয়োজন। রবীন্দ্র সরোবরে ইস্পাহানি-চ্যানেল আই-সুরের ধারা’র গানের সুরে বরণ করা হলো নতুন বছরকে।
আজ সোমবার সকাল ৬টায় শুরু হয়ে এই আয়োজন চলে সকাল ৯টা পর্যন্ত। নতুন সূর্যের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গেই ভরে ওঠে রবীন্দ্র সরোবর প্রাঙ্গণ। নববর্ষকে বরণ করতে রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছুটে আসেন দর্শনার্থীরা।
অনুষ্ঠানে সুরের ধারার শিল্পীরা ছিল মূল প্রাণ। পাশাপাশি গান ও নৃত্য পরিবেশন করেন দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা ভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর শিল্পীরা। তাদের পরিবেশনায় ফুটে ওঠে বাংলা সংস্কৃতির বৈচিত্র্য ও বহুমাত্রিকতা।
বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের তিন শিল্পীর সরোদের সুরে সুরে বাংলা নতুন বছর ১৪৩২ বরণ করে নেওয়া হয়। একে একে পরিবেশিত হয় দেশাত্মবোধক গান, রবীন্দ্রসংগীত, লোকগীতিসহ পঞ্চকবির গান। পরে শিশুদের কণ্ঠে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত ‘আলো আমার আলো ওগো, আলো ভুবন ভরা’ গানটি পরিবেশিত হয়।
সম্মিলিত শিল্পীদের কণ্ঠে পরিবেশিত হয় কাজী নজরুলের ইসলামের রচিত গান ‘প্রভাত বীণা তব বাজে’।
পার্বত্য অঞ্চলের ভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর শিল্পীরা তাদের আঞ্চলিক ভাষায় ‘আমাদের দেশ হীরা-মানিক, সোনা, রুপায় ভরা’ গানটি পরিবেশন করেন।
প্রতিবারের মতো চ্যানেল আই-সুরের ধারা আয়োজিত এবারের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানেও অংশ নিয়েছেন দেশের বিভিন্ন স্থানের শিল্পীরা। একক সংগীত, সমবেত কণ্ঠে বর্ষবরণ হয়ে ওঠে ছন্দময়।

বাগেরহাটের ফকিরহাটে ভৈরব নদ পুনঃখননে ব্যয় হয়েছিল ২৩ কোটি টাকা। লক্ষ্য ছিল নাব্যতা ফিরিয়ে এনে আশপাশের এলাকার জলাবদ্ধতা কমানো এবং নৌপথ সচল করা। কিন্তু খননের ছয় মাসের মধ্যেই নদ আবার পলি জমে ভরাট হয়ে যায়। বন্ধ হয়ে যায় নৌযান চলাচল।
২ ঘণ্টা আগে
কোলে দুই বছরের কন্যাশিশু। পরনে মলিন পোশাক। মাথার ওপর ছাদ বলতে চুয়াডাঙ্গা শহরের একটি সড়কের পাশের পরিত্যক্ত পানির ট্যাংকের একটুখানি ছাউনি। রোদ-বৃষ্টি কিংবা কনকনে শীত—সব আবহাওয়াতেই মা-মেয়ের ঠিকানা এই একচিলতে ফুটপাত।
২ ঘণ্টা আগে
পঞ্চগড়ে ১১টি সরকারি প্রাথমিক স্কুলের ওয়াশ ব্লক নির্মাণের মেয়াদ শেষ হলেও সাতটির কাজ এখনো শুরু হয়নি। এমনকি ওই সব স্কুলের প্রধান শিক্ষকেরা জানেন না এমন প্রকল্পের অনুমোদন হয়েছে। তাঁদের দাবি, বিদ্যালয়ের নামে দরপত্র হলেও এ বিষয়ে কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি। তাঁরা সম্পূর্ণ অন্ধকারে ছিলেন।
২ ঘণ্টা আগে
১৫০ বাংলো ও ৭০০ দ্বিকক্ষবিশিষ্ট কোয়ার্টারে সুপেয় পানি সরবরাহের জন্য নীলফামারীর সৈয়দপুর শহরে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ৮টি গভীর নলকূপ এবং ৫০ হাজার লিটার ধারণক্ষমতাসম্পন্ন ৮টি ওভারহেড পানির ট্যাংক স্থাপন করা হয়েছিল। ৪০ বছর আগে এই ব্যবস্থা অচল হয়ে পড়ে।
২ ঘণ্টা আগে