
এবারের প্রতিপাদ্য ‘নববর্ষের ঐকতান, গণতন্ত্রের পুনরুত্থান’। শোভাযাত্রায় আবহমান বাংলার ঐতিহ্য ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা তুলে ধরতে পাঁচটি মোটিফ রাখা হয়েছে—লাল ঝুঁটির মোরগ, কাঠের হাতি, পায়রা, দোতারা ও টেপা পুতুলের কায়দায় তৈরি করা ঘোড়া।

সকাল সোয়া ৬টায় সম্মিলিত গান ‘জাগো আলোক লগনে’ গেয়ে শুরু হয়েছে ছায়ানটের নতুন বছরকে আবাহন। একে একে পরিবেশিত হয় রবীন্দ্রসংগীত ‘এ কী সুগন্ধহিল্লোল বহিল’ ও ‘তোমার হাতের রাখীখানি বাঁধো আমার দখিন-হাতে’, ‘বাজাও আমারে বাজাও’।

নববর্ষের আগমন, ঐক্য, শান্তি ও উত্তরণের প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ জাঁকজমকপূর্ণভাবে পালিত হতে যাচ্ছে। পয়লা বৈশাখ উপলক্ষে দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে। বৈশাখী মেলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, কনসার্ট ও আর্ট প্রতিযোগিতাসহ নানা আয়োজন থাকছে এবারের

পুরোনোকে বিদায় জানিয়ে নতুনকে বরণ করে নেওয়ার ব্যাপারটি সত্যিই বিশেষ। একটি বছর ঘুরে যখন নতুন বছর আসে, তখন আমাদের মনে জাগে একরাশ প্রত্যাশা। এই নতুন সময়ে আমরা বেশ কিছু ছোট ছোট কাজ করে নিজের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার চেষ্টা করি। বছরের প্রথম দিন প্রতিটি কাজই আমরা এমনভাবে করার চেষ্টা করি যাতে পুরো বছরে