জাবি প্রতিনিধি

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) পরিসংখ্যান বিভাগের একজন শিক্ষককে যৌন হয়রানির অভিযোগে প্রকাশ্যে লাঞ্ছিত করায় প্রতিবাদ করেছে সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীরা। আজ মঙ্গলবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার সংলগ্ন সড়কে শতাধিক শিক্ষার্থী এ মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেন।
মানববন্ধনে ছাত্ররা দাবি করেন, ‘ঘটনাটি পূর্ব পরিকল্পিত ছিল। দুষ্কৃতকারীরা আমাদের শিক্ষকের কাছ হতে মোটা অঙ্কের অর্থও দাবি করে। স্যারের, বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তোলা হয়েছে তা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা হোক। পাশাপাশি যারা একজন শিক্ষকের গায়ে হাত তুলেছে তাদের অবিলম্বে শাস্তির আওতায় নিয়ে আসতে হবে।’
জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগে সহকারী অধ্যাপকের পাশাপাশি ভুক্তভোগী শিক্ষক নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ এনে নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষার্থী শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন। শিক্ষার্থীরা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত না হলে বৃহত্তর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেয়।
২০১৪–১৫ ব্যাচের (৪৪ ব্যাচ) শিক্ষার্থী তানভীর আহমেদ পিয়াস বলেন, ‘আমাদের শিক্ষককে যেভাবে অপমান করা হয়েছে তা শুধু একজন শিক্ষককে অপমান নয়, পুরো জাতির শিক্ষকদের অপমান করা হয়েছে। ঘটনাটি খতিয়ে দেখলেই বোঝা যাবে এটা পূর্ব পরিকল্পিত। তারা স্যারের কাছে থেকে টাকাও দাবি করেছে এবং কার্ড (এটিএম) নিয়েছে। আমরা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করছি। অন্যথায় আমরা বৃহত্তর কর্মসূচিতে যাব।’
অপর শিক্ষার্থী সুমায়াইয়া শারমিন সূচনা বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির একটি অভিযোগ আনা হয়েছে। ঘটনাটি সত্য হলে তার বিচার হোক। কিন্তু প্রমাণ হওয়ার আগেই এভাবে দিনে দুপুরে একজন শিক্ষার্থী, শিক্ষকের গায়ে হাত তুলতে পারে না। তা ছাড়া অভিযোগ অনুযায়ী ওই শিক্ষার্থী অনেক সময় পেয়েছিল তাঁর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানোর। নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে তার বিচার হতে পারে। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই।’
মানববন্ধনে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৬ ব্যাচের শিক্ষার্থী সোহেল বলেন, ‘কোন কিছু যাচাই-বাছাই না করে একজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হলো, তাঁকে যেভাবে শারীরিক হেনস্তা করা হলো এটা খুবই খারাপ বিষয়। স্যার যদি কোন ভুল করে থাকেন বা তাঁর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ যদি সত্য হয়ে থাকে তাহলে তিনি শাস্তি পাবেন। আমাদের দাবি স্যারের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ এসেছে তার সুষ্ঠু তদন্ত হোক। অন্যদিকে যারা এ রকম একটি অপকর্ম চালিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক।’
এদিকে অভিযুক্ত শিক্ষক দাবি করেন, তিনি এ রকম কোন কাজ করেননি। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়টির কয়েকজন শিক্ষার্থী রাজধানীর একটি রেস্টুরেন্টের সামনে তাঁর গায়ে হাত তোলেন এবং মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করেন।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) পরিসংখ্যান বিভাগের একজন শিক্ষককে যৌন হয়রানির অভিযোগে প্রকাশ্যে লাঞ্ছিত করায় প্রতিবাদ করেছে সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীরা। আজ মঙ্গলবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার সংলগ্ন সড়কে শতাধিক শিক্ষার্থী এ মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেন।
মানববন্ধনে ছাত্ররা দাবি করেন, ‘ঘটনাটি পূর্ব পরিকল্পিত ছিল। দুষ্কৃতকারীরা আমাদের শিক্ষকের কাছ হতে মোটা অঙ্কের অর্থও দাবি করে। স্যারের, বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তোলা হয়েছে তা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা হোক। পাশাপাশি যারা একজন শিক্ষকের গায়ে হাত তুলেছে তাদের অবিলম্বে শাস্তির আওতায় নিয়ে আসতে হবে।’
জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগে সহকারী অধ্যাপকের পাশাপাশি ভুক্তভোগী শিক্ষক নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ এনে নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষার্থী শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন। শিক্ষার্থীরা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত না হলে বৃহত্তর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেয়।
২০১৪–১৫ ব্যাচের (৪৪ ব্যাচ) শিক্ষার্থী তানভীর আহমেদ পিয়াস বলেন, ‘আমাদের শিক্ষককে যেভাবে অপমান করা হয়েছে তা শুধু একজন শিক্ষককে অপমান নয়, পুরো জাতির শিক্ষকদের অপমান করা হয়েছে। ঘটনাটি খতিয়ে দেখলেই বোঝা যাবে এটা পূর্ব পরিকল্পিত। তারা স্যারের কাছে থেকে টাকাও দাবি করেছে এবং কার্ড (এটিএম) নিয়েছে। আমরা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করছি। অন্যথায় আমরা বৃহত্তর কর্মসূচিতে যাব।’
অপর শিক্ষার্থী সুমায়াইয়া শারমিন সূচনা বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির একটি অভিযোগ আনা হয়েছে। ঘটনাটি সত্য হলে তার বিচার হোক। কিন্তু প্রমাণ হওয়ার আগেই এভাবে দিনে দুপুরে একজন শিক্ষার্থী, শিক্ষকের গায়ে হাত তুলতে পারে না। তা ছাড়া অভিযোগ অনুযায়ী ওই শিক্ষার্থী অনেক সময় পেয়েছিল তাঁর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানোর। নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে তার বিচার হতে পারে। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই।’
মানববন্ধনে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৬ ব্যাচের শিক্ষার্থী সোহেল বলেন, ‘কোন কিছু যাচাই-বাছাই না করে একজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হলো, তাঁকে যেভাবে শারীরিক হেনস্তা করা হলো এটা খুবই খারাপ বিষয়। স্যার যদি কোন ভুল করে থাকেন বা তাঁর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ যদি সত্য হয়ে থাকে তাহলে তিনি শাস্তি পাবেন। আমাদের দাবি স্যারের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ এসেছে তার সুষ্ঠু তদন্ত হোক। অন্যদিকে যারা এ রকম একটি অপকর্ম চালিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক।’
এদিকে অভিযুক্ত শিক্ষক দাবি করেন, তিনি এ রকম কোন কাজ করেননি। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়টির কয়েকজন শিক্ষার্থী রাজধানীর একটি রেস্টুরেন্টের সামনে তাঁর গায়ে হাত তোলেন এবং মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করেন।

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে সন্দেহের জেরে ‘মাদকাসক্ত’ একদল যুবকের হামলায় আহত কলেজছাত্র আশরাফুল ইসলাম চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। গতকাল মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বেলা ৩টার দিকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
২ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর ভাটারা থানার ভেতর থেকে চুরি হওয়া সেই মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। একই সঙ্গে চোর চক্রের চার সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ভাটারা থানা-পুলিশ। আজ মঙ্গলবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার দুজনের নাম ইব্রাহিম (২৮) ও রহমতুল্লাহ (২২)।
৯ ঘণ্টা আগে
সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুর, আলীনগর ও ছিন্নমূল; এসব এলাকার হাজারো পাহাড় মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়ার সঙ্গে সন্ত্রাসী আলী আক্কাস, কাজী মশিউর রহমান, ইয়াসিন মিয়া, গোলাম গফুর, রোকন উদ্দিন ওরফে রোকন মেম্বার, রিদোয়ান ও গাজী সাদেকের নাম ঘুরেফিরে আসে। চার দশক ধরে ওই সব এলাকার সরকারি পাহাড় কেটে আবাসন...
৯ ঘণ্টা আগে
সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যায়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন নিয়ে আগামীকাল বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুর ১২টায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। একই সঙ্গে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা।
১০ ঘণ্টা আগে