নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে গৃহকর্মী লিজা আক্তারের মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা করা হত্যা মামলায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জুয়েল রানাকে ৪ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।
আজ শুক্রবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ফারজানা শাকিলা সুমু চৌধুরী রিমান্ডে নেওয়ার এই নির্দেশ দেন।
বিকেলে জুয়েল রানাকে আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রমনা থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. পায়েল হোসেন তাকে ৭দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন।
এ সময় আসামিপক্ষে রিমান্ড বাতিল ও জামিন চেয়ে শুনানী করেন। শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমতিসাপেক্ষে ডিপ্লোম্যাটিক সিকিউরিটি বিভাগে কর্মরত অবস্থায় গতকাল বৃহস্পতিবার জুয়েল রানাকে আটক করে পুলিশ। এরপর লিজা আক্তার হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়।
গত ৫ সেপ্টেম্বর লিজার বাবা মো. জয়নাল শিকদার বাদী হয়ে শেখ হাসিনাসহ ১৭৪ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন।
এ মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ১৮ জুলাই বিকেল ৫ টায় রাজধানীর শান্তিনগর মোড়ের কানিফা টাওয়ারের ১৪ তলার বারান্দায় দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় ওই বাসার গৃহকর্মী লিজা আক্তার (১৯) গুলিবিদ্ধ হন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে রাস্তায় তখন মিছিল সমাবেশ চলছিল। আন্দোলন দমন করার জন্য পুলিশ এবং আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা নির্বিচারে গুলি চালায়। ওইগুলি এসে লিজা আক্তারের পেটে লাগে। পেট ভেট করে গুলি পিঠ দিয়ে বের হয়ে যায়। তাকে স্থানীয় অরোরা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য পপুলার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় ২২ জুলাই মৃত্যুবরণ করেন লিজা আক্তার।
তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছেন, জুয়েল রানা লিজা আক্তার হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত রয়েছেন বলে তথ্য প্রমাণ পাওয়া গেছে। ঘটনার সঙ্গে আর কারা জড়িত ছিলেন তাদের শনাক্ত করা এবং ঘটনার মূল রহস্য উদ্ঘাটনের জন্য তাকে সাত দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে গৃহকর্মী লিজা আক্তারের মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা করা হত্যা মামলায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জুয়েল রানাকে ৪ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।
আজ শুক্রবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ফারজানা শাকিলা সুমু চৌধুরী রিমান্ডে নেওয়ার এই নির্দেশ দেন।
বিকেলে জুয়েল রানাকে আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রমনা থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. পায়েল হোসেন তাকে ৭দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন।
এ সময় আসামিপক্ষে রিমান্ড বাতিল ও জামিন চেয়ে শুনানী করেন। শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমতিসাপেক্ষে ডিপ্লোম্যাটিক সিকিউরিটি বিভাগে কর্মরত অবস্থায় গতকাল বৃহস্পতিবার জুয়েল রানাকে আটক করে পুলিশ। এরপর লিজা আক্তার হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়।
গত ৫ সেপ্টেম্বর লিজার বাবা মো. জয়নাল শিকদার বাদী হয়ে শেখ হাসিনাসহ ১৭৪ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন।
এ মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ১৮ জুলাই বিকেল ৫ টায় রাজধানীর শান্তিনগর মোড়ের কানিফা টাওয়ারের ১৪ তলার বারান্দায় দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় ওই বাসার গৃহকর্মী লিজা আক্তার (১৯) গুলিবিদ্ধ হন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে রাস্তায় তখন মিছিল সমাবেশ চলছিল। আন্দোলন দমন করার জন্য পুলিশ এবং আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা নির্বিচারে গুলি চালায়। ওইগুলি এসে লিজা আক্তারের পেটে লাগে। পেট ভেট করে গুলি পিঠ দিয়ে বের হয়ে যায়। তাকে স্থানীয় অরোরা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য পপুলার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় ২২ জুলাই মৃত্যুবরণ করেন লিজা আক্তার।
তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছেন, জুয়েল রানা লিজা আক্তার হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত রয়েছেন বলে তথ্য প্রমাণ পাওয়া গেছে। ঘটনার সঙ্গে আর কারা জড়িত ছিলেন তাদের শনাক্ত করা এবং ঘটনার মূল রহস্য উদ্ঘাটনের জন্য তাকে সাত দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।

নিহত ব্যক্তির বড় ভাই নয়ন চক্রবর্তী বলেন, পারিবারিক বিষয় নিয়ে সামান্য মতবিরোধের পর ১৬ জানুয়ারি সকালে বাড়িতে মোবাইল ফোন রেখে বের হন জয়। এর পর থেকে তাঁর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। পরদিন (১৭ জানুয়ারি) কুমিল্লা কোতোয়ালি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে
২৭ মিনিট আগে
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্তমানে নভোএয়ার প্রতিদিন চট্টগ্রাম রুটে একটি করে ফ্লাইট পরিচালনা করছে। ফ্লাইটটি ঢাকা থেকে বেলা ১টা ১৫ মিনিটে চট্টগ্রামের উদ্দেশে এবং চট্টগ্রাম থেকে বেলা ২টা ৪০ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশে উড্ডয়ন করে। নতুন ফ্লাইটটি প্রতি সোম, মঙ্গল, বুধ ও বৃহস্পতিবার ঢাকা থেকে বিকেল ৪টা ১৫ মিনিটে...
৩০ মিনিট আগে
অভিযোগে বলা হয়, ‘আমরা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ করছি যে আসন্ন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সহযোগী জাতীয় পার্টিসহ স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থার বিভিন্ন সহযোগী ব্যক্তি ও গোষ্ঠী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন এবং প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। এ সকল ব্যক্তি ও দল অতীতে গণতন্ত্র ধ্বংস, ভোটাধিকার হরণ, মানবাধিকার...
৪৪ মিনিট আগে
খাদেমুল ইসলাম খুদি এর আগে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের জোটসঙ্গী দল জাসদের কেন্দ্রীয় নেতা ছিলেন। পরে তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দেন। গত বছরের ৩ ডিসেম্বর এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যসচিব আখতার হোসেন ও উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের অনুমোদনে খুদিকে আহ্বায়ক করে
১ ঘণ্টা আগে