জাবি প্রতিনিধি

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) উপাচার্যের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ তুলেছে শিক্ষক ঐক্য পরিষদ। এ সময় তাঁকে দায়িত্বজ্ঞানহীন বলেও উল্লেখ করা হয়। আজ রোববার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ক্যাফেটেরিয়ার শিক্ষক লাউঞ্জে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ তোলা হয়। আগামী ১৬ অক্টোবর শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ইশতেহারে ১৩টি প্রতিশ্রুতি তুলে ধরা হয়।
এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ কামরুল আহছান বলেন, ‘উপাচার্য বিভিন্ন ক্ষেত্রে চরম উদাসীনতা ও দায়িত্বজ্ঞানহীনতার পরিচয় দিয়ে যাচ্ছেন। নৈতিক অসচ্চরিত্রের অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হলেও পাবলিক হেলথ অ্যান্ড ইনফরমেটিকস বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মাহমুদুর রহমান জনিকে বরখাস্ত না করা, সমাবর্তনের আয়-ব্যয়ের হিসাব না দেওয়া, ক্যাম্পাসে দল-মত নির্বিশেষে সব শিক্ষার্থীর সহাবস্থান নিশ্চিত না করা ইত্যাদি তার প্রকৃষ্ট উদাহরণ।’
অধ্যাপক কামরুল আহছান আরও বলেন, ‘সম্প্রতি মওলানা ভাসানী হলে মাদক সেবন, বিপণনের আখড়া ও টর্চার সেল নামে কুখ্যাত হয়ে ওঠা ১২৬ নম্বর কক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থীকে মধ্যরাতে ডেকে নিয়ে একজন অছাত্র ও তার কয়েকজন সহযোগী বর্বর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করলেও উপাচার্য এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেননি।’
শিক্ষক ঐক্য পরিষদের নেতৃবৃন্দ বলেন, ‘বর্তমান প্রশাসন বিশ্ববিদ্যালয়কে গণ্ডিবদ্ধ করার নানা আয়োজনে ব্যস্ত। বিশেষ করে শিক্ষকসহ সব পর্যায়ে নিয়োগে স্বজনপ্রীতি ও দলীয়করণ, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় একদল উচ্ছৃঙ্খল শিক্ষার্থীর অযাচিত ও নজিরবিহীন হস্তক্ষেপ, উন্নয়ন প্রকল্পের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত না করাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এ বিশ্ববিদ্যালয়কে গণ্ডিবদ্ধ করার আয়োজনের প্রভাব ক্রমান্বয়ে বেড়েই চলেছে।’
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের একাংশের সংগঠন ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শের শিক্ষক পরিষদ’-এর আহ্বায়ক অধ্যাপক মোতাহার হোসেন, সদস্য অধ্যাপক সোহেল আহমেদ, জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের পক্ষে অধ্যাপক সৈয়দ মোহাম্মদ কামরুল আহছান, অধ্যাপক শামছুল আলম, অধ্যাপক কামরুল আহসান, অধ্যাপক সোহেল রানা, অধ্যাপক মাফরুহী সাত্তার, অধ্যাপক মনোয়ার হোসেন, অধ্যাপক আব্দুর রব, অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম, অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, অধ্যাপক আমিনুর রহমান, সহযোগী অধ্যাপক মাসুদা পারভীন, সহযোগী অধ্যাপক আমিনা ইসলাম, সহযোগী অধ্যাপক রেজাউল রকিব, সহযোগী অধ্যাপক রায়হান শরীফ প্রমুখ।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) উপাচার্যের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ তুলেছে শিক্ষক ঐক্য পরিষদ। এ সময় তাঁকে দায়িত্বজ্ঞানহীন বলেও উল্লেখ করা হয়। আজ রোববার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ক্যাফেটেরিয়ার শিক্ষক লাউঞ্জে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ তোলা হয়। আগামী ১৬ অক্টোবর শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ইশতেহারে ১৩টি প্রতিশ্রুতি তুলে ধরা হয়।
এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ কামরুল আহছান বলেন, ‘উপাচার্য বিভিন্ন ক্ষেত্রে চরম উদাসীনতা ও দায়িত্বজ্ঞানহীনতার পরিচয় দিয়ে যাচ্ছেন। নৈতিক অসচ্চরিত্রের অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হলেও পাবলিক হেলথ অ্যান্ড ইনফরমেটিকস বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মাহমুদুর রহমান জনিকে বরখাস্ত না করা, সমাবর্তনের আয়-ব্যয়ের হিসাব না দেওয়া, ক্যাম্পাসে দল-মত নির্বিশেষে সব শিক্ষার্থীর সহাবস্থান নিশ্চিত না করা ইত্যাদি তার প্রকৃষ্ট উদাহরণ।’
অধ্যাপক কামরুল আহছান আরও বলেন, ‘সম্প্রতি মওলানা ভাসানী হলে মাদক সেবন, বিপণনের আখড়া ও টর্চার সেল নামে কুখ্যাত হয়ে ওঠা ১২৬ নম্বর কক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থীকে মধ্যরাতে ডেকে নিয়ে একজন অছাত্র ও তার কয়েকজন সহযোগী বর্বর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করলেও উপাচার্য এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেননি।’
শিক্ষক ঐক্য পরিষদের নেতৃবৃন্দ বলেন, ‘বর্তমান প্রশাসন বিশ্ববিদ্যালয়কে গণ্ডিবদ্ধ করার নানা আয়োজনে ব্যস্ত। বিশেষ করে শিক্ষকসহ সব পর্যায়ে নিয়োগে স্বজনপ্রীতি ও দলীয়করণ, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় একদল উচ্ছৃঙ্খল শিক্ষার্থীর অযাচিত ও নজিরবিহীন হস্তক্ষেপ, উন্নয়ন প্রকল্পের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত না করাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এ বিশ্ববিদ্যালয়কে গণ্ডিবদ্ধ করার আয়োজনের প্রভাব ক্রমান্বয়ে বেড়েই চলেছে।’
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের একাংশের সংগঠন ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শের শিক্ষক পরিষদ’-এর আহ্বায়ক অধ্যাপক মোতাহার হোসেন, সদস্য অধ্যাপক সোহেল আহমেদ, জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের পক্ষে অধ্যাপক সৈয়দ মোহাম্মদ কামরুল আহছান, অধ্যাপক শামছুল আলম, অধ্যাপক কামরুল আহসান, অধ্যাপক সোহেল রানা, অধ্যাপক মাফরুহী সাত্তার, অধ্যাপক মনোয়ার হোসেন, অধ্যাপক আব্দুর রব, অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম, অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, অধ্যাপক আমিনুর রহমান, সহযোগী অধ্যাপক মাসুদা পারভীন, সহযোগী অধ্যাপক আমিনা ইসলাম, সহযোগী অধ্যাপক রেজাউল রকিব, সহযোগী অধ্যাপক রায়হান শরীফ প্রমুখ।

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নে গুলিবিদ্ধ শিশু আফনান ও নাফ নদীতে মাইন বিস্ফোরণে আহত যুবক মো. হানিফের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে উপজেলা প্রশাসন। পাশাপাশি জেলা পরিষদের পক্ষ থেকেও আরও কিছু অনুদান দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।
৪ মিনিট আগে
ডা. মহিউদ্দিনকে কারাগার থেকে আজ আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. মিজানুর রহমান তাঁকে জুলাই আন্দোলনে মিরপুর থানার মাহফুজ আলম শ্রাবণ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।
১৭ মিনিট আগে
ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় খাগড়াছড়ি জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল মোমেন বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
১ ঘণ্টা আগে
আহত ব্যক্তিদের মধ্যে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই ফরিদ আহমেদ গুরুতর আহত হয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন। অন্য চার পুলিশ সদস্য প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুস সাকিব।
১ ঘণ্টা আগে