রাজধানীর ডেমরায় শীতলক্ষ্যা নদীতে নৌকা ডুবে নিখোঁজ হওয়ার এক দিন পর দুই মাদ্রাসাছাত্রের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তারা হলো মো. সাফওয়ান সুরাইম (১৭) ও আব্দুর রউফ (১৬)।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) ও বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড ঢাকা জোনের যৌথ অভিযানে আজ শনিবার বিকেলে রূপগঞ্জের তারাব শবনম মিলসংলগ্ন নদী থেকে দুই ছাত্রের লাশ উদ্ধার করা হয়।
এর মধ্যে লাশ দুটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডেমরা নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক মো. শহিদুল ইসলাম।
নৌকা ডুবে মারা যাওয়া সাফওয়ান রূপগঞ্জের তারাব এলাকার বাসিন্দা মাওলানা আব্দুল জলিলের ছেলে। আর আব্দুর রউফের বাড়ি ঢাকার মোহাম্মদপুরে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল বিকেলে ৮ বন্ধু মিলে রাজধানীর ডেমরা সেতুসংলগ্ন শীতলক্ষ্যা নদীতে নৌকায় করে ঘুরতে গিয়েছিল। তারা সবাই ঢাকার হাজারীবাগ দারুল উলুম মাদ্রাসার ছাত্র। ঘোরাঘুরির একপর্যায়ে বাল্কহেডের ধাক্কায় নৌকাটি ডুবে যায়। আরোহীদের মধ্যে ৬ জনকে ওই সময়েই ডেমরা খেয়াঘাটের মাঝি ও স্থানীয়রা উদ্ধার করতে পারলেও সাফওয়ান ও রউফকে উদ্ধার করা যায়নি। তারা আজ বিকেলের আগপর্যন্ত নিখোঁজ ছিল।
বিআইডব্লিউটিএর নারায়ণগঞ্জ শাখার সহকারী পরিচালক মো. কামরুল হাসান জানান, তাঁদের নেতৃত্বে ডুবুরি দল প্রায় ২০ ঘণ্টা উদ্ধার কার্যক্রম চালিয়ে সাফওয়ান ও রউফের লাশ উদ্ধার করে।

গোপালগঞ্জে ৬৪ হাজার ১২৩টি ইয়াবা, নগদ ৪ লাখ ৫৫ হাজার টাকা ও মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি বিলাসবহুল মাইক্রোবাসসহ দুই মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন গোপালগঞ্জের উজ্জ্বল মোল্লা (৪০) ও তাঁর সহযোগী ওয়াসিম মোল্লা (২৫)।
২২ মিনিট আগে
গাজীপুরের শ্রীপুরে পারিবারিক বিরোধের জেরে জামাতার লাঠির আঘাতে হাফিজ উদ্দিন (৫৫) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত ২টার দিকে উপজেলার কেওয়া পশ্চিমখণ্ড দারোগারচালা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত জামাতা ফিরোজ (২৫) পলাতক রয়েছেন...
২৯ মিনিট আগে
আজ ভোর ৪টার দিকে মহাখালী বাস টার্মিনালে পার্কিং করে রাখা ৪০ আসনের এনা পরিবহনের একটি বাস চুরি হয়েছে জানিয়ে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করেন মাহফুজ নামে এক ব্যক্তি। বাসটিতে থাকা জিপিএস ট্র্যাকার থেকে তারা দেখতে পান— বাসটি মিরপুর বেড়িবাঁধ এলাকায় চলাচল করছে।
১ ঘণ্টা আগে
বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার ইউনিয়নের সান্দিড়া গ্রামের আব্দুল হাই সিদ্দিক। জীবনের ব্যস্ততা কিংবা নিজের পেশার কাজ—কোনো কিছুই তাঁকে থামাতে পারে না মানুষের শেষ বিদায়ের দায়িত্ব থেকে। গ্রামের কারও মৃত্যুর খবর পেলেই ছুটে যান কবরস্থানে। কবর খনন, দাফনের উপযোগী করে প্রস্তুত করা এবং মরদেহ গোসল করানোর....
১ ঘণ্টা আগে