বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সরকার পতনের দিন ফরিদপুরে শামসু মোল্যা (৬২) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের নামে হত্যা মামলা হয়েছে। এ ছাড়া মামলায় ৩০০-৪০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার রাতে আজকের পত্রিকাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ফরিদপুর কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাসানুজ্জামান হাসান।
এর আগে গতকাল বুধবার রাতে ফরিদপুর কোতয়ালী থানায় মামলাটি করেন নিহত শামসুল মোল্যার স্ত্রী মেঘলা বেগম। এতে ওবায়দুল কাদেরসহ জেলা আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, শ্রমিক লীগসহ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দকে আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা দেশত্যাগের পর বিকেল ৫টার দিকে একদল মানুষ ফরিদপুর কোতোয়ালি থানা ঘেরাও করতে যায়। এ সময় পুলিশের সঙ্গে ব্যাপক সংঘর্ষ হয় থানা ঘেরাও করতে যাওয়া ব্যক্তিদের। পুলিশ টিয়ারশেল ও মুহুর্মুহু গুলি ছোড়ে। প্রায় ঘণ্টাব্যাপী এ সংঘর্ষ হয়। এ সময় পথচারী শামসু মোল্যা নিহত হয়। তিনি জেলা শহরের পূর্বখাবাসপুর এলাকার বাসিন্দা এবং একটি যাত্রীবাহী বাসের চালক ছিলেন।
কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাসানুজ্জামান বলেন, এ মামলার এজাহারে আসামি হিসেবে শুধুমাত্র আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁকে (ওবায়দুল কাদের) এ হত্যা মামলায় হুকুমের আসামি করা হয়েছে। এ ছাড়া এ মামলায় ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও শ্রমিক লীগের অজ্ঞাতনামা ৩০০–৪০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কোতোয়ালি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) খায়রুল বাশার বলেন, সিসি টিভির ফুটেজ দেখে আসামি শনাক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত এ হত্যা মামলার কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।

ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের দীর্ঘদিনের দাবি ‘ভূমি ব্যবস্থাপনা’ বিষয়টি নিয়ে জিবিসি নেতৃত্বের সঙ্গে বসে দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেন তিনি। এ সময় তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ একটি সুন্দর বাগানের মতো। এখানে হিন্দু, মুসলিম, গারো, হাজং, খ্রিষ্টানসহ বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষ বসবাস করে। আমি এই বাগানের একজন মালি.....
১ ঘণ্টা আগে
জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে ঈদের আনন্দ মুহূর্তেই বিষাদে পরিণত হয়েছে। থানার সামনে একটি ড্রাম ব্রিজ ভেঙে শতাধিক মানুষ নদীতে পড়ে গেলে দুজন নিহত হয়েছে। শনিবার (২১ মার্চ) বিকেলে দেওয়ানগঞ্জ থানার সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
১ ঘণ্টা আগে
মাদারীপুর জেলার শিবচরে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় মো. শাহাদাত খলিফা (১৫) নামে নবম শ্রেণির এক স্কুলছাত্র মারা গেছে। শনিবার (২১ মার্চ) বেলা ৩টার দিকে এক্সপ্রেসওয়ের কুতুবপুর এলাকার সংযোগ সড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত শাহাদাত খলিফা উপজেলার দ্বিতীয়াখণ্ড নিয়ামতকান্দি গ্রামের হিরু খলিফার ছেলে।
১ ঘণ্টা আগে
নিহতরা হলেন নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার আব্দুল আলীর ছেলে রুবেল মিয়া (২০) এবং রীতি আক্তার (৮)। রীতি আক্তারের পূর্ণ ঠিকানা জানাতে পারেনি পুলিশ। নিহত দু’জনই অটোরিকশার যাত্রী ছিলেন।
১ ঘণ্টা আগে