
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ও র্যাবের বক্তব্যে সন্তুষ্ট নন নিহত বুয়েটছাত্র ফারদিন নূর পরশের বাবা নূর উদ্দিন রানা। তিনি বলেন, ‘বিষয়টা এখনো আমার কাছে স্পষ্ট নয়। আমি ডিবি কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছিলাম। তাঁদেরও বলেছি, এর পেছনে কোনো না কোনো কারণ রয়েছে।’
আজ বুধবার রাতে ফারদিনের বাবা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘রামপুরার পর কোনো ভিডিও ফুটেজ স্পষ্ট নয়। আমি ডিবি ও র্যাবের বক্তব্যে কনভিন্স না। এখানে কনভিন্স হওয়ার কোনো কারণ নেই। শীতলক্ষ্যার সুলতানা কামাল ব্রিজ থেকে ঝাঁপ দেওয়ার যে কথা ডিবি বলছে, তা-ও স্পষ্ট নয়। সেখানে ঢেউ দেখা যায়। কিন্তু সেখান থেকে যে ফারদিন লাফিয়ে পড়েছে, তার নিশ্চয়তা কী, অন্য কেউ হতে পারে। আমি আগামীকাল আদালতে যাব। ভেবেচিন্তে আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলে সিদ্ধান্ত নেব।’
ফারদিনের বাবা আরও বলেন, ‘আমি আত্মহত্যার কোনো কারণ খুঁজে পাচ্ছি না।’
এর আগে, ডিবি পুলিশের প্রধান হারুন অর রশীদ দাবি করেছেন, বুয়েটছাত্র ফারদিন নূর পরশ তারাব বিশ্বরোডের সুলতানা কামাল ব্রিজ থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।
ডিবি প্রধান বলেছেন, ‘ফারদিন ঘটনার দিন রাত ৯টার পরে বান্ধবী বুশরাকে রামপুরায় নামিয়ে দিয়ে চলে যান। এরপর তিনি কেরানীগঞ্জ চলে যান। সেখানে থেকে আবার পুরান ঢাকার জনসন রোড আসেন। সেখান থেকে গুলিস্তান, এরপর যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তা, সেখান থেকে লেগুনায় উঠে তারাব বিশ্বরোডে চলে যান। সুলতানা কামাল ব্রিজের ওপর নেমে তিনি হেঁটে আসেন। সেখান থেকে রাত ২টা ৩৪ মিনিট ২৩ সেকেন্ডে ঝাঁপ দেন, যা ব্রিজের সিসি ক্যামেরায় ধরা পড়েছে।’
প্রসঙ্গত, গত ৪ নভেম্বর রাজধানীর রামপুরা থেকে নিখোঁজ হন বুয়েট শিক্ষার্থী ফারদিন। ৫ নভেম্বর তাঁর বাবা রামপুরা থানায় নিখোঁজের একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। এরপর ৭ নভেম্বর শীতলক্ষ্যা থেকে ফারদিনের লাশ উদ্ধার করে নৌ পুলিশ। এ ঘটনায় ৯ নভেম্বর ফারদিনের বাবা রামপুরা থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলায় বান্ধবী বুশরাকে একমাত্র নামীয় আসামি করেন। তিনি এখনো কারাগারে রয়েছেন।
ফারদিন হত্যাকাণ্ড নিয়ে আরও সংবাদ পড়ুন:

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ও র্যাবের বক্তব্যে সন্তুষ্ট নন নিহত বুয়েটছাত্র ফারদিন নূর পরশের বাবা নূর উদ্দিন রানা। তিনি বলেন, ‘বিষয়টা এখনো আমার কাছে স্পষ্ট নয়। আমি ডিবি কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছিলাম। তাঁদেরও বলেছি, এর পেছনে কোনো না কোনো কারণ রয়েছে।’
আজ বুধবার রাতে ফারদিনের বাবা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘রামপুরার পর কোনো ভিডিও ফুটেজ স্পষ্ট নয়। আমি ডিবি ও র্যাবের বক্তব্যে কনভিন্স না। এখানে কনভিন্স হওয়ার কোনো কারণ নেই। শীতলক্ষ্যার সুলতানা কামাল ব্রিজ থেকে ঝাঁপ দেওয়ার যে কথা ডিবি বলছে, তা-ও স্পষ্ট নয়। সেখানে ঢেউ দেখা যায়। কিন্তু সেখান থেকে যে ফারদিন লাফিয়ে পড়েছে, তার নিশ্চয়তা কী, অন্য কেউ হতে পারে। আমি আগামীকাল আদালতে যাব। ভেবেচিন্তে আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলে সিদ্ধান্ত নেব।’
ফারদিনের বাবা আরও বলেন, ‘আমি আত্মহত্যার কোনো কারণ খুঁজে পাচ্ছি না।’
এর আগে, ডিবি পুলিশের প্রধান হারুন অর রশীদ দাবি করেছেন, বুয়েটছাত্র ফারদিন নূর পরশ তারাব বিশ্বরোডের সুলতানা কামাল ব্রিজ থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।
ডিবি প্রধান বলেছেন, ‘ফারদিন ঘটনার দিন রাত ৯টার পরে বান্ধবী বুশরাকে রামপুরায় নামিয়ে দিয়ে চলে যান। এরপর তিনি কেরানীগঞ্জ চলে যান। সেখানে থেকে আবার পুরান ঢাকার জনসন রোড আসেন। সেখান থেকে গুলিস্তান, এরপর যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তা, সেখান থেকে লেগুনায় উঠে তারাব বিশ্বরোডে চলে যান। সুলতানা কামাল ব্রিজের ওপর নেমে তিনি হেঁটে আসেন। সেখান থেকে রাত ২টা ৩৪ মিনিট ২৩ সেকেন্ডে ঝাঁপ দেন, যা ব্রিজের সিসি ক্যামেরায় ধরা পড়েছে।’
প্রসঙ্গত, গত ৪ নভেম্বর রাজধানীর রামপুরা থেকে নিখোঁজ হন বুয়েট শিক্ষার্থী ফারদিন। ৫ নভেম্বর তাঁর বাবা রামপুরা থানায় নিখোঁজের একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। এরপর ৭ নভেম্বর শীতলক্ষ্যা থেকে ফারদিনের লাশ উদ্ধার করে নৌ পুলিশ। এ ঘটনায় ৯ নভেম্বর ফারদিনের বাবা রামপুরা থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলায় বান্ধবী বুশরাকে একমাত্র নামীয় আসামি করেন। তিনি এখনো কারাগারে রয়েছেন।
ফারদিন হত্যাকাণ্ড নিয়ে আরও সংবাদ পড়ুন:

নারায়ণপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান জানান, আজিজুল ইসলাম পেশায় ছোট চা-দোকানি। তিনি গ্রামের পাশের কালারচর বাজারে ব্যবসা করেন। বুধবার রাতে বড় মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে তিনি দোকানে ছিলেন। এ সময় বাড়িতে শহিদা বেগম ও তাঁর চার বছর বয়সী ছোট মেয়ে ছিল। শহিদা রাতের রান্নার চাল ধুতে নলকূপের...
৪০ মিনিট আগে
জানাজা শেষে ডাবলুর বড় ভাই শরিফুল ইসলাম কাজল বলেন, ‘গতকাল জানাজায় সবাই সুষ্ঠু বিচারের আশ্বাস দিয়েছে। আমরা শুধু আশ্বাসে বিশ্বাসী না, জড়িতদের বিচার চাই। কেউ যেন ছাড় না পায়। আমরা যেন বিচার দেখে যেতে পারি।’
১ ঘণ্টা আগে
প্রস্তাবিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি-সংক্রান্ত অধ্যাদেশ দ্রুত জারির দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মতো রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক অবরোধ করেছেন সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা। এতে সৃষ্ট যানজটে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন নগরবাসী।
১ ঘণ্টা আগে
আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালতে নারাজি দাখিল করেন মামলার বাদী ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের। আজ দুপুরে শুনানি শেষে আদালত নথি পর্যালোচনা করে আদেশ দেবেন বলে জানান।
১ ঘণ্টা আগে