
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী ফারদিন নূর পরশ হত্যা মামলায় চাঞ্চল্যকর অগ্রগতি পেয়েছে র্যাব। শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী রায়হান গ্যাং ফারদিন হত্যার নেপথ্যে কাজ করেছে। আলোচিত এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় রায়হানসহ বেশ কয়েকজনকে নজরদারিতে রাখা হয়েছে বলে র্যাবের একাধিক সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
যেকোনো সময় তাকে গ্রেপ্তার করা হবে বলেও জানান তারা। আজ সোমবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে ফারদিন হত্যার চাঞ্চল্যকর সব তথ্য জানতে পারে বাহিনীটি।
সূত্র জানিয়েছে, আলোচিত এই হত্যার ঘটনায় রায়হানসহ বেশ কয়েকজন নজরদারিতে রয়েছে। যারা বুয়েট শিক্ষার্থী ফারদিনকে পিটিয়ে হত্যা করেছে।
নারী ঘঠিত কিংবা মাদকের কোনো সম্পৃক্ত পাওয়া গেছে কি—না জানতে চাইলে র্যাবের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘ফারদিনের সঙ্গে আমরা মেয়ে ঘটিত বা মাদকের কোনো সম্পৃক্ততা পাইনি। তাকে ফিটিং এবং অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে চনপাড়া বস্তিতে নিয়ে যাওয়া হয়।’
চনপাড়া কীভাবে গেল জানতে চাইলে র্যাব কর্মকর্তা বলেন, ‘চনপাড়া বস্তি থেকে ফারদিনের বাসা তিন কিলোমিটার দুরে। আর ফারদিন বস্তির ভেতরে যাইনি। ধারণা করছি, মেইন রোড থেকেই তাকে ফিটিং দিয়ে ভেতরে নেওয়া হয়েছে। এরপর পিটিয়ে মারা হয়েছে। এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত বন্দুকযুদ্ধে নিহত সিটি শাহীনের সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি।’
এই সম্পর্কিত আরও পড়ুন:

খুলনা শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি সাব্বির (২২) দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে গুরুতর জখম হয়েছেন। আজ সোমবার রাত পৌনে ১০টার দিকে নগরীর টুটপাড়া দরবেশ মোল্লা গলির সামনে অ্যাড. আইয়ুব আলীর বাড়ির সামনে এ ঘটনা ঘটে। আহত সাব্বির টুটপাড়া মুজাহিদ সড়কের বাসিন্দা শাহ আলমের ছেলে।
৩ মিনিট আগে
সংসদ সদস্য ড. রেজা কিবরিয়ার স্ত্রী সিমি কিবরিয়াকে উপজেলা কর্মকর্তাদের মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি করা নিয়ে চলছে আলোচনা-সমালোচনা। বিতর্কের মধ্যে বাহুবল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লিটন চন্দ্র দে ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহবুবুল ইসলামকে বদলি করা হয়েছে।
১৫ মিনিট আগে
পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান নিজে এসেছিলেন এই চৌক্কার খালে। তিনি স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে সবাইকে একত্র করে নিজে কোদাল হাতে খাল খনন শুরু করেন। মাটি কেটেছেন। তাঁর তখন চিন্তা-ধারণার মধ্যে ছিল যে—এই খাল যখন খনন হবে, খালের দুই পাড়ে গাছ থাকবে।
২৭ মিনিট আগে
ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের যাত্রী অপেক্ষাগারে শত শত যাত্রী। সবার চোখে–মুখে হতাশা, উদ্বেগ, অনিশ্চয়তা। তাঁদের কেউ এসেছেন দ্বিতীয় দিনের মতো, কেউ বা অপেক্ষা করছেন কয়েক ঘণ্টা ধরে। সঙ্গে আছেন বিদায় জানাতে আসা স্বজনেরা। তাঁরা সবাই মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন গন্তব্যের যাত্রী।
১ ঘণ্টা আগে