রাশেদ নিজাম, ঢাকা

সম্প্রতি রাজধানীর উত্তরায় একটি বারে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অভিযান বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সব গণমাধ্যম ফলাও করে প্রচার করে সেই খবর। কিন্তু অভিযানের সময় ঘটনাস্থলে প্রদর্শন করা দামি ব্র্যান্ডের মদের বোতলগুলো মামলার এজাহার ও জব্দ তালিকায় দেখানো হয়নি!
গত ৬ অক্টোবর রাতে রাজধানীর উত্তরার ১৩ নম্বর সেক্টরের লেক ভিউ বারে (কিং ফিশার নামে পরিচিত) অভিযান চালায় ডিবি। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) উত্তরা গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) নেতৃত্বে ওই অভিযানে জব্দ করা হয় সাড়ে ৪০০টি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের দেশি-বিদেশি মদের বোতল ও ছয় হাজার বোতল বিয়ার।
কিন্তু আদালতে জমা দেওয়া জব্দ তালিকায় ১৩টি নামি ব্র্যান্ডের মদের নাম নেই। ফলে কত বোতল মদ ওই বার থেকে জব্দ করা হয় তা জানা সম্ভব হয়নি। অভিযান চলার সময় গণমাধ্যমের ছবি ও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে ওই ১৩ ব্র্যান্ডের হুইস্কি, ওয়াইন এবং রামের বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে আজকের পত্রিকা।
৬ অক্টোবর রাতে ডিবি উত্তরার উপকমিশনার আকরামুল হোসেনের নেতৃত্বে অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনারসহ লেক ভিউ বারে অভিযান পরিচালিত হয়। পরদিন মিন্টো রোডে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে এ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন ডিবি প্রধান হারুন অর রশিদ। সেখানে তিনি বলেন, ‘পাঁচ শর বেশি বিদেশি মদের বোতল এবং ৫ হাজার ৪০০ বোতলের বেশি-বিদেশি বিয়ার উদ্ধার করা হয়েছে’।
ওই সময় মিডিয়া সেন্টার থেকে সরবরাহ করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জব্দ করা বোতলের সংখ্যা উল্লেখ করা হয়নি। একই দিনে উত্তরা পশ্চিম থানায় মাদকদ্রব্য আইনে মামলা করেন ডিবির উত্তরা জোনাল টিমের উপপরিদর্শক (এসআই) নাসির উদ্দিন। সেখানে উল্লেখ করা হয়, ৪৫৩টি দেশি বিদেশি মদের বোতল ও ৬ হাজার ৫ বোতল বিয়ার, খালি মদের বোতল ২৯টি, নগদ ১ লাখ ৪৪ হাজার টাকা উদ্ধার করেছেন তাঁরা। যার আনুমানিক মূল্য ৯৯ লাখ ৭৬ হাজার ৯০০ টাকা।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, গরীবে নেওয়াজ অ্যাভিনিউয়ের ওই ভবনের পঞ্চম, ষষ্ঠ ও সপ্তম তলা থেকে এসব মদ ও বিয়ারের ক্যান ও বোতল জব্দ হয়েছে অভিযানে। আসামিদের রিমান্ড আবেদনের পাশাপাশি জমা দেওয়া হয়েছে জব্দ তালিকাও।
কিন্তু সেই জব্দ তালিকায় ১৭টি ব্র্যান্ডের বিদেশি মদের বোতলের নাম ও পরিমাণসহ বিস্তারিত উল্লেখ করা হলেও ১৩টি দামি ব্র্যান্ডের কোনো উল্লেখ নেই। বাদ পড়া ব্র্যান্ডগুলো হলো—জ্যাক ডেনিয়েল, গ্লেনফিডিক, রয়্যাল সুইট (২১ বছরের পুরোনো), ডাবল ব্ল্যাক, ব্লু লেবেল, গোল্ড লেবেল, মার্টেল (কর্ডন ব্লু), সাম্বুকা, পিনা, লিথুয়ানিয়ান, হাইকমিশনারস, জেঅ্যান্ডবি ও ম্যাক এন্ড্রুজ।
যে ব্র্যান্ডগুলোর নাম বাদ পড়েছে এর সবগুলোর বোতলই ওই রাতে বিভিন্ন টেলিভিশনে প্রচার হওয়া ফুটেজে দেখা গেছে। আজকের পত্রিকার কাছেও প্রতিবেদনে লেখা ব্র্যান্ডগুলোর মদের বোতলের ওই সময়ের ছবি সংরক্ষিত আছে।
বারে সবার সামনে ওই বোতলগুলো দেখা গেলেও এজাহার ও জব্দ তালিকায় কেন নেই? এ প্রশ্নে মামলার বাদী ও আদালতে জব্দ তালিকা জমা দেওয়া ডিবির উত্তরা জোনাল টিমের এসআই নাসির উদ্দিন বলেন, তাড়াহুড়োর কারণে পাঁচটি বোতল বাদ পড়েছিল, সেটা সংশোধনের জন্য তাঁরা আদালতে আবেদন করেছেন। এই পাঁচটিসহ মোট মদের বোতলের সংখ্যা হবে ৪৫৮টি।
তবে ঘটনাস্থলে যে ১৩টি দামি কোম্পানির মদের বোতল দেখা গিয়েছিল জব্দ তালিকায় সেগুলোর উল্লেখ কেন নেই এ বিষয়ে ‘কিছু বলতে পারবেন না’ বলে জানান ডিবির এসআই নাসির উদ্দিন।
অভিযানে জব্দ দামি মদের বোতল গায়েব হওয়ার বিষয়ে অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া ডিবি উত্তরা ডিসি আকরামুল হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘অভিযানস্থলে পাওয়া এবং জব্দ তালিকায় থাকা মদের বোতলের কোনো অমিল নেই। কোনো কিছু মিসিং (অনুপস্থিত) নেই। যা পেয়েছেন সবই জমা দেওয়া হয়েছে।’

সম্প্রতি রাজধানীর উত্তরায় একটি বারে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অভিযান বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সব গণমাধ্যম ফলাও করে প্রচার করে সেই খবর। কিন্তু অভিযানের সময় ঘটনাস্থলে প্রদর্শন করা দামি ব্র্যান্ডের মদের বোতলগুলো মামলার এজাহার ও জব্দ তালিকায় দেখানো হয়নি!
গত ৬ অক্টোবর রাতে রাজধানীর উত্তরার ১৩ নম্বর সেক্টরের লেক ভিউ বারে (কিং ফিশার নামে পরিচিত) অভিযান চালায় ডিবি। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) উত্তরা গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) নেতৃত্বে ওই অভিযানে জব্দ করা হয় সাড়ে ৪০০টি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের দেশি-বিদেশি মদের বোতল ও ছয় হাজার বোতল বিয়ার।
কিন্তু আদালতে জমা দেওয়া জব্দ তালিকায় ১৩টি নামি ব্র্যান্ডের মদের নাম নেই। ফলে কত বোতল মদ ওই বার থেকে জব্দ করা হয় তা জানা সম্ভব হয়নি। অভিযান চলার সময় গণমাধ্যমের ছবি ও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে ওই ১৩ ব্র্যান্ডের হুইস্কি, ওয়াইন এবং রামের বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে আজকের পত্রিকা।
৬ অক্টোবর রাতে ডিবি উত্তরার উপকমিশনার আকরামুল হোসেনের নেতৃত্বে অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনারসহ লেক ভিউ বারে অভিযান পরিচালিত হয়। পরদিন মিন্টো রোডে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে এ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন ডিবি প্রধান হারুন অর রশিদ। সেখানে তিনি বলেন, ‘পাঁচ শর বেশি বিদেশি মদের বোতল এবং ৫ হাজার ৪০০ বোতলের বেশি-বিদেশি বিয়ার উদ্ধার করা হয়েছে’।
ওই সময় মিডিয়া সেন্টার থেকে সরবরাহ করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জব্দ করা বোতলের সংখ্যা উল্লেখ করা হয়নি। একই দিনে উত্তরা পশ্চিম থানায় মাদকদ্রব্য আইনে মামলা করেন ডিবির উত্তরা জোনাল টিমের উপপরিদর্শক (এসআই) নাসির উদ্দিন। সেখানে উল্লেখ করা হয়, ৪৫৩টি দেশি বিদেশি মদের বোতল ও ৬ হাজার ৫ বোতল বিয়ার, খালি মদের বোতল ২৯টি, নগদ ১ লাখ ৪৪ হাজার টাকা উদ্ধার করেছেন তাঁরা। যার আনুমানিক মূল্য ৯৯ লাখ ৭৬ হাজার ৯০০ টাকা।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, গরীবে নেওয়াজ অ্যাভিনিউয়ের ওই ভবনের পঞ্চম, ষষ্ঠ ও সপ্তম তলা থেকে এসব মদ ও বিয়ারের ক্যান ও বোতল জব্দ হয়েছে অভিযানে। আসামিদের রিমান্ড আবেদনের পাশাপাশি জমা দেওয়া হয়েছে জব্দ তালিকাও।
কিন্তু সেই জব্দ তালিকায় ১৭টি ব্র্যান্ডের বিদেশি মদের বোতলের নাম ও পরিমাণসহ বিস্তারিত উল্লেখ করা হলেও ১৩টি দামি ব্র্যান্ডের কোনো উল্লেখ নেই। বাদ পড়া ব্র্যান্ডগুলো হলো—জ্যাক ডেনিয়েল, গ্লেনফিডিক, রয়্যাল সুইট (২১ বছরের পুরোনো), ডাবল ব্ল্যাক, ব্লু লেবেল, গোল্ড লেবেল, মার্টেল (কর্ডন ব্লু), সাম্বুকা, পিনা, লিথুয়ানিয়ান, হাইকমিশনারস, জেঅ্যান্ডবি ও ম্যাক এন্ড্রুজ।
যে ব্র্যান্ডগুলোর নাম বাদ পড়েছে এর সবগুলোর বোতলই ওই রাতে বিভিন্ন টেলিভিশনে প্রচার হওয়া ফুটেজে দেখা গেছে। আজকের পত্রিকার কাছেও প্রতিবেদনে লেখা ব্র্যান্ডগুলোর মদের বোতলের ওই সময়ের ছবি সংরক্ষিত আছে।
বারে সবার সামনে ওই বোতলগুলো দেখা গেলেও এজাহার ও জব্দ তালিকায় কেন নেই? এ প্রশ্নে মামলার বাদী ও আদালতে জব্দ তালিকা জমা দেওয়া ডিবির উত্তরা জোনাল টিমের এসআই নাসির উদ্দিন বলেন, তাড়াহুড়োর কারণে পাঁচটি বোতল বাদ পড়েছিল, সেটা সংশোধনের জন্য তাঁরা আদালতে আবেদন করেছেন। এই পাঁচটিসহ মোট মদের বোতলের সংখ্যা হবে ৪৫৮টি।
তবে ঘটনাস্থলে যে ১৩টি দামি কোম্পানির মদের বোতল দেখা গিয়েছিল জব্দ তালিকায় সেগুলোর উল্লেখ কেন নেই এ বিষয়ে ‘কিছু বলতে পারবেন না’ বলে জানান ডিবির এসআই নাসির উদ্দিন।
অভিযানে জব্দ দামি মদের বোতল গায়েব হওয়ার বিষয়ে অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া ডিবি উত্তরা ডিসি আকরামুল হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘অভিযানস্থলে পাওয়া এবং জব্দ তালিকায় থাকা মদের বোতলের কোনো অমিল নেই। কোনো কিছু মিসিং (অনুপস্থিত) নেই। যা পেয়েছেন সবই জমা দেওয়া হয়েছে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৩ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৪ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে