চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধি

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পাঁচজন নিহতের ঘটনায় বাসের বেপরোয়া গতিকেই দায়ী করছেন যাত্রীরা। তাঁরা বলছেন, কুমিল্লায় যাত্রা বিরতির আগে বেপরোয়া গতিতে চলছিল বাসটি। তখন যাত্রীরা শোর চিৎকার করে চালককে সর্তক করেন। যাত্রা বিরতির পর ফের চালক বেপরোয়া গতিতে বাস চালালে তা নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
এর আগে আজ শুক্রবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বাতিসা ইউনিয়নের বসন্তপুর এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে খাদে পড়ে যায়। এতে পাঁচ যাত্রী নিহত হন। আহত হন ১৫ জন।
দুর্ঘটনায় নিহতরা হলেন—কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার মতিউর রহমানের ছেলে মোহাম্মদ হোসেন (৩০), চট্টগ্রামের বাঁশখালীর বাহারছড়া গ্রামের নুরুল আবছারের ছেলে নর্থসাউথ ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী বদরুল হাসান রিয়াদ (২৫) ও নোয়াখালী জেলার চাটখিল উপজেলার সাহাপুর গ্রামের মৃত মোখলেছুর রহমানের ছেলে নাসির উদ্দিন পলাশ (৩৬), বাসের সুপারভাইজার ময়মনসিংহের চন্ডিমুন্ডা গ্রামের সুলতান মিয়ার ছেলে মাসুদ (২১) ও হেলপার লক্ষ্মীপুর জেলার পশ্চিম লক্ষ্মীপুর গ্রামের লাল মিয়ার ছেলে আবু তাহের খোকন (৪৮)।
এ ঘটনায় আহতরা হলেন—কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার মতিউর রহমানের ছেলে ফিরোজ (৪০), একই এলাকার আলী আহমেদের ছেলে মোক্তার হোসেন (৪০), ফজলুর রহমান (৪২), আরাফাত (৩৪), সিয়াম (৩২), সোহাগ (২৮), কামরুন নাহার (২৫), স্বপন শিকদার (২৫), রফিকুল ইসলাম (৩০), মনির (৩০)। তাঁর মধ্যে চারজনকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
মিয়াবাজার হাইওয়ে পুলিশ জানায়, গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকা থেকে কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে রিলাক্স পরিবহনের যাত্রীবাহী বাস (যশোর ব-১১-০২৫১) যাত্রা করে। পথিমধ্যে আজ শুক্রবার সকাল ৭টায় মহাসড়কের চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বসন্তপুর এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি খাদে পড়ে যায়। ডাবল টেকার বাসটি ভেতরে সব যাত্রী আটকে পড়ে। খবর পেয়ে হাইওয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে পাঁচজনের লাশ উদ্ধার করা হয়।
আহত বাসযাত্রী ঢাকার নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির ছাত্র রাঙামাটির আরজ হোসেন সুমন আজকের পত্রিকাকে বলেন, রাত সাড়ে ১২টার দিকে বাসটি ছাড়ার কথা থাকলেও ২৮ জন যাত্রী নিয়ে রাত ২টায় ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। শুক্রবার ফজরের নামাজের আগে কুমিল্লার পদুয়ার বাজার এলাকায় একটি হোটেলে যাত্রা বিরতি করে বাসটি।
যাত্রাবিরতির আগে গাড়িটির গতি বেপরোয়া থাকায় যাত্রীরা শোর চিৎকার করে চালককে সতর্ক করেন। কিন্তু চালক শোনেননি। যাত্রা বিরতি শেষে গাড়িটি আবারও বেপরোয়া গতির কারণে চৌদ্দগ্রামের বসন্তপুর এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পার্শ্ববর্তী খাদে পড়ে যায়। এ সময় বাসের অধিকাংশ যাত্রী ঘুমিয়ে ছিলেন। বেপরোয়া গতির কারণেই বাসটি দুর্ঘটনা ঘটেছে।
নিহত মোহাম্মদ হোসেনের বড় ভাই আহত ফিরোজ হোসেন বলেন, ছয় ভাই পাঁচ বোনের মধ্যে মোহাম্মদ হোসেন তৃতীয়। বৃহস্পতিবার রাতে ছোট ভাই আকাশের মালয়েশিয়ার ফ্লাইট ছিল। তাই তাকে নিয়ে তিনি এবং মোহাম্মদ হোসেন ও নিকটাত্মীয় মুক্তার আহমেদসহ ঢাকা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যান। ছোট ভাইকে বিমানবন্দরে পৌঁছে দিয়ে সায়েদাবাদ থেকে বাড়ির উদ্দেশ্যে বাসে করে রওনা করেন। পথিমধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় মোহাম্মদ হোসেন মারা যান।
ফিরোজ হোসেন কান্না জড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘ভাই পেশায় একজন নির্মাণ ঠিকাদার। আদরের ছোট ভাইকে বিমানবন্দরে পৌঁছে দিতে পারলেও বড় ভাইয়ের লাশ নিয়ে বাড়ি যেতে হচ্ছে।’
নিহত অপরযাত্রী নাছির উদ্দিন পলাশের ভগ্নিপতি আফতাব উদ্দিন তুহিন মোবাইল ফোনে আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘নাসির উদ্দিন পাইপ ফিটিংসের কাজ করেন। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে তিনি বাসযোগে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের শ্বশুরবাড়িতে যাচ্ছিলেন। হাইওয়ে পুলিশের মাধ্যমে জানতে পারি তিনি চৌদ্দগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন।’
চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে আসা আহত অপর যাত্রী চট্টগ্রামের হাটহাজারীর নাবিল হোসেন বলেন, ‘গাড়ির গ্লাস ভেঙে আটকে পড়াদের বের হতে সহায়তা করি। আহতদের কয়েকজনকে টেনে বের করি।’
চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক রবিউল হাসান বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ১০ জনকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এদের মধ্যে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চারজনকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
মিয়াবাজার হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ এস এম লোকমান হোসাইন বলেন, দুর্ঘটনার পর বাসের চালক পলাতক রয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পাঁচজন নিহতের ঘটনায় বাসের বেপরোয়া গতিকেই দায়ী করছেন যাত্রীরা। তাঁরা বলছেন, কুমিল্লায় যাত্রা বিরতির আগে বেপরোয়া গতিতে চলছিল বাসটি। তখন যাত্রীরা শোর চিৎকার করে চালককে সর্তক করেন। যাত্রা বিরতির পর ফের চালক বেপরোয়া গতিতে বাস চালালে তা নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
এর আগে আজ শুক্রবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বাতিসা ইউনিয়নের বসন্তপুর এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে খাদে পড়ে যায়। এতে পাঁচ যাত্রী নিহত হন। আহত হন ১৫ জন।
দুর্ঘটনায় নিহতরা হলেন—কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার মতিউর রহমানের ছেলে মোহাম্মদ হোসেন (৩০), চট্টগ্রামের বাঁশখালীর বাহারছড়া গ্রামের নুরুল আবছারের ছেলে নর্থসাউথ ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী বদরুল হাসান রিয়াদ (২৫) ও নোয়াখালী জেলার চাটখিল উপজেলার সাহাপুর গ্রামের মৃত মোখলেছুর রহমানের ছেলে নাসির উদ্দিন পলাশ (৩৬), বাসের সুপারভাইজার ময়মনসিংহের চন্ডিমুন্ডা গ্রামের সুলতান মিয়ার ছেলে মাসুদ (২১) ও হেলপার লক্ষ্মীপুর জেলার পশ্চিম লক্ষ্মীপুর গ্রামের লাল মিয়ার ছেলে আবু তাহের খোকন (৪৮)।
এ ঘটনায় আহতরা হলেন—কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার মতিউর রহমানের ছেলে ফিরোজ (৪০), একই এলাকার আলী আহমেদের ছেলে মোক্তার হোসেন (৪০), ফজলুর রহমান (৪২), আরাফাত (৩৪), সিয়াম (৩২), সোহাগ (২৮), কামরুন নাহার (২৫), স্বপন শিকদার (২৫), রফিকুল ইসলাম (৩০), মনির (৩০)। তাঁর মধ্যে চারজনকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
মিয়াবাজার হাইওয়ে পুলিশ জানায়, গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকা থেকে কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে রিলাক্স পরিবহনের যাত্রীবাহী বাস (যশোর ব-১১-০২৫১) যাত্রা করে। পথিমধ্যে আজ শুক্রবার সকাল ৭টায় মহাসড়কের চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বসন্তপুর এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি খাদে পড়ে যায়। ডাবল টেকার বাসটি ভেতরে সব যাত্রী আটকে পড়ে। খবর পেয়ে হাইওয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে পাঁচজনের লাশ উদ্ধার করা হয়।
আহত বাসযাত্রী ঢাকার নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির ছাত্র রাঙামাটির আরজ হোসেন সুমন আজকের পত্রিকাকে বলেন, রাত সাড়ে ১২টার দিকে বাসটি ছাড়ার কথা থাকলেও ২৮ জন যাত্রী নিয়ে রাত ২টায় ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। শুক্রবার ফজরের নামাজের আগে কুমিল্লার পদুয়ার বাজার এলাকায় একটি হোটেলে যাত্রা বিরতি করে বাসটি।
যাত্রাবিরতির আগে গাড়িটির গতি বেপরোয়া থাকায় যাত্রীরা শোর চিৎকার করে চালককে সতর্ক করেন। কিন্তু চালক শোনেননি। যাত্রা বিরতি শেষে গাড়িটি আবারও বেপরোয়া গতির কারণে চৌদ্দগ্রামের বসন্তপুর এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পার্শ্ববর্তী খাদে পড়ে যায়। এ সময় বাসের অধিকাংশ যাত্রী ঘুমিয়ে ছিলেন। বেপরোয়া গতির কারণেই বাসটি দুর্ঘটনা ঘটেছে।
নিহত মোহাম্মদ হোসেনের বড় ভাই আহত ফিরোজ হোসেন বলেন, ছয় ভাই পাঁচ বোনের মধ্যে মোহাম্মদ হোসেন তৃতীয়। বৃহস্পতিবার রাতে ছোট ভাই আকাশের মালয়েশিয়ার ফ্লাইট ছিল। তাই তাকে নিয়ে তিনি এবং মোহাম্মদ হোসেন ও নিকটাত্মীয় মুক্তার আহমেদসহ ঢাকা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যান। ছোট ভাইকে বিমানবন্দরে পৌঁছে দিয়ে সায়েদাবাদ থেকে বাড়ির উদ্দেশ্যে বাসে করে রওনা করেন। পথিমধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় মোহাম্মদ হোসেন মারা যান।
ফিরোজ হোসেন কান্না জড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘ভাই পেশায় একজন নির্মাণ ঠিকাদার। আদরের ছোট ভাইকে বিমানবন্দরে পৌঁছে দিতে পারলেও বড় ভাইয়ের লাশ নিয়ে বাড়ি যেতে হচ্ছে।’
নিহত অপরযাত্রী নাছির উদ্দিন পলাশের ভগ্নিপতি আফতাব উদ্দিন তুহিন মোবাইল ফোনে আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘নাসির উদ্দিন পাইপ ফিটিংসের কাজ করেন। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে তিনি বাসযোগে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের শ্বশুরবাড়িতে যাচ্ছিলেন। হাইওয়ে পুলিশের মাধ্যমে জানতে পারি তিনি চৌদ্দগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন।’
চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে আসা আহত অপর যাত্রী চট্টগ্রামের হাটহাজারীর নাবিল হোসেন বলেন, ‘গাড়ির গ্লাস ভেঙে আটকে পড়াদের বের হতে সহায়তা করি। আহতদের কয়েকজনকে টেনে বের করি।’
চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক রবিউল হাসান বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ১০ জনকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এদের মধ্যে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চারজনকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
মিয়াবাজার হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ এস এম লোকমান হোসাইন বলেন, দুর্ঘটনার পর বাসের চালক পলাতক রয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৭ ঘণ্টা আগে