কবির হোসেন, তিতাস (কুমিল্লা)

কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় আসন্ন ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী নির্বাচিত করেছেন দলের শীর্ষ নেতারা। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সরকারি বাসভবন গণভবনে মনোনয়ন বোর্ডের সভায় অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে (ইউপি) চেয়ারম্যান পদে দলীয় প্রার্থী নির্বাচিত করার লক্ষ্যে গঠিত মনোনয়ন বোর্ডের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে কুমিল্লার তিতাস উপজেলার ৯টি ইউনিয়নে দলীয় প্রার্থীর নাম চূড়ান্ত ঘোষণা করা হয়।
ওই দিন রাত দশ টায় এ খবর নির্বাচনী এলাকায় জানা জানি হলে কর্মী, সমর্থকেরা আনন্দ উল্লাসে মেতে উঠে।
মনোনীত প্রার্থীরা হলেন ১ নম্বর সাতানী ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান ও সাতানী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. সামসুল হক সরকার, ২ নম্বর জগতপুর ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান মো. মজিবুর রহমান, ৩ নম্বর বলরামপুর ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান ও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক মো. নুর নবী, ৪ নম্বর কড়িকান্দি ইউনিয়নে নতুন মুখ উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক সাইফুল আলম মুরাদ, ৫ নম্বর কলাকান্দি ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান ও কলাকান্দি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি হাবিবুল্লাহ বাহার, ৬ নম্বর ভিটিকান্দি ইউনিয়নে নতুন মুখ আওয়ামী লীগ নেতা বাবুল আহম্মেদ, ৭ নম্বর নারান্দিয়া ইউনিয়নে নতুন মুখ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আরিফুজ্জামান খোকা, ৮ নম্বর জিয়ারকান্দি ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান হাজী আলী আশ্রাফ এবং ৯ নম্বর মজিদপুর ইউনিয়ন থেকে নতুন মুখ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম। তারা প্রত্যেকেই আসাবাদী নৌকা প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হবে।
তবে প্রতিটি ইউনিয়নে একাধিক প্রার্থী থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। এ দিকে নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নতুন মুখ দেখে বেশ কয়েকটি ইউনিয়নে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।
১ নম্বর সাতালি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী মো. শামসুল হক সরকার বলেন, `গত নির্বাচনেও আমাকে নৌকা প্রতীক দিয়ে ছিল আমি বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছি। এবারও আশা করি ইউনিয়নবাসী আমাকে নির্বাচিত করবে ইনশা আল্লাহ।'
২ নম্বর জগতপুর ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী মজিবুর রহমান বলেন, `গত নির্বাচনে নৌকা প্রতীক নিয়ে জনগণের ভোটে বিজয়ী হয়ে ইউনিয়নবাসীর সেবায় নিয়োজিত ছিলাম। আশা করি এবারও ইউনিয়নবাসী আমাকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করে আমার অসমাপ্ত কাজগুলো করার সুযোগ করে দেবেন।'
৩ নম্বর বলরামপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী মো. নুর নবী বলেন, `গত নির্বাচন নৌকা প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ইউনিয়নবাসীর ভোটে নির্বাচিত হয়েছি এবং ইউনিয়নে অবকাঠামো উন্নয়নসহ নানা উন্নয়নমূলক কাজ করেছি। এবারও নৌকা প্রতীক পেয়েছি। আশা করি ইউনিয়নবাসী গত বারের ন্যায় এবারও আমাকে নির্বাচিত করবে ইনশা আল্লাহ।'
৪ নম্বর কড়িকান্দি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনীত সাইফুল আলম মুরাদ বলেন, `মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও আমাদের এমপি মহোদয় আমাকে নৌকা প্রতীক দিয়েছেন। আশা করি ইউনিয়নবাসীর বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়ে উঠেছে আওয়ামী লীগকে শক্তিশালী করব ইনশা আল্লাহ।'
৫ নম্বর কলাকান্দি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী হাবিবুল্লাহ বাহার বলেন, `গত নির্বাচনে নৌকা নিয়ে ইউনিয়নবাসীর বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছি। এবারও ইনশা আল্লাহ ইউনিয়নবাসী বিপুল ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবে বলে আমি বিশ্বাস করি।'
৬ নম্বর ভিটিকান্দি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী বাবুল আহম্মেদ বলেন, `ইউনিয়নবাসী পরিবর্তন চেয়েছে, তাই আমি ইউনিয়নবাসীর চিন্তা করে নৌকার প্রত্যাশী হয়েছি। সকলের দোয়ায় নেতৃবৃন্দ আমাকে নৌকা প্রতীক দিয়েছে, আলহামদুলিল্লাহ। আশা করি ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণ বিপুল ভোটে নৌকা মার্কাকে নির্বাচিত করবে ইনশা আল্লাহ।'
৭ নম্বর নারান্দিয়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী আরিফুজ্জামান খোকা বলেন, `গত নির্বাচনেও আমি স্বতন্ত্র প্রার্থী ছিলাম আমাকে নির্বাচন করতে দেয়নি। তখনো আমি বিপুল ভোটে নির্বাচিত হতাম। এবার সকলের দোয়ায় নেতৃবৃন্দ আমাকে নৌকা দিয়েছে, নারান্দিয়া ইউনিয়নবাসী বিপুল ভোটে নৌকাকে বিজয়ী করব ইনশা আল্লাহ।
৮ নম্বর জিয়ারকান্দি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী হাজি আলী আশ্রাফ বলেন, `উপ নির্বাচনে নৌকা প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হয়েছি। আল্লাহ চাহেত এবারও সকলের দোয়ায় এবং সুষ্ঠু নির্বাচন হলে বিপুল ভোটে বিজয়ী হইবো ইনশা আল্লাহ।'
৯ নম্বর মজিদপুর ইউনিয়নে নতুন মুখ আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, দুই বছর ধরে ইউনিয়নবাসীর সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছি এবং মজিদপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগকে শক্তিশালী করেছি। আমার ইউনিয়নবাসীর ভোটের মাধ্যমে নৌকার বিজয় হবে ইনশা আল্লাহ।'
নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী ১৭ অক্টোবর মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ। আগামী ১১ নভেম্বর তিতাসের ৯টি ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় আসন্ন ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী নির্বাচিত করেছেন দলের শীর্ষ নেতারা। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সরকারি বাসভবন গণভবনে মনোনয়ন বোর্ডের সভায় অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে (ইউপি) চেয়ারম্যান পদে দলীয় প্রার্থী নির্বাচিত করার লক্ষ্যে গঠিত মনোনয়ন বোর্ডের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে কুমিল্লার তিতাস উপজেলার ৯টি ইউনিয়নে দলীয় প্রার্থীর নাম চূড়ান্ত ঘোষণা করা হয়।
ওই দিন রাত দশ টায় এ খবর নির্বাচনী এলাকায় জানা জানি হলে কর্মী, সমর্থকেরা আনন্দ উল্লাসে মেতে উঠে।
মনোনীত প্রার্থীরা হলেন ১ নম্বর সাতানী ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান ও সাতানী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. সামসুল হক সরকার, ২ নম্বর জগতপুর ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান মো. মজিবুর রহমান, ৩ নম্বর বলরামপুর ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান ও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক মো. নুর নবী, ৪ নম্বর কড়িকান্দি ইউনিয়নে নতুন মুখ উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক সাইফুল আলম মুরাদ, ৫ নম্বর কলাকান্দি ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান ও কলাকান্দি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি হাবিবুল্লাহ বাহার, ৬ নম্বর ভিটিকান্দি ইউনিয়নে নতুন মুখ আওয়ামী লীগ নেতা বাবুল আহম্মেদ, ৭ নম্বর নারান্দিয়া ইউনিয়নে নতুন মুখ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আরিফুজ্জামান খোকা, ৮ নম্বর জিয়ারকান্দি ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান হাজী আলী আশ্রাফ এবং ৯ নম্বর মজিদপুর ইউনিয়ন থেকে নতুন মুখ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম। তারা প্রত্যেকেই আসাবাদী নৌকা প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হবে।
তবে প্রতিটি ইউনিয়নে একাধিক প্রার্থী থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। এ দিকে নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নতুন মুখ দেখে বেশ কয়েকটি ইউনিয়নে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।
১ নম্বর সাতালি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী মো. শামসুল হক সরকার বলেন, `গত নির্বাচনেও আমাকে নৌকা প্রতীক দিয়ে ছিল আমি বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছি। এবারও আশা করি ইউনিয়নবাসী আমাকে নির্বাচিত করবে ইনশা আল্লাহ।'
২ নম্বর জগতপুর ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী মজিবুর রহমান বলেন, `গত নির্বাচনে নৌকা প্রতীক নিয়ে জনগণের ভোটে বিজয়ী হয়ে ইউনিয়নবাসীর সেবায় নিয়োজিত ছিলাম। আশা করি এবারও ইউনিয়নবাসী আমাকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করে আমার অসমাপ্ত কাজগুলো করার সুযোগ করে দেবেন।'
৩ নম্বর বলরামপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী মো. নুর নবী বলেন, `গত নির্বাচন নৌকা প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ইউনিয়নবাসীর ভোটে নির্বাচিত হয়েছি এবং ইউনিয়নে অবকাঠামো উন্নয়নসহ নানা উন্নয়নমূলক কাজ করেছি। এবারও নৌকা প্রতীক পেয়েছি। আশা করি ইউনিয়নবাসী গত বারের ন্যায় এবারও আমাকে নির্বাচিত করবে ইনশা আল্লাহ।'
৪ নম্বর কড়িকান্দি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনীত সাইফুল আলম মুরাদ বলেন, `মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও আমাদের এমপি মহোদয় আমাকে নৌকা প্রতীক দিয়েছেন। আশা করি ইউনিয়নবাসীর বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়ে উঠেছে আওয়ামী লীগকে শক্তিশালী করব ইনশা আল্লাহ।'
৫ নম্বর কলাকান্দি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী হাবিবুল্লাহ বাহার বলেন, `গত নির্বাচনে নৌকা নিয়ে ইউনিয়নবাসীর বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছি। এবারও ইনশা আল্লাহ ইউনিয়নবাসী বিপুল ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবে বলে আমি বিশ্বাস করি।'
৬ নম্বর ভিটিকান্দি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী বাবুল আহম্মেদ বলেন, `ইউনিয়নবাসী পরিবর্তন চেয়েছে, তাই আমি ইউনিয়নবাসীর চিন্তা করে নৌকার প্রত্যাশী হয়েছি। সকলের দোয়ায় নেতৃবৃন্দ আমাকে নৌকা প্রতীক দিয়েছে, আলহামদুলিল্লাহ। আশা করি ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণ বিপুল ভোটে নৌকা মার্কাকে নির্বাচিত করবে ইনশা আল্লাহ।'
৭ নম্বর নারান্দিয়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী আরিফুজ্জামান খোকা বলেন, `গত নির্বাচনেও আমি স্বতন্ত্র প্রার্থী ছিলাম আমাকে নির্বাচন করতে দেয়নি। তখনো আমি বিপুল ভোটে নির্বাচিত হতাম। এবার সকলের দোয়ায় নেতৃবৃন্দ আমাকে নৌকা দিয়েছে, নারান্দিয়া ইউনিয়নবাসী বিপুল ভোটে নৌকাকে বিজয়ী করব ইনশা আল্লাহ।
৮ নম্বর জিয়ারকান্দি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী হাজি আলী আশ্রাফ বলেন, `উপ নির্বাচনে নৌকা প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হয়েছি। আল্লাহ চাহেত এবারও সকলের দোয়ায় এবং সুষ্ঠু নির্বাচন হলে বিপুল ভোটে বিজয়ী হইবো ইনশা আল্লাহ।'
৯ নম্বর মজিদপুর ইউনিয়নে নতুন মুখ আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, দুই বছর ধরে ইউনিয়নবাসীর সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছি এবং মজিদপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগকে শক্তিশালী করেছি। আমার ইউনিয়নবাসীর ভোটের মাধ্যমে নৌকার বিজয় হবে ইনশা আল্লাহ।'
নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী ১৭ অক্টোবর মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ। আগামী ১১ নভেম্বর তিতাসের ৯টি ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
১ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
২ ঘণ্টা আগে