কুমিল্লা প্রতিনিধি

কুমিল্লার মুরাদনগরের বাঙ্গরাবাজার থানার করইবাড়ী এলাকায় গ্রামবাসীর পিটুনিতে একই পরিবারের তিনজন নিহত হয়েছেন। গুরুতর আহত অবস্থায় আরেকজন চিকিৎসাধীন। আজ বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) সকালে এ ঘটনা ঘটে।
পরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে কুমিল্লার পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ নাজির আহম্মেদ খান বলেন, ‘আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। যারা এ ঘটনায় জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নয়।’
পুলিশ সুপার জানান, ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহত ব্যক্তিদের লাশ উদ্ধার করে এবং আহত একজনকে হাসপাতালে পাঠায়।
পুলিশ সুপার আরও বলেন, কোনো অপরাধী থাকলে তাকে পুলিশে সোপর্দ করা উচিত ছিল। কিন্তু তারা আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, নিহত পরিবারটি দীর্ঘদিন ধরে মাদক কারবারি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও চাঁদাবাজিতে জড়িত ছিল। প্রশাসনের নজরে আনা হলেও দীর্ঘদিন ধরে তাদের কার্যক্রম বন্ধ হয়নি। ক্ষোভ ও উত্তেজনার জেরে আজ সকালে গ্রামবাসী একত্রিত হয়ে তাদের বাড়ি ঘেরাও করে এবং দেশীয় অস্ত্র দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করে।
নিহত ব্যক্তিরা হলেন কড়ইবাড়ি গ্রামের খলিলুর রহমানের স্ত্রী রোকসানা আক্তার রুবি (৫৩), তাঁর ছেলে রাসেল মিয়া (৩৫) ও মেয়ে জোনাকি আক্তার (২৫)। গুরুতর আহত হয়েছেন রোকসানার আরেক মেয়ে রুমা আক্তার (৩০)। যিনি বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
বাঙ্গরাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহফুজুর রহমান জানান, নিহত ব্যক্তিরা এলাকার চিহ্নিত অপরাধী। তাঁদের বিরুদ্ধে মুরাদনগর, নবীনগর ও বাঙ্গরাবাজার থানায় মাদক, ডাকাতি, সন্ত্রাসসহ একাধিক মামলা রয়েছে।
পুলিশ জানায়, ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের শনাক্তে অভিযান চলছে। তবে এখনো কোনো মামলা হয়নি। তদন্ত শেষে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ ঘটনার পর করইবাড়ী গ্রামে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। আতঙ্কে অনেকে এলাকা ছেড়েছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং টহল জোরদার করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করছে।

কুমিল্লার মুরাদনগরের বাঙ্গরাবাজার থানার করইবাড়ী এলাকায় গ্রামবাসীর পিটুনিতে একই পরিবারের তিনজন নিহত হয়েছেন। গুরুতর আহত অবস্থায় আরেকজন চিকিৎসাধীন। আজ বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) সকালে এ ঘটনা ঘটে।
পরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে কুমিল্লার পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ নাজির আহম্মেদ খান বলেন, ‘আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। যারা এ ঘটনায় জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নয়।’
পুলিশ সুপার জানান, ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহত ব্যক্তিদের লাশ উদ্ধার করে এবং আহত একজনকে হাসপাতালে পাঠায়।
পুলিশ সুপার আরও বলেন, কোনো অপরাধী থাকলে তাকে পুলিশে সোপর্দ করা উচিত ছিল। কিন্তু তারা আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, নিহত পরিবারটি দীর্ঘদিন ধরে মাদক কারবারি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও চাঁদাবাজিতে জড়িত ছিল। প্রশাসনের নজরে আনা হলেও দীর্ঘদিন ধরে তাদের কার্যক্রম বন্ধ হয়নি। ক্ষোভ ও উত্তেজনার জেরে আজ সকালে গ্রামবাসী একত্রিত হয়ে তাদের বাড়ি ঘেরাও করে এবং দেশীয় অস্ত্র দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করে।
নিহত ব্যক্তিরা হলেন কড়ইবাড়ি গ্রামের খলিলুর রহমানের স্ত্রী রোকসানা আক্তার রুবি (৫৩), তাঁর ছেলে রাসেল মিয়া (৩৫) ও মেয়ে জোনাকি আক্তার (২৫)। গুরুতর আহত হয়েছেন রোকসানার আরেক মেয়ে রুমা আক্তার (৩০)। যিনি বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
বাঙ্গরাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহফুজুর রহমান জানান, নিহত ব্যক্তিরা এলাকার চিহ্নিত অপরাধী। তাঁদের বিরুদ্ধে মুরাদনগর, নবীনগর ও বাঙ্গরাবাজার থানায় মাদক, ডাকাতি, সন্ত্রাসসহ একাধিক মামলা রয়েছে।
পুলিশ জানায়, ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের শনাক্তে অভিযান চলছে। তবে এখনো কোনো মামলা হয়নি। তদন্ত শেষে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ ঘটনার পর করইবাড়ী গ্রামে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। আতঙ্কে অনেকে এলাকা ছেড়েছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং টহল জোরদার করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করছে।

কারওয়ান বাজার ও তেজগাঁও এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিদেশে থাকা এক শীর্ষ সন্ত্রাসীর নির্দেশে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল ঢাকা মহানগর উত্তরের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. আজিজুর রহমান মুছাব্বির খুন হন। এ জন্য বিদেশ থেকে খুনিদের কাছে মোটা অঙ্কের টাকা পাঠানো হয়। ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিএমপ
১ ঘণ্টা আগে
জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি দিতে আয়োজিত গণভোটে ‘না’ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা কৃষক দল নেতা জুয়েল আরমান। তিনি বলেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জিতলে ‘সংবিধানে বিসমিল্লাহ এবং আল্লাহর নামে শুরু করলাম—এটা পরাজিত হবে।’
২ ঘণ্টা আগে
পাবনার ঈশ্বরদীতে ভাড়া বাসা থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় ফসিউল আলম অনীক (৩০) নামের এক ছাত্রদল নেতার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ রোববার রাত ৮টার দিকে উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের দিয়াড় সাহাপুর এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত অনীক ওই এলাকার মো. রানা মোল্লার ছেলে।
৩ ঘণ্টা আগে
অনলাইন প্ল্যাটফর্মে টেলিগ্রামে বিনিয়োগ ও চাকরি দেওয়ার কথা বলে ১ কোটির বেশি টাকা আত্মসাৎকারী প্রতারক চক্রের আরেক সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। গ্রেপ্তার আসামির নাম মো. সোহেল মিয়া (৪১)।
৩ ঘণ্টা আগে