চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধি

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী বলেছেন, ‘শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও আইন শৃঙ্খলার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে সবাই আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে যাবেন। দুর্নীতিবাজ, ঘুষখোর ও আইন শৃঙ্খলা বিঘ্নকারীদের সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক থাকবে না।’
আজ শনিবার সকালে চৌদ্দগ্রাম পৌরসভার সম্মেলন কক্ষে জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী বলেন, ‘শিক্ষা ও স্বাস্থ্য রাষ্ট্রের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই আমি চৌদ্দগ্রামের প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করব। স্বাস্থ্যসেবার জন্য ইতিমধ্যে চৌদ্দগ্রামে ডায়াবেটিস হাসপাতাল প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে। সরকারি হাসপাতালকেও আধুনিকায়ন করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে ইনশাআল্লাহ।’
তিনি আরও বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সারা দেশে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। আমাদের চৌদ্দগ্রামেও অনেক উন্নয়ন হয়েছে। উন্নয়নের এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে আমাদের মাননীয় সংসদ সদস্য মুজিবুল হকসহ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সহযোগিতা নিয়ে কাজ করে যাব।’
পৌর মেয়র জিএম মীর হোসেন মীরু এতে সভাপতিত্ব করেন। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল্লাহ আল মাসুদ চৌধুরী, আবদুল্লাহ আল হাসান, মেজর জেনারেল (অব.) হারুন অর রশিদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ রহমত উল্যাহ বাবুল, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) এবিএম এ বাহার।
আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আকতার হোসেন পাটোয়ারী, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি জিএম জাহিদ হোসেন টিপু, যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক সৈয়দ আহমেদ খোকন, ইউপি চেয়ারম্যান মাহবুব হোসেন মজুমদার, কাজী ফখরুল আলম ফরহাদ, মোশারেফ হোসেন, চৌদ্দগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. আবদুল জলিল রিপন, সাধারণ সম্পাদক আবুল বাশার রানাসহ পৌরসভার কাউন্সিলর ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।
এর আগে, তিনি উপজেলা পরিষদ চত্বরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে গার্ড অব অনার গ্রহণ করেন, চৌদ্দগ্রাম ডায়াবেটিস হাসপাতাল পরিদর্শন করেন। পরে তিনি নিজ এলাকায় গরিব ও দুস্থদের মাঝ কম্বল বিতরণ করেন এবং তাঁর মা-বাবা ও শাহ সুফি আবদুর রহমানের মাজার জিয়ারত করেন।

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী বলেছেন, ‘শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও আইন শৃঙ্খলার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে সবাই আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে যাবেন। দুর্নীতিবাজ, ঘুষখোর ও আইন শৃঙ্খলা বিঘ্নকারীদের সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক থাকবে না।’
আজ শনিবার সকালে চৌদ্দগ্রাম পৌরসভার সম্মেলন কক্ষে জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী বলেন, ‘শিক্ষা ও স্বাস্থ্য রাষ্ট্রের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই আমি চৌদ্দগ্রামের প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করব। স্বাস্থ্যসেবার জন্য ইতিমধ্যে চৌদ্দগ্রামে ডায়াবেটিস হাসপাতাল প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে। সরকারি হাসপাতালকেও আধুনিকায়ন করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে ইনশাআল্লাহ।’
তিনি আরও বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সারা দেশে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। আমাদের চৌদ্দগ্রামেও অনেক উন্নয়ন হয়েছে। উন্নয়নের এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে আমাদের মাননীয় সংসদ সদস্য মুজিবুল হকসহ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সহযোগিতা নিয়ে কাজ করে যাব।’
পৌর মেয়র জিএম মীর হোসেন মীরু এতে সভাপতিত্ব করেন। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল্লাহ আল মাসুদ চৌধুরী, আবদুল্লাহ আল হাসান, মেজর জেনারেল (অব.) হারুন অর রশিদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ রহমত উল্যাহ বাবুল, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) এবিএম এ বাহার।
আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আকতার হোসেন পাটোয়ারী, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি জিএম জাহিদ হোসেন টিপু, যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক সৈয়দ আহমেদ খোকন, ইউপি চেয়ারম্যান মাহবুব হোসেন মজুমদার, কাজী ফখরুল আলম ফরহাদ, মোশারেফ হোসেন, চৌদ্দগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. আবদুল জলিল রিপন, সাধারণ সম্পাদক আবুল বাশার রানাসহ পৌরসভার কাউন্সিলর ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।
এর আগে, তিনি উপজেলা পরিষদ চত্বরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে গার্ড অব অনার গ্রহণ করেন, চৌদ্দগ্রাম ডায়াবেটিস হাসপাতাল পরিদর্শন করেন। পরে তিনি নিজ এলাকায় গরিব ও দুস্থদের মাঝ কম্বল বিতরণ করেন এবং তাঁর মা-বাবা ও শাহ সুফি আবদুর রহমানের মাজার জিয়ারত করেন।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৩ ঘণ্টা আগে