চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি

‘আঁর পোয়ারে নিযাই মারি ফেলাইয়ে দে, আঁর পোয়ারে ফিরাই দে।’ বলতে বলতে মাটি চাপড়িয়ে চিৎকার করে এভাবেই বিলাপ করছিলেন নিহত অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্যের মা খতিজা বেগম (৭৫)।
গত বুধবার (৬ সেপ্টেম্বর) সকালে মাতামুহুরি নদীর সেতুর নিচ থেকে অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য মহসীন ভুট্টুর (৪৭) লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ সময় তাঁর বাম হাত ভাঙা, পিঠে কালো দাগ ও নাক দিয়ে রক্ত বের হচ্ছিল।
আজ মঙ্গলবার চকরিয়া পৌরসভার হালকাকারা নিহতের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, স্বজনদের বিলাপে আশপাশের পরিবেশ ভারী হয়ে এসেছে। তাঁর মা ছেলের স্মৃতিচারণা করে বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন। জ্ঞান ফেরার পর তাঁকে সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়ে স্বজন-প্রতিবেশীরাও কাঁদছেন।
মহসীন ভুট্টু চকরিয়া পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের হালকাকারা এলাকার খলিলুর রহমানের ছেলে। তিনি চকরিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুল করিম সাঈদীর চাচাতো ভাই। মহসীন ২০১১ সালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী থেকে অবসর নেন।
জানা গেছে, গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন। পরদিন বুধবার সকালে মাতামুহুরি সেতুর উত্তর পাশে লাশ দেখে স্থানীয়রা থানায় খবর দেন। লাশ উদ্ধারের পর ফেসবুকে ছবি প্রকাশ করলে অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য মহসীন ভুট্টু বলে শনাক্ত করে তাঁর স্বজনেরা।
পাঁচ দিন পর গত রোববার রাতে নিহতের ভাই সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামি দেখিয়ে চকরিয়া থানায় একটি লিখিত এজাহার দিলে তা মামলা হিসেবে রুজু করা হয়। তবে কোনো আসামির নাম উল্লেখ করা হয়নি। মামলাটি তদন্ত করছেন চকরিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মানিক কুমার।
উপপরিদর্শক (এসআই) মানিক কুমার আজকের পত্রিকাকে বলেন, লাশ উদ্ধার করার সময় মহসীন ভুট্টুর বাম হাত ভাঙা, পিঠে কালো দাগ ও নাক দিয়ে রক্ত বের হচ্ছিল। সুরতহালের পর মরদেহের ময়নাতদন্ত করা হয়। লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন হাতে ফেলে বিস্তারিত জানা যাবে।
মহসীনের ভাই সাইফুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমাদের কিছু প্রতিবেশীর সঙ্গে জমিসংক্রান্ত বিরোধ ছিল। এসব বিষয় আমরা থানা-পুলিশ ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাকে জানিয়েছি। আমার ভাই কীভাবে লাশ হয়ে নদীতে গেল, এই মৃত্যুর রহস্য উদ্ঘাটন করার দাবি জানাচ্ছি।’
চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাবেদ মাহমুদ বলেন, ‘নিহতের পরিবার থানায় লিখিত এজাহার দিলে তা হত্যা মামলা হিসেবে রুজু করা হয়। অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্যের মৃত্যুর রহস্য উদ্ঘাটন করতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কাজ করছেন।’

‘আঁর পোয়ারে নিযাই মারি ফেলাইয়ে দে, আঁর পোয়ারে ফিরাই দে।’ বলতে বলতে মাটি চাপড়িয়ে চিৎকার করে এভাবেই বিলাপ করছিলেন নিহত অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্যের মা খতিজা বেগম (৭৫)।
গত বুধবার (৬ সেপ্টেম্বর) সকালে মাতামুহুরি নদীর সেতুর নিচ থেকে অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য মহসীন ভুট্টুর (৪৭) লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ সময় তাঁর বাম হাত ভাঙা, পিঠে কালো দাগ ও নাক দিয়ে রক্ত বের হচ্ছিল।
আজ মঙ্গলবার চকরিয়া পৌরসভার হালকাকারা নিহতের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, স্বজনদের বিলাপে আশপাশের পরিবেশ ভারী হয়ে এসেছে। তাঁর মা ছেলের স্মৃতিচারণা করে বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন। জ্ঞান ফেরার পর তাঁকে সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়ে স্বজন-প্রতিবেশীরাও কাঁদছেন।
মহসীন ভুট্টু চকরিয়া পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের হালকাকারা এলাকার খলিলুর রহমানের ছেলে। তিনি চকরিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুল করিম সাঈদীর চাচাতো ভাই। মহসীন ২০১১ সালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী থেকে অবসর নেন।
জানা গেছে, গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন। পরদিন বুধবার সকালে মাতামুহুরি সেতুর উত্তর পাশে লাশ দেখে স্থানীয়রা থানায় খবর দেন। লাশ উদ্ধারের পর ফেসবুকে ছবি প্রকাশ করলে অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য মহসীন ভুট্টু বলে শনাক্ত করে তাঁর স্বজনেরা।
পাঁচ দিন পর গত রোববার রাতে নিহতের ভাই সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামি দেখিয়ে চকরিয়া থানায় একটি লিখিত এজাহার দিলে তা মামলা হিসেবে রুজু করা হয়। তবে কোনো আসামির নাম উল্লেখ করা হয়নি। মামলাটি তদন্ত করছেন চকরিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মানিক কুমার।
উপপরিদর্শক (এসআই) মানিক কুমার আজকের পত্রিকাকে বলেন, লাশ উদ্ধার করার সময় মহসীন ভুট্টুর বাম হাত ভাঙা, পিঠে কালো দাগ ও নাক দিয়ে রক্ত বের হচ্ছিল। সুরতহালের পর মরদেহের ময়নাতদন্ত করা হয়। লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন হাতে ফেলে বিস্তারিত জানা যাবে।
মহসীনের ভাই সাইফুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমাদের কিছু প্রতিবেশীর সঙ্গে জমিসংক্রান্ত বিরোধ ছিল। এসব বিষয় আমরা থানা-পুলিশ ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাকে জানিয়েছি। আমার ভাই কীভাবে লাশ হয়ে নদীতে গেল, এই মৃত্যুর রহস্য উদ্ঘাটন করার দাবি জানাচ্ছি।’
চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাবেদ মাহমুদ বলেন, ‘নিহতের পরিবার থানায় লিখিত এজাহার দিলে তা হত্যা মামলা হিসেবে রুজু করা হয়। অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্যের মৃত্যুর রহস্য উদ্ঘাটন করতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কাজ করছেন।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৪ ঘণ্টা আগে